আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ইদুঁরের মাধ্যমে
খ. মাইটের মাধ্যমে
গ. বাতাসের মাধ্যমে
ঘ. পাখির মাধ্যমে
উত্তরঃ মাইটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যাঃ

গমের মোজাইক ভাইরাস (Wheat Mosaic Virus) মূলত ছড়ায় শস্যে সংক্রামিত রস বা বাহক পোকা (বিশেষ করে ঘাস ফড়িং বা মাইট) এর মাধ্যমে।


ছড়ানোর প্রধান উপায়:

  • বাহক পোকা (vector): কিছু বিশেষ ধরনের মাইট (mite) বা ফড়িং ভাইরাসটি গাছ থেকে গাছে বহন করে।
  • সংক্রমিত বীজ বা গাছ: আক্রান্ত গাছ বা বীজের মাধ্যমে নতুন গাছে ছড়াতে পারে।
  • মাটি ও বাতাস: সংক্রমিত মাটি এবং বাতাসে ভাসমান বাহকের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। এর লক্ষণগুলো (যেমন পাতায় দাগ, গাছের বিকৃতি)
ক. রবার্ট কক্
খ. লুইস পাস্তুর
গ. এডওয়ার্ড জেনার
ঘ. এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
উত্তরঃ এন্টনি ভন লিউয়েনহুক
ব্যাখ্যাঃ

অণুজীব বিজ্ঞানের জনক হিসেবে সাধারণত অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক-কে (Antonie van Leeuwenhoek) ধরা হয়। ১৬৭৬ সালে তিনিই প্রথম উন্নত অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়াসহ বিভিন্ন একককোষী জীব পর্যবেক্ষণ করেন এবং এদের "ক্ষুদ্র প্রাণী" (animalcules) হিসেবে বর্ণনা করেন।

তবে, অণুজীব বিজ্ঞানকে একটি স্বতন্ত্র বিজ্ঞান শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে লুই পাস্তুর (Louis Pasteur) এবং রবার্ট কখ (Robert Koch)-এর অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লুই পাস্তুর জীবাণু তত্ত্ব (Germ Theory) প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিভিন্ন রোগের কারণ হিসেবে জীবাণুদের ভূমিকা প্রমাণ করেন। তিনি পাস্তুরাইজেশন প্রক্রিয়া এবং জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। অন্যদিকে, রবার্ট কখ অ্যানথ্রাক্স, যক্ষ্মা ও কলেরার জীবাণু শনাক্ত করেন এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু চিহ্নিত করার জন্য "কখের স্বীকার্য" (Koch's postulates) প্রণয়ন করেন।

সুতরাং, যদিও অ্যান্টোনি ভ্যান লিউয়েনহুক প্রথম অণুজীব পর্যবেক্ষণ করেন, লুই পাস্তুর এবং রবার্ট কখের কাজ অণুজীব বিজ্ঞানকে একটি আধুনিক বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অপরিহার্য ছিল। তাই অনেক ক্ষেত্রে লুই পাস্তুরকেও আধুনিক অণুজীব বিজ্ঞানের জনক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

সারাংশ: অণুজীব বিজ্ঞানের জনক হিসেবে সাধারণত অ্যান্টোনি ভ্যান লিউয়েনহুককে ধরা হয়, যিনি প্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে অণুজীব পর্যবেক্ষণ করেন। তবে লুই পাস্তুর এবং রবার্ট কখের অবদানও এই বিজ্ঞানকে আধুনিক রূপ দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক. পিল্লি
খ. ফ্লাজেলা
গ. শীথ
ঘ. ক্যাপসুলস
উত্তরঃ ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ ফ্লাজেলা।

ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার প্রধান অঙ্গ হলো ফ্লাজেলা (Flagella)। এটি দেখতে অনেকটা সুতার মতো এবং কোষের বাইরে অবস্থিত। ফ্লাজেলার ঘূর্ণনের মাধ্যমেই ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাচল করতে পারে। ব্যাকটেরিয়ার এক বা একাধিক ফ্লাজেলা থাকতে পারে এবং এদের বিন্যাস বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হয়।

অন্যান্য বিকল্পগুলো ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য দায়ী গঠন নয়:

  • পিল্লি (Pili) (ক): এগুলো ছোট, চুলের মতো গঠন যা ব্যাকটেরিয়ার কোষের উপরিভাগে থাকে। পিল্লি প্রধানত ব্যাকটেরিয়াকে অন্য কোষ বা বস্তুর সাথে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে এবং কিছু ক্ষেত্রে জেনেটিক উপাদান স্থানান্তরে ভূমিকা রাখে।
  • শীথ (Sheath) (গ): কিছু ব্যাকটেরিয়াতে ফ্লাজেলার চারপাশে একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ থাকে যাকে শীথ বলে। এটি সরাসরি গতিশীলতার সাথে যুক্ত নয়।
  • ক্যাপসুলস (Capsules) (ঘ): এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বাইরে অবস্থিত একটি পুরু, পিচ্ছিল স্তর। ক্যাপসুল ব্যাকটেরিয়াকে শুকিয়ে যাওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, তবে এটি গতিশীলতার জন্য দায়ী নয়।

সুতরাং, ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো ফ্লাজেলা।

ক. DNA
খ. DNA + RNA
গ. mRNA
ঘ. RNA
উত্তরঃ RNA
ব্যাখ্যাঃ

কোভিড-১৯ আরএনএ (RNA) ভাইরাসের একটি প্রকার, যা করোনাভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এটিকে বিশেষভাবে সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) ভাইরাস বলা হয়।

করোনাভাইরাস হলো এক বৃহৎ পরিবারভুক্ত ভাইরাস, যাদের মধ্যে কিছু সাধারণ সর্দি-কাশির মতো হালকা অসুস্থতা সৃষ্টি করে, আবার কিছু সার্স (SARS) বা মার্স (MERS)-এর মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী সার্স-কোভ-২ একটি নতুন ধরনের করোনাভাইরাস যা ২০১৯ সালে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।

ক. ডেঙ্গুজ্বর
খ. স্মলপক্স
গ. কোভিড-১৯
ঘ. পােলিও
উত্তরঃ স্মলপক্স
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল খঃ স্মলপক্স

স্মলপক্স (গুটিবসন্ত) ভ্যারিওলা ভাইরাস নামক একটি ডিএনএ (DNA) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়।

অন্যান্য রোগগুলো যে ধরনের ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট:

  • ডেঙ্গুজ্বর: ডেঙ্গু ভাইরাস নামক আরএনএ (RNA) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট।
  • কোভিড-১৯: সার্স-কোভ-২ নামক আরএনএ (RNA) ভাইরাস (করোনাভাইরাস পরিবারের) দ্বারা সৃষ্ট।
  • পোলিও: পোলিওভাইরাস নামক আরএনএ (RNA) ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট।
ক. প্লাস্টিড
খ. মাইটোকন্ড্রিয়া
গ. নিউক্লিওলাস
ঘ. ক্রোমাটিন বস্তু
উত্তরঃ ক্রোমাটিন বস্তু
ব্যাখ্যাঃ

ব্যাকটেরিয়ার কোষে ক্রোমাটিন বস্তু উপস্থিত থাকে।

ব্যাকটেরিয়া হলো প্রোক্যারিওটিক জীব, যার অর্থ হলো তাদের কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস বা ঝিল্লি-আবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিওলাস) থাকে না।

  • প্লাস্টিড: এটি উদ্ভিদ কোষে (এবং কিছু শৈবালে) সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে, ব্যাকটেরিয়ায় থাকে না।
  • মাইটোকন্ড্রিয়া: এটি ইউক্যারিওটিক কোষে শক্তি উৎপাদনের জন্য দায়ী, ব্যাকটেরিয়ায় থাকে না।
  • নিউক্লিওলাস: এটি ইউক্যারিওটিক কোষে নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থিত এবং রাইবোজোম উৎপাদনে সহায়তা করে, ব্যাকটেরিয়ায় সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকায় নিউক্লিওলাসও থাকে না।
  • ক্রোমাটিন বস্তু: ব্যাকটেরিয়ার কোষে একটি একক, বৃত্তাকার ডিএনএ অণু থাকে যা নিউক্লিওড অঞ্চলে অবস্থিত। এই ডিএনএ প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে ক্রোমাটিন বস্তুর মতো কাজ করে, যদিও এটি ইউক্যারিওটিক কোষের মতো সুসংগঠিত ক্রোমাটিন নয়। তাই, ডিএনএ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রোটিনকে এক অর্থে ক্রোমাটিন বস্তুর উপস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ইউক্যারিওটিক কোষে যেমন সুসংগঠিত নিউক্লিয়াসের মধ্যে ক্রোমাটিন থাকে, ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে নিউক্লিওড অঞ্চলে ডিএনএ বিন্যস্ত থাকে যা তাদের জিনগত উপাদান বহন করে।
ক. ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
খ. ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
গ. জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ঘ. জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
উত্তরঃ জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ব্যাখ্যাঃ

মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি:

১. জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট: নবজাতকের জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের টিকা (Hepatitis B vaccine) এর প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউনোগ্লোবুলিন (Hepatitis B Immune Globulin - HBIG) এর একটি শট দিতে হবে। এই দুটি একসাথে দিলে নবজাতকের শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

২. পরবর্তী টিকার ডোজ: হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনের পরবর্তী ডোজগুলো চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে দিতে হবে। সাধারণত, মোট ৩ বা ৪টি ডোজের একটি সিরিজ সম্পন্ন করতে হয় (যেমন: জন্মকালীন, ১ মাস, ৬ মাস বা জন্মকালীন, ১ মাস, ২ মাস, ৬ মাস)।

৩. পরীক্ষা-নিরীক্ষা: নবজাতকের সম্পূর্ণ টিকাদান প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে তার শরীরে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা এবং সে নিজে সংক্রমিত হয়েছে কিনা।

৪. বুকের দুধ পান: হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত মা নবজাতককে বুকের দুধ পান করাতে পারেন। বুকের দুধের মাধ্যমে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস শিশুর শরীরে ছড়ায় না, তবে জন্মকালীন সুরক্ষা নিশ্চিত করার পর এটি করা উচিত।

এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলে, হেপাটাইটিস-বি আক্রান্ত মা থেকে শিশুর শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি ৯০% এরও বেশি কমানো সম্ভব। এই রোগের দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা, যেমন লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধে এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক. Aedes aegypti মশা
খ. House flies
গ. Anopheles
ঘ. ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
উত্তরঃ Aedes aegypti মশা
ব্যাখ্যাঃ

ডেঙ্গু রোগ মূলত এডিস মশার (Aedes mosquito) মাধ্যমে ছড়ায়।

এর সংক্রমণের পদ্ধতিটি নিম্নরূপ:

১. ভাইরাস বহনকারী মশার কামড়: ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তিকে যখন এডিস মশা (বিশেষ করে স্ত্রী এডিস ইজিপ্টি - Aedes aegypti এবং কিছু ক্ষেত্রে Aedes albopictus) কামড়ায়, তখন ভাইরাস মশার শরীরে প্রবেশ করে এবং বংশবৃদ্ধি করে। ২. ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড: মশার শরীরে ভাইরাসটি প্রায় ৮-১২ দিন (ইনকিউবেশন পিরিয়ড) থাকে এবং মশার লালাগ্রন্থিতে পৌঁছায়। ৩. সুস্থ ব্যক্তিকে সংক্রমণ: এরপর এই ভাইরাস বহনকারী মশা যখন একজন সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন মশার লালার সাথে ভাইরাস সেই ব্যক্তির রক্তে প্রবেশ করে এবং তাকে সংক্রমিত করে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

  • মানুষ থেকে মানুষে সরাসরি ছড়ায় না: ডেঙ্গু রোগ কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। অর্থাৎ, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে, একই বিছানায় ঘুমালে বা তার ব্যবহৃত জিনিস ব্যবহার করলে অন্য কেউ সংক্রমিত হয় না।
  • একাধিকবার সংক্রমণ: ডেঙ্গু ভাইরাস চার ধরনের (DENV-1, DENV-2, DENV-3, DENV-4)। একজন ব্যক্তি জীবনে একাধিকবার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে। প্রথমবারের চেয়ে দ্বিতীয়বার বা তার পরের সংক্রমণগুলো সাধারণত বেশি গুরুতর হয়।
  • মশার কামড়: এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় বেশি সক্রিয় থাকে, বিশেষ করে ভোরবেলা এবং সন্ধ্যার পূর্বে। তবে বর্তমানে, এই মশার আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং এটি দিনে ও রাতে উভয় সময়েই কামড়াতে পারে।
  • বংশবিস্তার স্থান: এডিস মশা পরিষ্কার, জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। যেমন - ফুলের টব, টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র, এসি বা ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি ইত্যাদি। বর্ষাকালে এর প্রকোপ বাড়ে।

সুতরাং, ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর একমাত্র প্রধান উপায় হলো ডেঙ্গু ভাইরাসবাহী এডিস মশার কামড়।

