আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 রবীন্দ্র সংগীত
 নজরুল সংগীত
 ভাটিয়ালি গান
 বাউল গান
ব্যাখ্যাঃ

বাউল গান - যা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীতের ধারা - ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটির (Intangible Cultural Heritage of Humanity) প্রতিনিধি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাউল গান কোনো একক গান নয়, এটি গানের একটি সংগ্রহ এবং একটি ঐতিহ্য যা রহস্যবাদ, মানবতাবাদ এবং সরল জীবনযাত্রার মিশ্রণ ঘটায়। যদিও এটি কোনো একক গান নয়, তবে এটি ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বাংলা সঙ্গীত ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

২. চন্ডীচরণ মুন্সী কে?

[ বিসিএস ৪৬তম ]

 শ্রীরামপুর মিশনের লিপিকর
 ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত
 কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থের রচয়িতা
 সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক
ব্যাখ্যাঃ

চণ্ডীচরণ মুন্সী ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ এবং উনিশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটিশ ভারতের একজন বাঙালি লেখক। তিনি ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে মারা যান। তার জন্মতারিখ সঠিকভাবে জানা না গেলেও, কোনো কোনো সূত্রে অনুমান করা হয় যে তিনি ১৭৬০ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা ভাষার অধ্যাপকদের মধ্যে একজন ছিলেন। এই কলেজে বাংলা ভাষার পঠনপাঠনের ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

চণ্ডীচরণ মুন্সীর উল্লেখযোগ্য কাজ হলো 'তোতা ইতিহাস', যা কাদির বখশ রচিত ফার্সি গল্পগ্রন্থ 'তুতিনামা'-র বঙ্গানুবাদ। তিনি ১৮০৪ সালে এই অনুবাদ সম্পন্ন করেন এবং এটি ১৮০৫ সালে গ্রন্থাকারে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। 'তোতা ইতিহাস' বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রাথমিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।

এছাড়াও, ভাগবদ্গীতাও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা শিক্ষাক্রমে তার রচিত গ্রন্থ হিসেবে পাঠ্য ছিল।

 রামমোহন রায়
 অক্ষয়কুমার দত্ত
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 রাধানাথ শিকদার
ব্যাখ্যাঃ

‘রত্নপরীক্ষা’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

এটি বিদ্যাসাগরের লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ।

 সুকুমার রায়
 রমেশচন্দ্র মজুমদার
 শিবনারায়ণ রায়
 হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ

‘তৈল’ প্রবন্ধটি লিখেছেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

এই প্রবন্ধে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরে তৈল বা চাটুকারিতার প্রভাব ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে তৈলমর্দন বা তোষামোদ সমাজে সুবিধা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হয়ে উঠেছে। তাঁর লেখায় কৌতুকরসের মাধ্যমে বাস্তবতার গভীর বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 বিষ্ণু দে
 অমিয় চক্রবর্তী
 প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যাঃ

"নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" কাব্যের রচয়িতা হলেন বিষ্ণু দে

বিষ্ণু দে ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও চিত্রসমালোচক। তাঁর সাহিত্যকর্মে আধুনিকতা, শিল্পচেতনা ও গভীর দার্শনিক ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায়।

 পতঙ্গ পিঞ্জর
 প্রেম একটি লাল গোলাপ
 রৌদ্র করোটিতে
 অদ্ভুত আঁধার এক
ব্যাখ্যাঃ

শামসুর রাহমানের রচিত উপন্যাস হলো কঃ পতঙ্গ পিঞ্জর

"পতঙ্গ পিঞ্জর" শামসুর রাহমানের একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।

অন্যান্য বিকল্পগুলো তার কাব্যগ্রন্থ:

  • খঃ প্রেম একটি লাল গোলাপ - এটি একটি কাব্যগ্রন্থ।
  • গঃ রৌদ্র করোটিতে - এটিও একটি কাব্যগ্রন্থ।
  • ঘঃ অদ্ভুত আঁধার এক - এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
 অস্তিত্ববাদ
 অভিব্যক্তিবাদ
 পরাবাস্তববাদ
 দ্বৈতাদ্বৈতবাদ
ব্যাখ্যাঃ

