আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 মোহাম্মদ সোলায়মান
 আব্দুল খালেক
 মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
 শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন ⎯ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।

 বৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা
 অর্থ ও পররাষ্ট্র
 স্বরাষ্ট্র ও পরিকল্পনা
 প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

ছয় দফা কর্মসূচির ২য় দফায় ⎯ প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় দুটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

 সাজেদা চৌধুরী
 নুরজাহান মোর্শেদ
 রাফিয়া আক্তার ডলি
 রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু

তিনি ১৯৭২ সালে গঠিত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। এই কমিটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূল কাঠামো তৈরি করে।

 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
 সৈয়দ নজরুল ইসলাম
 তাজউদ্দীন আহমেদ
 বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

তিনি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।

 চতুর্থ তফসিল
 পঞ্চম তফসিল
 ষষ্ঠ তফসিল
 সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২০১৭ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

 ২ মার্চ, ২০২২
 ৩ মার্চ, ২০২২
 ৪ মার্চ, ২০২২
 ৫ মার্চ, ২০২২
ব্যাখ্যাঃ

‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় ২ মার্চ ২০২২ তারিখে অনুমোদন করা হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

৭. বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?

[ বিসিএস ৪৪তম | ১৬তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 পুণ্ড্র
 তাম্রলিপ্ত
 গৌড়
 হরিকেল
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো কঃ পুণ্ড্র

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম পুণ্ড্র। এর অবস্থান ছিল মূলত উত্তরবঙ্গে।

 ২টি
 ৩টি
 ৪টি
 ৫টি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে চারটি তারকা রয়েছে।

জাতীয় প্রতীকের নকশাটিতে কেন্দ্রস্থলে একটি শাপলা ফুল, তার চারদিকে ধানের দুটি শীষ এবং নিচে পাট গাছের তিনটি পাতা ও দুটি তারকা শোভিত। এই তারকাগুলো বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা - এর প্রতীক।

 হাশেম খান
 এ.কে.এম আব্দুর রউফ
 আবুল বারক আলভী
 সমরজিৎ রায় চৌধুরী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল আব্দুর রউফ-এর ওপর। তিনি বাংলাদেশ সরকারের একজন কর্মচারী ছিলেন এবং অত্যন্ত সুন্দর হস্তাক্ষরের অধিকারী ছিলেন।

 ১১ নভেম্বর
 ১২ অক্টোবর
 ১৬ ডিসেম্বর
 ৩রা মার্চ
ব্যাখ্যাঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের ইতিহাস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিচে এর মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন:

  • ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
  • এই কমিটিতে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং বিশিষ্ট আইনজীবীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

খসড়া সংবিধান তৈরি:

  • কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে এবং জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য আহ্বান জানায়।
  • সংগৃহীত মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের একটি খসড়া তৈরি করা হয়।
  • ১৯৭২ সালের ১২ই অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়। এই খসড়াটি ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৭টি তফসিল সম্বলিত ছিল।

গণপরিষদে আলোচনা ও গ্রহণ:

  • খসড়া সংবিধানের ওপর গণপরিষদে দীর্ঘ আলোচনা চলে।
  • আলোচনা শেষে কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব আনা হয় এবং সেগুলো বিবেচিত হয়।
  • অবশেষে, ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।

কার্যকর:

  • ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) থেকে এই সংবিধান কার্যকর হয়।

সংবিধানের খসড়াটি মূলত বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং পরে এর ইংরেজি অনুবাদ করা হয়। তবে বাংলা ও ইংরেজির মধ্যে অর্থগত কোনো বিরোধ দেখা দিলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

আপনি যদি খসড়া সংবিধানের মূল পাঠ বা এর কোনো নির্দিষ্ট অংশের বিষয়ে জানতে চান, তবে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

 ৪র্থ তফসিল
 ৫ম তফসিল
 ৬ষ্ঠ তফসিল
 ৭ম তফসিল
ব্যাখ্যাঃ

সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে চতুর্থ তফসিল-এর অপব্যবহার করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে মূলত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে জারিকৃত কিছু আইন ও অধ্যাদেশকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গঠিত অস্থায়ী সরকারের কার্যক্রম এবং স্বাধীনতা অর্জনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।

তবে, পরবর্তীকালে সামরিক শাসকরা এই তফসিলের ভুল ব্যাখ্যা করে বা এর আওতা সম্প্রসারিত করে তাদের অবৈধ ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা যুক্তি দেখিয়েছেন যে তাদের জারি করা সামরিক ফরমান বা অধ্যাদেশও এই তফসিলের অধীনে সুরক্ষিত, কারণ তারা রাষ্ট্র পরিচালনার "প্রয়োজনীয়তা" থেকে এগুলো জারি করেছেন।

এই অপব্যবহারের মাধ্যমে সংবিধানের মূল চেতনা, গণতন্ত্র এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের নীতিকে লঙ্ঘন করা হয়েছে। চতুর্থ তফসিলের মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষা করা, কিন্তু সামরিক শাসকরা এটিকে তাদের অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধরনের অপব্যবহার রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে অপরিবর্তনীয় ঘোষণা করা হয়েছে।

