আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. মধাম
খ. প্রথম
গ. সবগুলো
ঘ. উত্তম
উত্তরঃ প্রথম
ব্যাখ্যাঃ

সারাংশ প্রথম পুরুষে লিখতে হয়।

সারাংশে লেখকের ব্যক্তিগত মতামত বা অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত নয়। এটি মূল রচনার ভাব বজায় রেখে তৃতীয় ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা হয়।

ক. ব্যাতিহার কর্তা
খ. মুখ্য কর্তা
গ. প্রযোজক কর্তা
ঘ. প্রযোজ্য কর্তা
উত্তরঃ মুখ্য কর্তা
ব্যাখ্যাঃ

"মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে" - এই বাক্যে "বৃষ্টি" শব্দটি মুখ্য কর্তা

কর্তা (Subject): বাক্যে যে ক্রিয়া (verb) সম্পাদন করে, সেই হলো কর্তা।

মুখ্য কর্তা (Principal Subject): যে কর্তা সরাসরি ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে মুখ্য কর্তা বলে। এই বাক্যে "পড়া" ক্রিয়াটি "বৃষ্টি" সরাসরি সম্পন্ন করছে।

অন্যান্য কর্তার প্রকারভেদ এখানে প্রযোজ্য নয়:

  • ব্যাতিহার কর্তা (Reciprocal Subject): যখন দুটি কর্তা একত্রে একই প্রকার ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তখন তাদের ব্যাতিহার কর্তা বলে। যেমন: "রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়।"
  • প্রযোজক কর্তা (Agent Subject): যখন কোনো কর্তা নিজে কাজটি না করে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেয়, তখন প্রথম কর্তাটি প্রযোজক কর্তা। যেমন: "মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছে।"
  • প্রযোজ্য কর্তা (Patient Subject): প্রযোজক কর্তার দ্বারা যাকে দিয়ে কাজটি করানো হয়, সে হলো প্রযোজ্য কর্তা। যেমন: "মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছে।" এই বাক্যে "শিশু" প্রযোজ্য কর্তা।

"মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে" বাক্যে বৃষ্টি নিজেই পড়ার কাজটি করছে, তাই এটি মুখ্য কর্তা।

ক. ক্রিয়া বিশেষণ
খ. বিশেষণের বিশেষণ
গ. নাম বিশেষণ
ঘ. বিশেষ্যের বিশেষণ
উত্তরঃ ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো ক্রিয়া বিশেষণ

এখানে 'সভয়ে' পদটি 'বলল' ক্রিয়াপদটিকে বিশেষিত করছে। লোকটি কীভাবে বলল? - সভয়ে বলল। যে পদ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো কেন সঠিক নয়:

  • নাম বিশেষণ: যে বিশেষণ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের বৈশিষ্ট্য বা ধর্ম প্রকাশ করে, তাকে নাম বিশেষণ বলে। এখানে 'সভয়ে' কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামকে বিশেষিত করছে না।
  • বিশেষণের বিশেষণ: যে বিশেষণ অন্য কোনো বিশেষণের বৈশিষ্ট্য বা তীব্রতা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে। এখানে 'সভয়ে' কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করছে না।
  • বিশেষ্যের বিশেষণ: এটি 'নাম বিশেষণ'-এর আরেকটি নাম।
ক. সমষ্টিবাচকজ বিশেষ্য
খ. নির্ধারক বিশেষণ
গ. সাপেক্ষ সর্বনাম
ঘ. অনুকার অব্যয়
উত্তরঃ নির্ধারক বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো নির্ধারক বিশেষণ

এই বাক্যে "রাশি রাশি" ধান-এর পরিমাণ বা সংখ্যা নির্দেশ করছে। যে বিশেষণ বিশেষ্যের সংখ্যা, পরিমাণ, বা ধারণা নির্দিষ্ট করে তোলে, তাকে নির্ধারক বিশেষণ বলে। এখানে "রাশি রাশি" ধান-এর অনির্দিষ্ট কিন্তু প্রচুর পরিমাণ বোঝাচ্ছে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো কেন সঠিক নয়:

  • কঃ সমষ্টিবাচক বিশেষ্য: এটি কতগুলো জিনিসের সমষ্টি বোঝায় (যেমন - ঝাঁক, দল)। "রাশি রাশি" বিশেষ্য পদ নয়, এটি ধানের পরিমাণ বোঝাচ্ছে।
  • গঃ সাপেক্ষ সর্বনাম: যে সর্বনাম অন্য কোনো সর্বনামের ওপর নির্ভরশীল (যেমন - যেমন কর্ম তেমন ফল)। "রাশি রাশি" সর্বনাম পদ নয়।
  • ঘঃ অনুকার অব্যয়: কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি অব্যয় (যেমন - ঝম ঝম, পট পট)। "রাশি রাশি" কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়।
ক. ক্রিয়া ও অব্যয়
খ. অব্যয় ও ক্রিয়া
গ. সর্বনাম ও বিশেষ্য
ঘ. ক্রিয়া ও সর্বনাম
উত্তরঃ ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যাঃ

সাধু রীতি ও চলিত রীতির পার্থক্য সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে।

এর কারণ হলো:

  • ক্রিয়াপদ: সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: করিয়াছি, গিয়াছি, থাকিবে)। চলিত ভাষায় এই রূপগুলো সংক্ষিপ্ত হয় (যেমন: করেছি, গেছি, থাকবে)।
  • সর্বনাম পদ: সাধু ভাষায় সর্বনামের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: তাহারা, ইহাদের, তাহাকে)। চলিত ভাষায় এগুলো সংক্ষিপ্ত ও পরিবর্তিত হয় (যেমন: তারা, এদের, তাকে)।

এছাড়াও, অনুসর্গ এবং কিছু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও পার্থক্য দেখা যায়, তবে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে এই পার্থক্য বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

প্রশ্নঃ ‘তাজা মাছ’ কোন বিশেষণ?

[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]

ক. রুপবাচক
খ. অংশবাচক
গ. অবস্থাবাচক
ঘ. গুণবাচক
উত্তরঃ অবস্থাবাচক
ব্যাখ্যাঃ

'তাজা মাছ'-এ 'তাজা' কোন ধরনের বিশেষণ? সঠিক উত্তর অবস্থাবাচক

তাজা মাছ এখানে তাজা শব্দটি মাছের অবস্থানকে বুঝিয়েছে। মাছটি কি অবস্থায় আছে তা এখানে তাজাকে বোঝায়

ক. সমুচ্চয়ী
খ. অনুসর্গ
গ. অনস্বয়ী
ঘ. অনুকার
উত্তরঃ অনুকার
ব্যাখ্যাঃ

এখানে 'কল কল' হলো ধ্বন্যাত্মক অব্যয়।

যে সকল অব্যয় কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাদেরকে ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয় বলে। যেমন:
1. ঝিরঝির (বৃষ্টি পড়ার শব্দ)
2. কলকল (নদীর স্রোতের শব্দ)
3. ঝমঝম (বৃষ্টির শব্দ)
4. শোঁ শোঁ (বাতাসের শব্দ)
5. কুহু কুহু (কোকিলের ডাক)

ক. করণে সপ্তমী
খ. কর্মে সপ্তমী
গ. অধিকরণে সপ্তমী
ঘ. অপাদানে সপ্তমী
উত্তরঃ অধিকরণে সপ্তমী
ব্যাখ্যাঃ

"শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে" - বাক্যে "পাঠে" শব্দটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি।

এখানে "পাঠে" শব্দটি অধিকরণ কারকে ব্যবহৃত হয়েছে। অধিকরণ কারক মানে ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, সময় বা বিষয়কে বোঝায়। এই বাক্যে, "পাঠে" শব্দটি ক্রিয়া সম্পাদনের বিষয়কে বোঝাচ্ছে।

সপ্তমী বিভক্তি হলো "এ", "য়", "তে", "এতে" ইত্যাদি। এই বাক্যে "তে" বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, তাই এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি।

ক. প্রযোজ্য
খ. অসমাপিকা
গ. প্রাযোজক
ঘ. সমাপিকা
উত্তরঃ অসমাপিকা
ব্যাখ্যাঃ

"সূর্য উঠলে আঁধার দূরীভূত হয়" - এই বাক্যে "উঠলে" অসমাপিকা ক্রিয়াপদ।

অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বক্তার কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। এখানে "উঠলে" শব্দটি দ্বারা বাক্যটি সম্পূর্ণ হচ্ছে না, আরও কিছু শোনার আকাঙ্ক্ষা থেকে যাচ্ছে। তাই এটি অসমাপিকা ক্রিয়া।