সেলিম আল দীনের নাটকে অনুসৃত শিল্পতত্ত্ব হলো দ্বৈতাদ্বৈতবাদ

তিনি পাশ্চাত্য শিল্পের বিভাজনকে অস্বীকার করে বাঙালির নিজস্ব নন্দনতত্ত্বের আলোকে এই নতুন শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন। তাঁর নাটকে বাংলা লোকনাট্য এবং পুরাণ কাহিনীর প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বে বিভিন্ন শিল্প মাধ্যম ও আঙ্গিকের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি অখণ্ড শিল্পাঙ্গিক বিনির্মাণের কথা বলা হয়েছে।

 আল মাহমুদ
 রফিক আজাদ
 আবুল হাসান
 আবুল হোসেন
ব্যাখ্যাঃ

‘পৃথক পালঙ্ক’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন আবুল হাসান। তিনি ছিলেন একজন প্রতিভাবান আধুনিক কবি। এই কাব্যগ্রন্থটি তার স্বল্পস্থায়ী জীবনে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম।

 জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
 রিজিয়া রহমান
 শহীদুল জহির
 দিলারা হাশেম
ব্যাখ্যাঃ

শহীদুল জহিরের গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজমের সুস্পষ্ট এবং শক্তিশালী প্রতিফলন দেখা যায়। তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ "ডুমুরখেকো মানুষ ও অন্যান্য গল্প" এবং উপন্যাস "জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা" এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তার রচনায় জাদুবাস্তবতার উপাদান, যেমন - পরাবাস্তব চিত্রকল্প, সময়ের অৈকিক ধারণা ভেঙে দেওয়া, এবং বাস্তব ঘটনার মধ্যে অলৌকিকতার অনুপ্রবেশ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

যদিও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসও বাংলা সাহিত্যে ম্যাজিক রিয়েলিজমের গুরুত্বপূর্ণ লেখক, এই বিকল্পগুলোর মধ্যে শহীদুল জহিরের কাজে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি প্রকট।

 ইছামতি
 মেঘমল্লার
 মৌরিফুল
 যাত্রাবদল
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো কঃ ইছামতি

ইছামতি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ নয়।

অন্যদিকে, মেঘমল্লার, মৌরিফুল এবং যাত্রাবদল – এই তিনটিই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ

 গাইবান্ধায়
 বগুড়ায়
 ঢাকায়
 সিরাজগঞ্জে
ব্যাখ্যাঃ

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ও প্রভাবশালী লেখক। তিনি ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বগুড়া জেলায়।

ইলিয়াস ছিলেন একজন স্বল্পপ্রজ লেখক, তবে তাঁর প্রতিটি রচনা গভীর জীবনবোধ, তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ এবং সমাজবাস্তবতার নিপুণ চিত্রায়ণে সমৃদ্ধ। তিনি ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিত।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:

  • উপন্যাস:
    • চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭)
    • খোয়াবনামা (১৯৯৬)
  • গল্পগ্রন্থ:
    • অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬)
    • খোঁয়ারি (১৯৮২)
    • দুধভাতে উৎপাত (১৯৮৫)
    • দোজখের ওম (১৯৮৯)
    • জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল (১৯৯৭)
  • প্রবন্ধ সংকলন:
    • সংস্কৃতির ভাঙা সেতু

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মারা যান। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।

 সৈয়দ শামসুল হক
 শামসুর রাহমান
 হাসান হাফিজুর রহমান
 আহসান হাবীব
ব্যাখ্যাঃ

‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন শামসুর রাহমান

এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।

 আবুল ফজল
 আবদুল কাদির
 জাহানারা ইমাম
 মুশতারি শফী
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো কঃ আবুল ফজল

‘দুর্দিনের দিনলিপি’ স্মৃতিগ্ৰন্থটি আবুল ফজলের লেখা। এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার লেখকের দিনলিপি।

 রজনীকান্ত সেন
 ইসমাইল হােসেন সিরাজী
 কামিনী রায়
 দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যাঃ

‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ – এই বিখ্যাত পংক্তি দুটি কবি কামিনী রায় রচিত।

এটি তার "পরের তরে" কবিতার অংশ। কবিতাটি মানুষের মধ্যে সহানুভূতি, সহযোগিতা ও পরোপকারের গুরুত্ব তুলে ধরে।