 নিউজ উইরুল (উইকস)
 দি ইকনমিস্ট
 টাইম
 গার্ডিয়ান
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দিয়েছিলেন নিউজউইক (Newsweek) ম্যাগাজিন।

১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা হয়েছিল "Poet of Politics" বা 'রাজনীতির কবি'। এই লেখায় সাংবাদিক লরেন্স ফস্টার (Lawrence F. Lifschultz - যার অন্য পরিচিতি লরেন্স লিফসুল্জ) এই উপাধি ব্যবহার করেন, যেখানে তিনি বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং তাঁর নেতৃত্বকে কবিতার সাথে তুলনা করেন। এই উপাধিটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

 ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
 ২৬ মার্চ, ১৯৭১
 ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
 ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

তবে, এর একটি ইতিহাস আছে:

  • ১৯৭১ সালের ২ মার্চ: প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে। তখন পতাকার নকশায় লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। এটি নকশা করেছিলেন ছাত্রনেতা শিবনারায়ণ দাস
  • ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি: স্বাধীনতার পর, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে পটুয়া কামরুল হাসান পতাকার ডিজাইন থেকে মানচিত্রটি বাদ দিয়ে বর্তমান নকশাটি চূড়ান্ত করেন। এই দিনই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।

জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপে সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বৃত্তটি উদীয়মান সূর্য এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রক্তের প্রতীক।

 প্রথম ১০টি
 প্রথম ৪টি
 প্রথম ৬টি
 প্রথম ৫টি
ব্যাখ্যাঃ
  • জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা ও গ্রহণ: বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটি ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি গৃহীত হয়।
  • পরিবেশনের বিধান:
    • কণ্ঠে গাওয়ার ক্ষেত্রে: সাধারণত প্রথম ১০ চরণ গাওয়া হয়।
    • যন্ত্র সংগীতে বাজানোর ক্ষেত্রে: প্রথম ৪ চরণ পর্যন্ত বাজানো হয়।

এই তথ্যগুলো বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইতিহাস ও পরিবেশন প্রটোকল বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
 ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ খ্রি
 ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.
 ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৯৩টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

 ৮ : ৫
 ১০ : ৬
 ১১ : ৮
 ১১ : ৭
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০:৬

পতাকার মাপ এবং বৈশিষ্ট্য

  • পতাকার দৈর্ঘ্যকে ১০ একক এবং প্রস্থকে ৬ একক ধরে এর মাপ নির্ধারণ করা হয়। এই অনুপাতটি ৫:৩ হিসেবেও প্রকাশ করা যায়।
  • পতাকার মাঝখানে থাকা লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
  • লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে চার একক (৪.৫ একক) বামে এবং প্রস্থের মাঝখানে অবস্থিত। এর ফলে পতাকাটি যখন উড়ানো হয়, তখন লাল বৃত্তটি মাঝখানে আছে বলে মনে হয়।
 আম
 কাঁঠাল
 কলা
 পেঁপে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের আদি নিবাস ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালা। সারা বাংলাদেশে জন্মালেও নওগাঁ, দিনাজপুর, সাভার, মধুপুর ও সিলেট কাঁঠালের প্রধান এলাকা। আর আমগাছ হলো বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।

 লর্ড কার্জন
 লর্ড ওয়েলেসলি
 লর্ড ডালহৌসি
 লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তিনি ১৯০৩ থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯০৫ সালে, তিনি বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন, যা বাংলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশকে আলাদা করে দেয়। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ভাঙা এবং ব্রিটিশ শাসনের প্রতি মুসলিমদের সমর্থন লাভ করা। তবে, বঙ্গভঙ্গের ফলস্বরূপ ভারতে ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিরোধিতা সৃষ্টি হয়েছিল, বিশেষ করে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকারীদের মধ্যে।

 সৈয়দ নজরুল ইসলাম
 তাজউদ্দীন আহমদ
 শেখ মুজিবুর রহমান
 ক্যাপটেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে তার অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক করে সরকার গঠন করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী। ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী।

 ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
 ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
 ১ জানুয়ারি, ১৯৮০
 ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮০
ব্যাখ্যাঃ

ত্রিভুজাকৃতি ভূমির সামান্য কিছু ওপরে বন্দুক কাঁধে নারী ও পুরুষের সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের ও বিজয়ের প্রতীক ‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে অবস্থিত। দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহণের প্রতীকী চিহ্ন অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯। এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।

 ৪৬.৫ মি
 ৪৬ মি
 ৪৫.৫ মি
 ৪৫ মি
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকার সাভারের নবীনগরে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধকে বলা হয় ‘সম্মিলিত প্রয়াস’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করেন। এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ১০৯ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ সৌধে ৭টি ফলক রয়েছে। বাংলাপিডিয়া ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা-১২ এর তথ্য মতে, জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৭.২ মিটার। তবে প্রচলিত তথ্য মতে, এর উচ্চতা ৪৬.৫ মিটার।