ক. ইচ্ছা
খ. সম্ভাব্যতা
গ. আবশ্যকতা
ঘ. কারণ
উত্তরঃ সম্ভাব্যতা
ব্যাখ্যাঃ

"চারটা বাজলে স্কুল ছুটি হবে"- বাক্যে 'বাজলে' শব্দটি শর্ত বা সম্ভাব্যতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

এখানে 'বাজলে' শব্দটি একটি অসমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যের শর্ত বা সম্ভাব্যতা প্রকাশ করছে। এর মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে যে, যদি চারটা বাজে, তবে স্কুল ছুটি হবে। অর্থাৎ, স্কুল ছুটি হওয়ার শর্ত হলো চারটা বাজতে হবে।

এই ধরনের বাক্যগুলোতে 'বাজলে' শব্দটি প্রায়শই শর্ত বা সাপেক্ষতা বা সম্ভাব্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

ক. এশ্বরিক
খ. বিশ্বজনীন
গ. বিশজন
ঘ. সর্বজনীন
উত্তরঃ সর্বজনীন
ব্যাখ্যাঃ

"সর্বজন" এর বিশেষণ হলো "সর্বজনীন"।

"সর্বজন" শব্দের অর্থ হলো সকল মানুষ বা সাধারণ মানুষ। আর "সর্বজনীন" শব্দের অর্থ হলো যা সকলের জন্য প্রযোজ্য বা যা সকলের মধ্যে বিদ্যমান।

ক. প্রশ্নবোধক
খ. না-বোধক
গ. বিস্ময়সূচক
ঘ. 'হ্যা' বোধক
উত্তরঃ 'হ্যা' বোধক
ব্যাখ্যাঃ

"তুমি না বলেছিলো এখানে আসবে" - এই বাক্যে 'না' এর ব্যবহার প্রশ্নবোধক অর্থে।

যদিও বাক্যটির গঠন দেখে মনে হতে পারে এটি একটি নেতিবাচক বাক্য, কিন্তু এখানে 'না' শব্দটি একটি প্রশ্ন তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। বক্তা সম্ভবত নিশ্চিত হতে চাইছেন যে শ্রোতা আগে এখানে আসার কথা বলেছিলেন কিনা।

এই ধরনের প্রশ্নকে হ্যাঁ/না প্রশ্ন বলা হয়, যেখানে উত্তর হ্যাঁ বা না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ক. বিশেষ্য
খ. বিশেষণ
গ. সর্বনাম
ঘ. অব্যয়
উত্তরঃ বিশেষ্য
ব্যাখ্যাঃ

এখানে 'সুন্দর' একটি বিশেষ্য

প্রশ্নঃ আমি, তুমি ও সে -

[ প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 ]

ক. সবাই
খ. আমরা
গ. আমাদের
ঘ. সকলে
উত্তরঃ আমরা
ব্যাখ্যাঃ

যখন "আমি", "তুমি" এবং "সে" একসাথে উল্লেখ করা হয়, তখন সমষ্টিগতভাবে আমরা বোঝানো হয়।

⇒সবাই এবং সকলে - এই শব্দগুলো আরও বৃহত্তর সংখ্যক ব্যক্তিকে বোঝাতে পারে।
⇒আমাদের - এটি একটি সম্বন্ধবাচক সর্বনাম, যা অধিকার বা সম্পর্ক বোঝায়।

ক. আনন্দ
খ. আশা
গ. আবেগ
ঘ. আনুগত্য
উত্তরঃ আনন্দ
ব্যাখ্যাঃ

"আ মরি বাংলা ভাষা"-এ "আ" দ্বারা বিস্ময় বা আনন্দ প্রকাশ করা হয়েছে।

এই ধরনের আবেগ প্রকাশক অব্যয়কে বিস্ময়সূচক অব্যয় বা আনন্দসূচক অব্যয় বলা হয়। এখানে বক্তা বাংলা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্যে মুগ্ধ হয়ে বিস্ময় ও আনন্দ মিশ্রিত আবেগ প্রকাশ করছেন।

ক. বিশেষ্য
খ. বিশেষণ
গ. বিশেষ্যের বিশেষণ
ঘ. ক্রিয়া বিশেষণ
উত্তরঃ বিশেষণ
ব্যাখ্যাঃ