 কালাে বরফ
 খেলাঘর
 অনুর পাঠশালা
 জীবন আমার বােন
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘জীবন আমার বোন’ প্রথম প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে; এর লেখক মাহমুদুল হক। জাহিদুল কবির খোকা নামের এক আপাত নির্লিপ্ত ও জীবন-পলাতক মানুষকে কেন্দ্রে স্থাপন করে মাহমুদুল হক উপন্যাসটি লিখেছেন। এ উপন্যাসের অপর চরিত্র ‘রঞ্জু’। ‘কালো বরফ’, ‘খেলাঘর’ এবং অনুর পাঠশালা উপন্যাসের রচয়িতাও মাহমুদুল হক। এদের মধ্যে কালো বরফ দেশভাগের পটভূমিভিত্তিক এবং খেলাঘর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক।

চরিত্রসমূহ: কালো বরফ → আব্দুল খালেক। খেলাঘর → ইয়াকুব, টুনু, রেহানা। অনুর পাঠশালা → কিশোর অনু (নায়ক), কিশোরী সরুদাসী (নায়িকা)।

 সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
 প্রেমেন্দ্র মিত্র
 সমর সেন
 জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যাঃ

‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’ – এই বিখ্যাত কাব্যাংশটি রচনা করেন ঘঃ জীবনানন্দ দাশ

এটি তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘আকাশলীনা’-র একটি চরণ। কবিতাটি জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’-তে অন্তর্ভুক্ত। এই পংক্তির মাধ্যমে কবি মানবজাতির চিরন্তনতা এবং প্রকৃতির মাঝে মানুষের স্মৃতি ও প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন।

 রফিক আজাদ
 শঙ্খ ঘােষ
 শক্তি চট্টোপাধ্যায়
 শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ

‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থের কবি হলেন শঙ্খ ঘোষ

এটি তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা আধুনিক সমাজের বিজ্ঞাপনসর্বস্বতাকে এবং মানুষের ভেতরের সত্তা কিভাবে ক্রমশ ঢাকা পড়ে যাচ্ছে, সেই বিষয়টিকে তুলে ধরে।

 আনিসুর রহমান
 রেহমান সােবহান
 নুরুল ইসলাম
 রওনক জাহান
ব্যাখ্যাঃ

‘Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment’ শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক হলেন রেহমান সোবহান। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী। গ্রন্থটিতে তিনি তার কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোকপাত করেছেন।

 যন্ত্রণাদগ্ধ জীবন
 স্নিগ্ধ শ্যামল প্রকৃতির রূপ
 লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি
 দেশ বিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা
ব্যাখ্যাঃ

কিত্তনখেলা নাটকটির বিষয়বস্তুর হলো লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি

যদিও কিত্তনখেলার মূল আখ্যান রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা ও বৈষ্ণব ভাবাদর্শ, এই নাটকের পরিবেশ, চরিত্রায়ণ এবং ব্যবহৃত লোকজ উপাদান (যেমন কীর্তন গান) লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। নাটকের ভাষা, আচার-আচরণ এবং সঙ্গীতের মাধ্যমে গ্রামীণ বাংলার একটি চিত্র ফুটে ওঠে।

 অসীম সাহা
 অরুণ বসু
 আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
 সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ

সৈয়দ শামসুল হক "পরানের গহীন ভিতর" কাব্যের কবি।

এটি তার একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৮০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এই কাব্যে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

 যাদের দেখেছি
 পথে-প্রবাসে
 কাল নিরবধি
 ভবিষ্যতের বাঙালি
ব্যাখ্যাঃ

জসীম উদ্দীনের রচনা হলো যাদের দেখেছি

'যাদের দেখেছি' জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ। এখানে তিনি তার দীর্ঘ জীবনে দেখা বিভিন্ন আকর্ষণীয় ও গ্রামীণ মানুষের কথা তুলে ধরেছেন।

অন্যান্য গ্রন্থগুলো ভিন্ন লেখকের:

  • পথে-প্রবাসে: বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় রচিত একটি ভ্রমণকাহিনী।
  • কাল নিরবধি: আবু জাফর শামসুদ্দীন রচিত একটি উপন্যাস।
  • ভবিষ্যতের বাঙালি: এস ওয়াজেদ আলী রচিত একটি প্রবন্ধ সংকলন।
 রাহাত খান
 হাসান আজিজুল হক
 সেলিনা হোসেন
 ইমদাদুল হক মিলন
ব্যাখ্যাঃ

