আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. করণ কারক
খ. সম্প্রদান কারক
গ. অপাদান কারক
ঘ. অধিকরণ কারক
উত্তরঃ সম্প্রদান কারক
ব্যাখ্যাঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন।

তাঁর মতে, "যাকে স্বত্ত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয়, তাকে (সংস্কৃত নিয়মে) সম্প্রদান কারক বলে।" তবে, তিনি মনে করতেন কর্মকারক দ্বারাই সম্প্রদান কারকের কাজ সম্পন্ন করা যায়। "বাংলাভাষা পরিচয়" প্রবন্ধে তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

ক. বিভক্তি
খ. কারক
গ. প্রত্যয়
ঘ. অনুসর্গ
উত্তরঃ কারক
ব্যাখ্যাঃ

বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।

কারক শব্দের অর্থ হলো "যা ক্রিয়া সম্পাদন করে"। ব্যাকরণে, কারক হলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাথে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক। এই সম্পর্কের মাধ্যমেই কর্তা, কর্ম, করণ, অপাদান, সম্প্রদান ও অধিকরণ ইত্যাদি ভেদ নির্ণয় করা যায়।

ক. গৃহহীনে গৃহ দাও
খ. জিজ্ঞাসিব জনে জনে
গ. ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
ঘ. বনে বাঘ আছে
উত্তরঃ ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
ব্যাখ্যাঃ

"ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে" বাক্যটিতে "স্টেশন" অপাদান কারকের উদাহরণ।

অপাদান কারক সেই কারককে বোঝায় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, উৎপন্ন, ভীত, রক্ষিত বা গৃহীত হয়।

  • কঃ গৃহহীনে গৃহ দাও: এখানে 'গৃহহীন'-কে গৃহ দান করা হচ্ছে। এটি সম্প্রদান কারক (যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা হয়)।

  • খঃ জিজ্ঞাসিব জনে জনে: এখানে 'জনে জনে' কর্মকারকের উদাহরণ (কাকে জিজ্ঞাসা করবে)।

  • গঃ ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে: এখানে 'স্টেশন' থেকে ট্রেনটি বিচ্যুত হয়েছে। তাই 'স্টেশন' অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি ('এ' বিভক্তি যুক্ত) যুক্ত হয়ে 'স্টেশনে' হয়েছে।

  • ঘঃ বনে বাঘ আছে: এখানে 'বনে' অধিকরণ কারক (কোথায় বাঘ আছে - স্থান বোঝাচ্ছে)।

ক. বিশেষ্য ও ক্রিয়া
খ. বিশেষণ ও ক্রিয়া
গ. বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
ঘ. ক্রিয়া ও সর্বনাম
উত্তরঃ ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যাঃ

সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে বেশি বেশি দেখা যায়।

এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ্য ও অব্যয় পদেও পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়, তবে ক্রিয়া ও সর্বনামের পার্থক্য তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি স্পষ্ট এবং নিয়মিত।

ক্রিয়া পদের পার্থক্য:

  • সাধু: করিয়াছি, খাইতেছি, যাইব, বলিয়াছিল
  • চলিত: করেছি, খাচ্ছি, যাব, বলেছিল

সর্বনাম পদের পার্থক্য:

  • সাধু: তাহারা, ইহাদের, তাহাকে, যিনি
  • চলিত: তারা, এদের, তাকে, যিনি (কিছু ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে)

বিশেষ্য ও অব্যয় পদে পার্থক্য তুলনামূলকভাবে কম এবং অনেক ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রূপে একই শব্দ ব্যবহৃত হয়। তবে কিছু উদাহরণ:

বিশেষ্য পদের পার্থক্য:

  • সাধু: হস্তী
  • চলিত: হাতি

অব্যয় পদের পার্থক্য:

  • সাধু: অদ্য
  • চলিত: আজ

সুতরাং, সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত ক্রিয়া ও সর্বনাম পদেই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে।

ক. বক্র
খ. গরল
গ. কুটিল
ঘ. জটিল
উত্তরঃ গরল
ব্যাখ্যাঃ

গরল হলো সেই শব্দটি যা 'সরল' এর বিপরীতার্থক নয়।

  • কঃ বক্র: 'সরল' (straight) এর বিপরীত 'বক্র' (curved/bent)। এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
  • খঃ গরল: 'গরল' মানে বিষ। 'সরল' এর সাথে এর কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই।
  • গঃ কুটিল: 'সরল' (straightforward/simple) এর বিপরীত 'কুটিল' (cunning/complex)। এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
  • ঘঃ জটিল: 'সরল' (simple) এর বিপরীত 'জটিল' (complex)। এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
ক. কর্ম কারকে শূন্য
খ. সম্প্রদানে সপ্তমী
গ. অধিকরণে শূন্য
ঘ. কর্তৃকারকে শূন্য
উত্তরঃ কর্ম কারকে শূন্য
ব্যাখ্যাঃ

‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’-এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।
এখানে, ‘দিব’ (দেওয়া) ক্রিয়ার দ্বারা ঔষধকে গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, ঔষধ হল সেই বস্তু যা দেওয়া হবে। কর্ম কারকে যখন কোনো বিভক্তি চিহ্ন থাকে না, তখন তাকে শূন্য বিভক্তি বলে। এই বাক্যে ‘ঔষধ’ শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত নেই, তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।
কার্যকারক:
কর্মকারক: যখন কোনো বাক্যে ক্রিয়া দ্বারা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির উপর কাজ করা হয়, তখন সেই বস্তু বা ব্যক্তি কর্মকারকের অন্তর্ভুক্ত হয়।
অন্যান্য কারক ও তাদের বিভক্তি:
কর্তৃকারক (কর্তা): শূন্য, এ, তে, য়,
করণ কারক (যন্ত্র বা সহায়ক): শূন্য, দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
সম্প্রদান কারক (স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা): কে, রে, জন্য, নিমিত্ত
অপাদান কারক (উৎপত্তি, ভয়, বিরত): হতে, থেকে, চেয়ে
অধিকরণ কারক (স্থান, কাল, পাত্র): এ, তে, য়
এই বাক্যে, যেহেতু ঔষধ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ঔষধ একটি বস্তু, তাই এটি কর্ম কারকের উদাহরণ।

ক. কর্তৃকারকের সপ্তমী
খ. কর্মকারকে সপ্তমী
গ. অপাদান কারকে তৃতীয়া
ঘ. অধিকরণ কারকে সপ্তমী
উত্তরঃ অধিকরণ কারকে সপ্তমী
ব্যাখ্যাঃ

যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন- নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে ‘আকাশে’ শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে ‘এ’ বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।

ক. ঘোড়াকে চাবুক মার
খ. ডাক্তার ডাক
গ. গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে
ঘ. মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে
উত্তরঃ ঘোড়াকে চাবুক মার
ব্যাখ্যাঃ

ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে ‘কিসের দ্বারা’ ‘কি উপায়ে’ প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক। যেমন: ঘোড়াকে চাবুক মার (করণে শূন্য)। জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায় (উপায়-সাধনা), ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে (উপকরণ → ফুল) ডাক্তার ডাক (কর্মে শূন্য)। গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে (অপাদানে শূন্য)।