"'মেঘলা'" শব্দটি একটি বিশেষণ

এটি একটি গুণবাচক বিশেষণ, যা বিশেষ্য পদের (যেমন - আকাশ, দিন, আবহাওয়া) অবস্থা বা গুণ বর্ণনা করে। "মেঘলা" দ্বারা বোঝানো হয় যে আকাশে মেঘ আছে বা আকাশ মেঘে ঢাকা।

উদাহরণ:
মেঘলা আকাশ (কেমন আকাশ? - মেঘলা)
⇒ আজ মেঘলা দিন। (কেমন দিন? - মেঘলা)
⇒ আমার মেঘলা আবহাওয়া ভালো লাগে। (কেমন আবহাওয়া? - মেঘলা)

ক. ব্যতিহারিক
খ. সাকুল্যবাচক
গ. অস্তিবাচক
ঘ. ব্যক্তিবাচক
উত্তরঃ ব্যক্তিবাচক
ব্যাখ্যাঃ

'আমি' এবং 'আমার' হলো ব্যক্তিবাচক সর্বনাম পদ

এগুলো বক্তা বা উত্তম পুরুষকে নির্দেশ করে।

প্রশ্নঃ 'চন্দ্র' এর বিশেষণ রূপ কোনটি?

[ ১৮তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. চান্দ্র
খ. চাঁদ
গ. চন্দ্রা
ঘ. চান্দ্রা
উত্তরঃ চান্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
  • চন্দ্র একটি বিশেষ্য পদ, যার বিশেষণ রূপ হলো চান্দ্র। যেমন: চান্দ্র মাস।
  • চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ, যার তদ্ভব রূপ হলো চাঁদ
ক. যন্ত্রণা
খ. বিরক্তি
গ. কমা
ঘ. উচ্ছ্বাস
উত্তরঃ উচ্ছ্বাস

প্রশ্নঃ তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি

[ ১০তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

ক. যৌগিক বাক্য
খ. মিশ্র বাক্য
গ. সরল বাক্য
ঘ. সাধারণ বাক্য
উত্তরঃ যৌগিক বাক্য

প্রশ্নঃ সারাংশ কোন পুরুষে লিখতে হয়?

[ ৮ম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

ক. উত্তম পুরুষ
খ. মধ্যম পুরুষ
গ. প্রথম পুরুষ
ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তরঃ প্রথম পুরুষ
ক. হ্যাঁ আমি যাব
খ. যথা ধর্ম তথা জয়
গ. আবার যেতে হবে
ঘ. অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
উত্তরঃ যথা ধর্ম তথা জয়
ক. সম্বোধন পদ
খ. সম্বন্ধ পদ
গ. বিশেষ্য পদ
ঘ. সর্বনাম পদ
উত্তরঃ সম্বোধন পদ

প্রশ্নঃ ব্যতিহারিক সর্বনাম কোনটি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ | সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ১০-১০-২০০৮ ]

ক. ইহারা
খ. যিনি
গ. নিজে নিজে
ঘ. কেহ
উত্তরঃ নিজে নিজে
ক. ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না
খ. আমি আজ আলবত যাব
গ. তিনি সৎ, তাই সকলেই তাকে শ্রদ্ধা করে
ঘ. হাশেম কিংবা কাশেম এর জন্য দায়ী
উত্তরঃ আমি আজ আলবত যাব
ক. শীতকালে কুয়াশা পড়ে
খ. গভীর "ভালো" বাড়ি পাওয়া কঠিন
গ. মন্দ কথা বলতে নেই
ঘ. গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত
উত্তরঃ গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত
ক. সাপেক্ষ সর্বনাম
খ. নির্ধারক সর্বনাম
গ. নির্ধারিত বিশেষণ
ঘ. সাপেক্ষ বিশেষণ
উত্তরঃ নির্ধারক সর্বনাম
ক. বাইরে
খ. ব্যাপ্তি
গ. মধ্যে
ঘ. সঙ্গে
উত্তরঃ ব্যাপ্তি

প্রশ্নঃ অব্যয় পদ কত প্রকার?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০১-০৫-২০০৪ ]

ক. দুই প্রকার
খ. তিন প্রকার
গ. চার প্রকার
ঘ. পাঁচ প্রকার
উত্তরঃ তিন প্রকার
ক. নাম বিশেষণ
খ. ভাব বিশেষণ
গ. ক্রিয়া বিশেষণ
ঘ. বিশেষণের বিশেষণ
উত্তরঃ ভাব বিশেষণ

প্রশ্নঃ কোনটি বিশেষণের বিশেষণ?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ২০-০৫-২০০১ ]