‘আগুনপাখি’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন হাসান আজিজুল হক

এটি হাসান আজিজুল হকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত।

 বিষ্ণু দে
 বুদ্ধদেব বসু
 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ

জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেন বুদ্ধদেব বসু

বুদ্ধদেব বসু তাঁর 'আধুনিক বাংলা কবিতা' (প্রথম পর্যায়) গ্রন্থে জীবনানন্দ দাশের কবিতায় একাকীত্ব, বিষণ্ণতা এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর মমত্ববোধ লক্ষ্য করে এই অভিধাটি ব্যবহার করেছিলেন।

 হুমায়ুন আজাদ
 হেলাল হাফিজ
 আসাদ চৌধুরী
 রফিক আজাদ
ব্যাখ্যাঃ

'অলৌকিক ইস্টিমার' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন হুমায়ুন আজাদ

এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

 বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
 আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
 ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
 ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যাঃ

ড. মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম হলো 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব'। এটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়।

 পলাশীর যুদ্ধ
 তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
 ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
 ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
ব্যাখ্যাঃ

কবি কায়কোবাদ রচিত বিখ্যাত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ

এই যুদ্ধ ছিল ভারতের উদীয়মান হিন্দুশক্তি মারাঠাদের সঙ্গে মুসলিমশক্তি তথা আহমদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বে রোহিলা-অধিপতি নজীবউদ্দৌলার মধ্যে সংঘটিত এক ভয়াবহ যুদ্ধ। যদিও এই যুদ্ধে মুসলমানরা জয়লাভ করেছিল, কিন্তু কবির দৃষ্টিতে এটি উভয় পক্ষের জন্যই ছিল এক বিশাল শক্তিক্ষয় ও ধ্বংসের প্রতিচ্ছবি। এই কারণেই কবি এই যুদ্ধক্ষেত্রকে 'মহাশ্মশান' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যেখানে মানবতা ও উভয় জাতির গৌরবই যেন শ্মশানে পরিণত হয়েছিল।

 আল মাহমুদ
 আব্দুল মান্নান সৈয়দ
 অমিয় চক্রবর্তী
 শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ

'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক হলেন শামসুর রাহমান

এই কবিতাটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আসাদুজ্জামানের রক্তমাখা শার্টকে নিয়ে রচিত, যা তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। কবিতাটি শামসুর রাহমানের 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০) কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত।

 কবিগান
 পুঁথি সাহিত্য
 নাথ সাহিত্য
 বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
ব্যাখ্যাঃ

এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন কবিগানশ্যামাসংগীত জাতীয় সাহিত্যের রচয়িতা।

তিনি ছিলেন একজন পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত বাঙালি কবিয়াল (কবিওয়ালা)। তার আসল নাম ছিল অ্যান্টনি ডি সুজা। তিনি বাংলা ভাষায় কবিগান রচনা ও পরিবেশনের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তার রচিত গানগুলিতে একদিকে যেমন প্রেম, ভক্তি ও ঈশ্বরতত্ত্বের কথা থাকত, তেমনি অন্যদিকে সামাজিক দিকও উঠে আসত। তিনি বহু শ্যামাসংগীত (দেবী কালীর স্তুতিমূলক গান) রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

সুতরাং, তার রচনার প্রধান ধারা ছিল কবিগান এবং শ্যামাসংগীত

 চার ইয়ারী কথা
 পালামৌ
 দৃষ্টিপাত
 দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যাঃ

প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে চার ইয়ারী কথা ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়।

  • কঃ চার ইয়ারী কথা: এটি প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত গল্প সংকলন বা কথিকা। এটি ভ্রমণসাহিত্য নয়, বরং চার বন্ধুর আলোচনা ও চিন্তাভাবনার উপর ভিত্তি করে লেখা।
  • খঃ পালামৌ: এটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী
  • গঃ দৃষ্টিপাত: এটি যাযাবর (বিনয় মুখোপাধ্যায়)-এর রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনী
  • ঘঃ দেশে বিদেশে: এটি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী
 শামসুর রাহমান
 আল মাহমুদ
 আবুল ফজল
 আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতাটি লিখেছেন আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত এবং বহুল পঠিত কবিতা।

 চৌরসন্ধি
 ক্রীতদাসের হাসি
 ভেজাল
 বনি আদম
ব্যাখ্যাঃ

শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হলো:

শওকত ওসমানের রচনা তালিকা:

  • উপন্যাস:

    • জননী (প্রথম উপন্যাস)
    • চৌরসন্ধি
    • ক্রীতদাসের হাসি
    • সমাগম
    • রাজা উপাখ্যান
    • পতঙ্গ পিঞ্জর
    • আর্তনাদ
    • রাজসাক্ষী
    • মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: জাহান্নম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, জলাঙ্গী
  • গল্পগ্রন্থ:

    • পিঁজরাপোল
    • জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প
    • জন্ম যদি তব বঙ্গে
    • ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী
    • ভেজাল
  • নাটক:

    • আমলার মামলা
    • পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
    • তস্কর ও লস্কর
    • কাঁকরমণি
    • বাগদাদের কবি
  • প্রবন্ধগ্রন্থ:

    • মন্তব্য মৃগয়া
    • সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই
    • মুসলিম মানসের রূপান্তর
 আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
 শহীদুল জহির
 শওকত ওসমান
 শওকত আলী
ব্যাখ্যাঃ

‘মিলির হাতে স্টেনগান’ গল্পটি বিখ্যাত সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস-এর লেখা। এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় ও শক্তিশালী গল্প।

 আবুল হাসান
 আবুল হোসেন
 মহাদেব সাহা
 নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ

‘হুলিয়া’ কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণ-এর রচনা। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গণজাগরণকে প্রতিফলিত করে লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা।

 আবুল হাসান
 হুমায়ুন কবির
 সোমেন চন্দ
 কল্যাণ মিত্র
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকায় আততায়ীর হাতে মৃত্যুবরণ করেন এমন একজন উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক হলেন সোমেন চন্দ

তিনি ছিলেন একজন মার্কসবাদী লেখক এবং ট্রেড ইউনিয়ন নেতা। ১৯৪২ সালের ৮ই মার্চ ঢাকায় ফ্যাসিবাদবিরোধী এক সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তিনি আততায়ীর হাতে ছুরিকাহত হয়ে নিহত হন।

 শওকত আলী
 সেলিনা হোসেন
 আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
 সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ

সৈয়দ শামসুল হক সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান। তিনি মাত্র ৩১ বছর বয়সে, ১৯৬৬ সালে এই পুরস্কার লাভ করেন।

 সৈয়দ আলী আহসান
 সুকান্ত ভট্টাচার্য
 হুমায়ুন আজাদ
 নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যাঃ

‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন হুমায়ুন আজাদ

এটি তার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।

 অক্টোপাস
 কালো বরফ
 ক্রীতদাসের হাসি
 নাঢ়াই
ব্যাখ্যাঃ

‘নাঢ়াই’ উপন্যাসটি মূলত তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। এর মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ বাংলার প্রান্তিক কৃষকদের জীবন ও তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।

উপন্যাসটিতে দেখা যায়, গরিব কৃষকের ঘরে জন্ম নেওয়া এক অল্পবয়সী বিধবা মা, ফুলমতি, কীভাবে তার সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং নিজের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য লড়াই করে। তার ব্যক্তিগত লড়াই একসময় বৃহত্তর কৃষক আন্দোলনের সাথে মিশে যায়।

এখানে উপন্যাসের কিছু মূল বিষয় তুলে ধরা হলো:

  • তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট: উপন্যাসটি ১৯৪৬-৪৮ সালের অবিভক্ত বাংলার তেভাগা আন্দোলনের সময়কালের চিত্র তুলে ধরে। যেখানে ভাগচাষীরা জমির মালিকের কাছে উৎপন্ন ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ দাবি জানায়।
  • কৃষকের জীবন ও সংগ্রাম: উপন্যাসে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের দরিদ্র কৃষকদের দৈনন্দিন জীবন, তাদের শোষণ, বঞ্চনা এবং বেঁচে থাকার কঠিন বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
  • নারী চরিত্র: ফুলমতি এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীর সংগ্রাম, সাহস ও টিকে থাকার অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে তুলে ধরা হয়েছে।
  • সামাজিক শোষণ ও প্রতিবাদ: উপন্যাসটিতে জোতদার ও মহাজনদের শোষণ এবং এর বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত প্রতিরোধ ও বিদ্রোহের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
  • আঞ্চলিক জীবন ও ভাষা: উপন্যাসের পটভূমি উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ জীবন এবং চরিত্রগুলোর মুখের আঞ্চলিক ভাষা অত্যন্ত জীবন্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সংক্ষেপে, ‘নাঢ়াই’ উপন্যাসটি তেভাগা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত প্রান্তিক মানুষের জীবন ও অধিকার আদায়ের এক শক্তিশালী আখ্যান।