ক. মদ্য শিল্পে (Wine industry)
খ. রুটি শিল্পে (Bakery)
গ. সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
ঘ. এক কোষীয় প্রোটিন (Single-cell-protein) তৈরিতে
উত্তরঃ সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
ব্যাখ্যাঃ

ইস্টের (Yeast) সংশ্লিষ্টতা নেই এমন শিল্প হলো সাইট্রিক এসিড উৎপাদন

ইস্টের ব্যবহার ও কার্যকারিতা

ইস্ট হলো এক ধরণের এককোষী ছত্রাক, যা গাঁজন (fermentation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • মদ্য শিল্পে (Wine industry): ইস্ট, বিশেষ করে Saccharomyces cerevisiae, আঙুরের রসে থাকা চিনিকে অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই-অক্সাইডে রূপান্তরিত করে মদ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • রুটি শিল্পে (Bakery): রুটি তৈরিতে ইস্ট চিনিকে গাঁজন করে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে, যা রুটিকে ফুলিয়ে তোলে এবং নরম করে।
  • এক কোষীয় প্রোটিন (Single-cell-protein) তৈরিতে: কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির ইস্ট প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এগুলি খাদ্য বা পশু খাদ্যের পরিপূরক হিসেবে তৈরি করা হয়।

সাইট্রিক এসিড উৎপাদন মূলত ছত্রাক যেমন Aspergillus niger-এর নির্দিষ্ট স্ট্রেইন ব্যবহার করে করা হয়, ইস্টের সরাসরি ব্যবহারের মাধ্যমে নয়। যদিও কিছু ইস্ট প্রজাতি সাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করতে পারে, তবে শিল্প উৎপাদন সাধারণত Aspergillus niger ব্যবহার করে বেশি কার্যকর।

ক. লাইসোজাইম (LYSOZYME)
খ. গ্যাসট্রিক জুস (GASTRIC JUICE)
গ. সিলিয়া (CILIA)
ঘ. লিম্ফোসাইট(LYMPHOCYTES)
উত্তরঃ লিম্ফোসাইট(LYMPHOCYTES)
ব্যাখ্যাঃ

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত নয় লিম্ফোসাইট (LYMPHOCYTES)

মানবদেহের প্রতিরক্ষা স্তরসমূহ:

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধের জন্য তিনটি প্রধান প্রতিরক্ষা স্তর রয়েছে:

১. প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তর (First Line of Defence): এটি হলো শরীরের প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ যা প্যাথোজেনকে (রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু) শরীরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। এটি অনির্দিষ্ট (non-specific) এবং সহজাত প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ। এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো:

  • ত্বক (Skin): জীবাণু প্রবেশে প্রধান ভৌত বাধা।
  • শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি (Mucous Membranes): শ্বাসযন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র এবং মূত্রনালীতে থাকে, যা জীবাণুকে আটকে রাখে।
  • লাইসোজাইম (Lysozyme): অশ্রু, লালা এবং অন্যান্য দেহ তরলে বিদ্যমান একটি এনজাইম যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ভেঙে দেয়।
  • গ্যাস্ট্রিক জুস (Gastric Juice): পাকস্থলীর শক্তিশালী অ্যাসিড (HCl) যা ingested জীবাণুকে মেরে ফেলে।
  • সিলিয়া (Cilia): শ্বাসতন্ত্রে থাকা ছোট ছোট লোমের মতো কাঠামো যা শ্লেষ্মার সাথে জীবাণুকে শরীরের বাইরে বের করে দেয়।
  • সাধারণ ফ্লোরা (Normal Flora): ত্বকে ও শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

২. দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর (Second Line of Defence): এটিও অনির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ এবং যখন প্রাথমিক স্তর ব্যর্থ হয় তখন এটি কাজ করে। এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো:

  • ফ্যাগোসাইটিক কোষ (যেমন ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল)।
  • প্রদাহ (Inflammation)।
  • জ্বর (Fever)।
  • প্রাকৃতিক ঘাতক কোষ (Natural Killer Cells)।

৩. তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর (Third Line of Defence): এটি হলো নির্দিষ্ট (specific) বা অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এটি নির্দিষ্ট প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং স্মৃতি কোষ তৈরি করে। এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো:

  • লিম্ফোসাইট (Lymphocytes): এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell) যা অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রধান উপাদান। বি-লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং টি-লিম্ফোসাইট কোষ-মধ্যস্থ প্রতিরোধে অংশ নেয়। লিম্ফোসাইটগুলো প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তরের অংশ নয়, বরং তারা জীবাণুর বিরুদ্ধে আরও সুনির্দিষ্ট এবং লক্ষ্যযুক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়।