 তানভীর কবীর
 হামিদুর রহমান
 হামিদুজ্জামান
 অস্কার বাদল
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহিদদের স্মরণে ১৯৫২ -এর ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হলেও এর স্থায়িত্ব ছিল কম। তারপর হামিদুর রহমানের নকশা ও পরিকল্পনায় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বারের মতো শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৫৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদ্ধোধন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পূর্বের নকশা অনুযায়ী শিল্পী হামিদুর রহমান স্থপতি এম এস জাফরের সঙ্গে মিলিতভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পুননির্মাণ করেন।

 জয়নুল আবেদিন
 কামরুল হাসান
 হামিদুর রহমান
 হাশেম খান
ব্যাখ্যাঃ

মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাশ। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিত্রবিহীন) ডিজাইন করেন বালাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮ খ্রি.)।

 মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান
 মেজর জেনারেল মঞ্জুর
 মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
 মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ
ব্যাখ্যাঃ

মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন।

২৫. আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?

[ বিসিএস ২২তম | প্রা. প্র. শি. নি. ১৩-০৯-২০০৯ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]

 ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
 ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
 ৭ মার্চ, ১৯৭১
 ২৫ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।

 ময়না
 কাক
 শালিক
 দোয়েল
ব্যাখ্যাঃ
বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি
পাখি দোয়েল
পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ফল কাঁঠাল
ফুল শাপলা
বৃক্ষ আম গাছ
সংগীত আমার সোনার বাংলা
 জয়নুল আবেদিন
 কামরুল হাসান
 হাসেম খান
 হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ, ১৯৭১।

 বাংলার প্রকৃতির কথা
 বাংলার মানুষের কথা
 বাংলার ইতিহাসের কথা
 বাংলার সংস্কৃতির কথা
ব্যাখ্যাঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতা ১৯০৫ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ২৫ চরণবিশিষ্ট এ কবিতাটির প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয় ১৯৭১ সালের এপ্রিলে যা জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২।

 হামিদুর রহমান
 তানভীর কবীর
 মইনুল হোসেন
 নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যাঃ

মইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি। হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের, তানভীর কবির মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের এবং নিতুন কুণ্ডু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাশ বাংলাদেশের স্থপতি।

 কামরুল হাসান
 জয়নুল আবেদিন
 হাশেম খান
 হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন।

৩১. বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

[ বিসিএস ১৩তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

 সাত
 আট
 ছয়
 পাঁচ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসীম বীরত্ব ও সাহসিকতা প্রদর্শণ এবং আত্মত্যাগের জন্য ৭ জন সূর্যসন্তানকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়।

৩২. শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?

[ বিসিএস ১৩তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ | প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০৮-২০১০ | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০৮-২০১০ ]

 ১৪ ডিসেম্বর
 ১৩ ডিসেম্বর
 ১২ ডিসেম্বর
 ১১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্বিচারে বহু বুদ্ধিজীবী হত্যা করে। তাই তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

 ২ মার্চ
 ২৩ মার্চ
 ১০ মার্চ
 ২৫ মার্চ
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সমাবেশে ডাকসুর ভিপি আ.স.ম. আব্দুর রব বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ মার্চ তার বাসভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং একই দিনে দেশব্যাপী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

 ৯ : ৫
 ৯ : ৫
 ১০ : ৬
 ৮ : ৬
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার রূপকার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। জাতীয় পতাকার প্রথম নকশা করেছিলেন শিব নারায়ণ দাস এবং ইউসুফ সালাউদ্দিনকে নিয়ে হাসানুল হক ইনু; প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হলের ৪০১ নং কক্ষে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত ১০ : ৬।

 ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
 ২৬ মার্চ, ১৯৭১
 ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
 ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যাঃ

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

 ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
 ১৬ ডিসেস্বর, ১৯৭২
 ৭ মার্চ, ১৯৭২
 ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

 মহাস্থানগড়ে
 শাহজাদপুরে
 নেত্রকোনায়
 রামপালে
ব্যাখ্যাঃ

বিখ্যাত ‘শাহ্ সুলতান বলখী মহীসওয়ার’ এর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মি. দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।

 ইংরেজরা
 ওলন্দজরা
 ফরাসিরা
 পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যাঃ

পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূলে ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৫৩৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আাশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠা হয়। উল্লেখ্য, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।

 লক্ষ্মণ সেন
 ইলিয়াস শাহ
 আকবর
 বিজয় সেন
ব্যাখ্যাঃ

কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়।

৪০. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়–

[ বিসিএস ১০তম | প্রা. প্র. শি. নি. ১২-১০-২০১২ ]

 ১৮৯৭ সালে
 ১৯০২ সালে
 ১৯২১ সালে
 ১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রিটিশরা পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং এজন্য ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কলকাতার হিন্দুদের ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়। পরবর্তীতে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাতি অর্জন করে।