 ডব্লিউ বি ইয়েটস
 ক্লিনটন বি সিলি
 অরুন্ধতী রায়
 অমিতাভ ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ

ক্লিনটন বি সিলি (Clinton B. Seely) ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ লিখেছেন।

গ্রন্থটির নাম হলো "A Poet Apart"

ক্লিনটন বি সিলি ছিলেন একজন আমেরিকান একাডেমিক, অনুবাদক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পণ্ডিত। এই বইটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

 ভূমিপুত্র
 মাটির জাহাজ
 কাঁটাতারে প্রজাপতি
 চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যাঃ

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই

এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। এটি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময়কার ঢাকা শহরের ছাত্র ও সাধারণ মানুষের জীবন এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে vividly তুলে ধরে।

 কামাল হোসেন
 এস. এ. করিম
 নুরুল ইসলাম
 আনিসুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

'Making of a Nation Bangladesh' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন অধ্যাপক নুরুল ইসলাম

 হুমায়ূন আহমেদ
 তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
 বুদ্ধদেব বসু
 সেলিনা হোসেন
 কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
 ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
 কামিনী রায়
 যতীন্দ্রমোহন বাগচী
ব্যাখ্যাঃ

‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?’ – এই বিখ্যাত চরণটি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার-এর লেখা। এটি তাঁর লেখা ‘সদ্ভাব শতক’ কাব্যগ্রন্থের 'চতুর্দশপদী কবিতা' থেকে নেওয়া।

৪৩. কোন চরণটি সঠিক?

[ বিসিএস ৩৩তম ]

 ধন ধান্য পুষ্পে ভরা
 ধন্য ধান্যে পুষ্পে ভরা
 ধণ্যে ধান্যে পুষ্প ভরা
 ধন্যে ধান্য পুষ্পে ভরা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক চরণটি হলো 'ধন ধান্য পুষ্পে ভরা'

এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গানেরও একটি অংশ।

 নবম শতকে
 ত্রয়োদশ শতকে
 ষোড়শ শতকে
 উনিশ শতকে
ব্যাখ্যাঃ

গবেষকদের মতে, ষোল থেকে আঠারো শতক অবধি বাংলা গদ্যের নিদর্শন প্রধানত চিঠিপত্রে ও দলিল-দস্তাবেজে আবদ্ধ ছিল। কিন্তু বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা হয় উনিশ শতকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ‘বাংলা গদ্যের জনক’ বলা হয়।

৪৫. ইয়ং বেঙ্গল কি?

[ বিসিএস ২৮তম ]

 বাংলাভাষা শিক্ষার্থী ইংরেজ
 ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক
 একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম
 একটি সাময়িক পত্রের নাম
ব্যাখ্যাঃ

ইয়ং বেঙ্গল উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণ বা রেনেসাঁসের বার্তাবাহী পাশ্চাত্য শিক্ষা, সভ্যতা ও সংস্কৃতির আলোকে আলোকিত বাঙালি যুবসমাজ। এই দলের প্রায় সকলেই ছিলেন হিন্দু কলেজের ছাত্র এবং অধ্যাপক ডিরোজিওর শিষ্য। ইয়ং বেঙ্গলদের মুখপত্র ছিল এনকোয়ারার, জ্ঞানান্বেষণ, পার্থেনন প্রভৃতি।

 ১৮১৭ সালে
 ১৮৩২ সালে
 ১৮৫২ সালে
 ১৭৫৩ সালে
ব্যাখ্যাঃ

কলকাতায় প্রথম রঙ্গমঞ্চ তথা নাট্যমঞ্চ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৫৩ সালে। নাটক ও নৃত্যকর্মকে উৎসাহিত করতে ব্রিটিশরা ‘প্লে হাউস’ নামক এ রঙ্গমঞ্চটি প্রতিষ্ঠা করে। কলকাতার লালদিঘীর পূর্ব পাশে লালবাজার রোডে এটি অবস্থিত।

 অবকাশ রঞ্জিনী
 বৃত্রসংহার
 বিরহ বিলাপ
 বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যাঃ