সুতরাং, লিম্ফোসাইট দেহের তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত, প্রাথমিক স্তরের নয়।

ক. ডিএনএ বা আরএনএ থাকে
খ. শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
গ. স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত (CRYSTALIZATION)
ঘ. রাইবোজোম (Ribosome) থাকে
উত্তরঃ রাইবোজোম (Ribosome) থাকে
ব্যাখ্যাঃ

ভাইরাসের (VIRUS) জন্য যেটি সত্য নয়, সেটি হলো রাইবোজোম (Ribosome) থাকে

ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • ডিএনএ বা আরএনএ থাকে (কঃ): ভাইরাস জিনগত বস্তু হিসেবে হয় ডিএনএ (DNA) অথবা আরএনএ (RNA) বহন করে, কিন্তু একসাথে উভয়টি নয়। এটি সত্য।
  • শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে (খঃ): ভাইরাস হলো বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় পরজীবী (obligate intracellular parasites)। এর অর্থ হলো, তারা শুধুমাত্র পোষক কোষের (host cell) অভ্যন্তরেই সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে, কারণ তাদের নিজস্ব কোষীয় যন্ত্রপাতি (যেমন রাইবোজোম) নেই। এটিও সত্য।
  • স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত (CRYSTALLIZATION) (গঃ): ভাইরাসের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, তাদের কোষীয় গঠন না থাকায় এবং বিপাকীয় কার্যকলাপ না থাকায়, তারা জীবদেহের বাইরে রাসায়নিক পদার্থের মতো স্ফটিকাকার দানায় রূপান্তরিত হতে পারে। এটি সত্য।
  • রাইবোজোম (Ribosome) থাকে (ঘঃ): ভাইরাসের নিজস্ব রাইবোজোম থাকে না। প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য তারা পোষক কোষের রাইবোজোম এবং অন্যান্য কোষীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। এটি মিথ্যা।

সুতরাং, রাইবোজোম থাকা ভাইরাসের জন্য সত্য নয়।

ক. প্যাথজেনিক
খ. ইনফেকশন
গ. টক্সিন
ঘ. জীবাণু
উত্তরঃ প্যাথজেনিক
ব্যাখ্যাঃ

যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথোজেন (Pathogen) বলা হয়।

প্যাথোজেনগুলো বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন:

  • ভাইরাস
  • ব্যাকটেরিয়া
  • ছত্রাক
  • প্রোটোজোয়া (এককোষী পরজীবী)
  • কিছু কৃমি (হেলমিন্থ)
ক. জন্ডিস
খ. এইডস
গ. নিউমোনিয়া
ঘ. চোখ ওঠা
উত্তরঃ নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যাঃ
  • নিউমোনিয়া (Pneumonia): এটি ফুসফুসের একটি সংক্রমণ যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা অন্যান্য অণুজীবের কারণে হতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া খুবই সাধারণ। তাই, এটি কেবল ভাইরাসজনিত রোগ নয়।
  • জন্ডিস (Jaundice): এটি একটি রোগের লক্ষণ, রোগ নয়। এটি সাধারণত ভাইরাস (যেমন হেপাটাইটিস ভাইরাস), পিত্তথলির সমস্যা বা লিভারের অন্যান্য রোগের কারণে হতে পারে।
  • এইডস (AIDS): এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (HIV) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। এটি সম্পূর্ণরূপে ভাইরাসজনিত।
  • চোখ ওঠা (Conjunctivitis/Pink Eye): এটি প্রায়শই ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়, তবে ব্যাকটেরিয়া বা অ্যালার্জির কারণেও হতে পারে।

সুতরাং, নিউমোনিয়া এমন একটি রোগ যার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে ব্যাকটেরিয়াও উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে, যা এটিকে অন্যান্য বিকল্পগুলোর চেয়ে "ভাইরাসজনিত রোগ নয়" হিসেবে বেশি উপযুক্ত করে তোলে।

প্রশ্নঃ Dengue fever is spread by -

[ বিসিএস ৩৪তম ]

ক. Aedes aegypti mosquito
খ. Common House flies
গ. Anophilies mosquito
ঘ. Rats and squirrels
উত্তরঃ Aedes aegypti mosquito
ব্যাখ্যাঃ