ক. মেঘনা " বড়" নদী
খ. "এই" আমি আর নই একা
গ. বাতাস "ধীরে" বইছে
ঘ. "অতিশয়" মন্দ কথা
উত্তরঃ "অতিশয়" মন্দ কথা
ক. বিশেষণ
খ. বিশেষণের বিশেষণ
গ. বিশেষ্য
ঘ. অব্যয়
উত্তরঃ বিশেষণের বিশেষণ
ক. ক্রিয়া
খ. বিশেষ্য
গ. অব্যয়
ঘ. বিশেষণ
উত্তরঃ বিশেষণ
ক. জাতিবাচক
খ. বস্তুবাচক
গ. সমষ্টিবাচক
ঘ. ব্যক্তিবাচক
উত্তরঃ বস্তুবাচক

প্রশ্নঃ সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম কোনটি?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]

ক. যে
খ. তাবৎ
গ. কিছু
ঘ. স্বয়ং
উত্তরঃ যে

প্রশ্নঃ কোনটি উভলিঙ্গ বাচক শব্দ?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]

ক. সৈন্য
খ. প্রিয়
গ. মানুষ
ঘ. টেবিল
উত্তরঃ মানুষ
ক. অনুকার
খ. সমন্বয়ী
গ. অনন্বয়ী
ঘ. পদান্বয়ী
উত্তরঃ অনন্বয়ী

প্রশ্নঃ "না" কোন জাতীয় শব্দ?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৮-০৮-২০১৫ ]

ক. সর্বনাম
খ. অব্যয়
গ. ক্রিয়া
ঘ. বিশেষণ
উত্তরঃ অব্যয়

প্রশ্নঃ "সন্ধ্যা" শব্দের বিশেষণটি নির্দেশ করুন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৮-০৮-২০১৫ ]

ক. সাঁঝ
খ. সন্ধ্যা
গ. সন্দা
ঘ. সান্ধ্য
উত্তরঃ সান্ধ্য
ক. কর্তায় শূন্য
খ. কর্মে শূন্য
গ. পাদানে শূন্য
ঘ. অধিকরণে মূন্য
উত্তরঃ কর্মে শূন্য
ক. কারক
খ. বিভক্তি
গ. যতি
ঘ. প্রকৃতি
উত্তরঃ প্রকৃতি
ক. অনুক্ত
খ. দ্বিকর্মক
গ. সমাপিকা
ঘ. অসমাপিকা
উত্তরঃ অসমাপিকা
ক. বিশেষণ
খ. ক্রিয়া বিশেষণ
গ. বিশেষ্য
ঘ. সর্বনাম
উত্তরঃ বিশেষ্য

প্রশ্নঃ উপসর্গ কোন জাতীয় শব্দাংশ?

[ ১৮তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. বিশেষ্য
খ. সর্বনাম
গ. অব্যয়
ঘ. বিশেষণ
উত্তরঃ অব্যয়
ক. অব্যয়
খ. সম্বোধন পদ
গ. সর্বনাম
ঘ. ক্রিয়া
উত্তরঃ অব্যয়

প্রশ্নঃ বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে-

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০৮-২০০৫ ]

ক. প্রাতিপদিক
খ. সাধিত পদ
গ. নামপদ
ঘ. ক্রিয়াপদ
উত্তরঃ প্রাতিপদিক
ক. অজ্ঞাত
খ. অবজ্ঞেও
গ. অজ্ঞান
ঘ. অবজ্ঞা
উত্তরঃ অজ্ঞাত

প্রশ্নঃ "অধ্যয়ন" শব্দের বিশেষণ কী?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২০২৬ ]

ক. অধ্যয়নকৃত
খ. অধীত
গ. অধ্যয়নরত
ঘ. পঠিত
উত্তরঃ অধীত
ক. বিশেষ্য
খ. বিশেষণ
গ. সর্বনাম
ঘ. অব্যয়
উত্তরঃ বিশেষ্য

প্রশ্নঃ বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?

[ ১৫তম বে. প্রভাষক নিবন্ধন ]

ক. প্রাতিপদিক
খ. সাধিত শব্দ
গ. নামপদ
ঘ. ক্রিয়াপদ
উত্তরঃ প্রাতিপদিক
ক. অব্যয় পদ
খ. সর্বনাম পদ
গ. ক্রিয়া পদ
ঘ. সম্বোধন পদ
উত্তরঃ অব্যয় পদ