মহাকাব্য হলো কোনো জাতির উত্থান-পতনের কাহিনি ওজস্বী ছন্দে বর্ণিত সাহিত্যকর্ম। কিছু বিখ্যাত মহাকাব্য হলো রামায়ণ (বাল্মীকি), মহাভারত (কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাস), মেঘনাদবধ কাব্য (মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ১৮৬১), বৃত্রসংহার-১ম ও ২য় খণ্ড (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১৮৭৫ ও ১৮৭৭), মহাশ্মশান (কায়কোবাদ, ১৯০৪), স্পেন বিজয় (সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, ১৯১৪), ইলিয়াড (হোমার), প্যারাডাইস লস্ট (মিল্টন) ইত্যাদি। ‘বৃত্র’ নামক অসুর কর্তৃক স্বর্গবিজয় ও দেবরাজ ইন্দ্র কর্তৃক স্বর্গের অধিকার পুনঃস্থাপন ও বৃত্রাসুরের নিধনই ‘বৃত্রসংহার’ মহাকাব্যের উপজীব্য।

 মুন্সী আব্দুল লতিফ
 কাজী আকরাম হোসেন
 গিরিশচন্দ্র সেন
 শেখ আব্দুল জব্বার
ব্যাখ্যাঃ

শেখ ফরীদুদ্‌দীন সাত্তারের ফারসি ভাষায় রচিত ‘তাজকেরাতুল আওলিয়া’ অবলম্বনে ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ‘তাপসমালা’ গ্রন্থ টি রচনা করেন। উল্লেখ্য, গিরিশচন্দ্র সেন প্রথম বাংলায় পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফ অনুবাদ করেন।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
 রাজশেখর বসু
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যাঃ

বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার জনক। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রথম দিকে সফল গীতিকবিতা রচনার জন্য বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ উপাধি দেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্হ হলো- স্বপ্নদর্শন, সঙ্গীত শতক, বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গ সন্দর্শন, বন্ধুবিয়োগ, প্রেম প্রবাহিনী ও সারদামঙ্গল।

 জগৎ মোহিনী
 বসন্ত কুমারী
 আয়না
 মোহনী প্রেমপাস
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। তার রচিত নাটকের মধ্যে বসন্তকুমারী, জমীদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয়, টালা অভিনয় উল্লেখযোগ্য। তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো বিষাদ-সিন্ধু ও উদাসীন পথিকের মনের কথা। মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘রত্নবতী’ (১৮৬৯) মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস।

 শর্মিষ্ঠা
 রাজসিংহ
 পলাশীর যুদ্ধ
 রক্তাক্ত প্রান্তর
ব্যাখ্যাঃ

‘শর্মিষ্ঠা’ মধুসূদন দত্ত রচিত পৌরাণিক নাটক; ‘রাজসিংহ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস; ‘পলাশীর যুদ্ধ’ নবীন চন্দ্র সেন রচিত ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্হ; ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক। মুনীর চৌধুরী রচিত অন্যান্য নাটক হলো- কবর, মানুষ, মুখরা রমণী বশীকরণ, কেউ কিছু বলতে পারে না ইত্যাদি।

 নাটক
 ছোট গল্প
 প্রবন্ধ
 গীতি কবিতা
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সাহিত্যের জীবনচক্রে একটি বিশাল সময়জুড়ে গীতি কবিতা সৃষ্টি ও সমৃদ্ধ হয়েছে। অন্যান্য বিষয়াদি এতো ব্যাপক সময়ব্যাপী বিকাশ লাভ করেনি।

 বিহারীলাল চক্রবর্তী
 প্যারীচাঁদ মিত্র
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
 শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ

বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার জনক। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রথম দিকে সফল গীতিকবিতা রচনার জন্য বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ উপাধি দেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্হ হলো- স্বপ্নদর্শন, সঙ্গীত শতক (১৮৬২), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), নিসর্গ সন্দর্শন (১৮৭০), বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০), প্রেম প্রবাহিনী ও সারদামঙ্গল।

 সৈয়দ শামসুল হক
 সৈয়দ মুজতবা আলী
 শওকত ওসমান
 ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় গ্রন্থ
উপন্যাস শবনম, অবিশ্বাস্য
ভ্রমণকাহিনী দেশে-বিদেশে, জলে-ডাঙায়
ছোটগল্পগ্রন্থ চাচা কাহিনী, টুনি মেম
রম্যরচনা পঞ্চতন্ত্র, ময়ূরকণ্ঠী