ডেঙ্গু জ্বর ছড়ায় কঃ Aedes aegypti mosquito (এডিস ইজিপ্টি মশা)-এর মাধ্যমে।

ক. ইনসুলিন
খ. পেপসিন
গ. পেনিসিলিন
ঘ. ইথিলিন
উত্তরঃ পেনিসিলিন
ব্যাখ্যাঃ

অ্যান্টিবায়োটিক হলো এক ধরনের ওষুধ, যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। এরা ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে অথবা তাদের বৃদ্ধি ও বংশবিস্তারকে থামিয়ে দেয়।

অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • কার্যকারিতা: অ্যান্টিবায়োটিক শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর। এটি ভাইরাস, যেমন ঠান্ডা, ফ্লু বা কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে কাজ করে না।
  • আবিষ্কার: ১৯২৮ সালে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক, পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
  • প্রকারভেদ: অ্যান্টিবায়োটিক বিভিন্ন ধরনের হয়, যেমন পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন, টেট্রাসাইক্লিন ইত্যাদি। প্রতিটি প্রকারের অ্যান্টিবায়োটিক নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে।
  • অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ: অ্যান্টিবায়োটিকের ভুল বা অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ব্যাকটেরিয়া তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে সেই অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না। এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
  • ব্যবহারের নিয়ম: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত নয়। পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি, এমনকি যদি আপনি সুস্থ বোধ করেন তবুও।
ক. রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
খ. জীবাণু ধ্বংস করা
গ. ভাইরাস ধ্বংস করা
ঘ. দ্রুত রোগ নিরাময় করা
উত্তরঃ জীবাণু ধ্বংস করা
ব্যাখ্যাঃ

অ্যান্টিবায়োটিক হলো এক ধরনের ঔষধ, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।

কার্যপ্রণালী

অ্যান্টিবায়োটিক মূলত দুইভাবে কাজ করে:

  • কিছু অ্যান্টিবায়োটিক সরাসরি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে (bactericidal)।
  • কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি এবং বংশবৃদ্ধি বন্ধ করে দেয় (bacteriostatic)।

এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, অ্যান্টিবায়োটিক শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের চিকিৎসায় কার্যকর। ভাইরাসজনিত রোগ, যেমন সর্দি-কাশি বা ফ্লু-এর চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই।

ক. অপুষ্পক উদ্ভিদ
খ. পরজীবী উদ্ভিদ
গ. ফাঙ্গাস
ঘ. অর্কিড
উত্তরঃ ফাঙ্গাস
ব্যাখ্যাঃ

মাশরুম এক ধরনের ছত্রাক বা ফাঙ্গাস

এটি কোনো উদ্ভিদ নয়, কারণ উদ্ভিদের মতো এর ক্লোরোফিল থাকে না এবং এটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে না। এটি সাধারণত পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে।

ক. কিউলেক্স
খ. এডিস
গ. অ্যানোফিলিস
ঘ. সব ধরনের মশা
উত্তরঃ এডিস
ব্যাখ্যাঃ

অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া, কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া এবং এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে।

ক. ডারউইন
খ. লুইপাস্তুর
গ. প্রিস্টলী
ঘ. ল্যাভয়সিয়ে
উত্তরঃ লুইপাস্তুর
ব্যাখ্যাঃ

Girolamo Fracastoro, Agostino Bassi, Friedrich Henle প্রমুখ বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের অনেক পূর্বেই রোগ জীবাণু তত্ত্বের (Germ theory of disease) প্রস্তাব করেন। তবে ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরই (Louis Pasteur) সর্বপ্রথম পরীক্ষার সাহায্যে রোগজীবাণু তত্ত্ব প্রমাণ করেন।

ক. কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
খ. কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
গ. কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাঁধা
ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তরঃ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
ব্যাখ্যাঃ

গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রকার ‘প্যাপিলোমা ভাইরাস’ ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এ ভাইরাসের ই৬ ও ই৭ নামের দুটি জিন পোষক কোষের জিনের সাথে একীভূত হয়ে যায় এবং কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিন অণূসমূহের কাজ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে শুরু হয় অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন অর্থাৎ কোষ সংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। কোষ সংখ্যার এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলেই ক্যান্সার রোগের সৃষ্টি হয়।

ক. রবার্ট হুক
খ. টমাস এডিসন
গ. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ঘ. জেমস ওয়াট
উত্তরঃ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যাঃ

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিয়াম; এডিসন সিনেমাটোগ্রাফি, ফনোগ্রাফি, বৈদ্যুতিক বাতি; রবার্ট হুক উদ্ভিদ কোষ এবং জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।