আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
খ. চুনাপাথর
গ. মিথেন গ্যাস
ঘ. ইলমেনাইট
উত্তরঃ প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ

ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas)

প্রাকৃতিক গ্যাসের মিথেন (Methane, CH₄) অংশটি বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যামোনিয়াতে (Ammonia, NH₃) রূপান্তরিত করা হয়। এরপর অ্যামোনিয়ার সাথে কার্বন ডাই অক্সাইড (Carbon Dioxide, CO₂) মিশিয়ে ইউরিয়া (Urea, CO(NH₂)₂) তৈরি করা হয়।

বাংলাদেশে যেহেতু প্রাকৃতিক গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, তাই এটি ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ক. হাইড্রোজেন
খ. নাইট্রোজেন
গ. মিথেন
ঘ. ইথেন
উত্তরঃ মিথেন
ব্যাখ্যাঃ

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হল মিথেন (CH₄)

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৭০% থেকে ৯০% পর্যন্ত মিথেন থাকে। এর সাথে সামান্য পরিমাণে অন্যান্য হাইড্রোকার্বন যেমন ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন এবং কিছু নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড ও নাইট্রোজেনও মিশ্রিত থাকে। তবে, মূল উপাদান হল মিথেন।

ক. ৪০ – ৫০ ভাগ
খ. ৬০ – ৭০ ভাগ
গ. ৮০ – ৯০ ভাগ
ঘ. ৩০ – ২৫ ভাগ
উত্তরঃ ৮০ – ৯০ ভাগ
ব্যাখ্যাঃ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন ($\text{CH}_4$)

বিশ্বব্যাপী প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ সাধারণত ৮০% থেকে ৯৫% বা তারও বেশি থাকে।

বিশেষ করে, বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ সাধারণত ৯৩.৬৮% থেকে ৯৯% পর্যন্ত হতে পারে, যা এটিকে অত্যন্ত বিশুদ্ধ এবং কার্যকর জ্বালানি হিসেবে গণ্য করে। মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে অল্প পরিমাণে ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, পেন্টেন এবং কিছু পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন সালফাইড থাকে।
ক. পেট্রোল ইঞ্জিনে
খ. ডিজেল ইঞ্জিনে
গ. রকেট ইঞ্জিনে
ঘ. বিমান ইঞ্জিনে
উত্তরঃ পেট্রোল ইঞ্জিনে
ব্যাখ্যাঃ

মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর। বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না। শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে এটি থাকে।

প্রশ্নঃ CNG-এর অর্থ –

[ বিসিএস ২৫তম ]

ক. কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ-বান্ধব তেল
খ. নতুন ধরনের ট্রাক্সি ক্যাব
গ. সীসামুক্ত পেট্রোল
ঘ. কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তরঃ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ

CNG- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas। উচ্চ চাপে প্রাকৃতিক গ্যাসকে তরলে রূপান্তরিত করে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের জ্বালানি থেকে অব্যবহৃত কার্বন কম নির্গত হয় বলে এটি পরিবেশবান্ধব।

ক. পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায়
খ. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না
গ. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা
ঘ. খ ও গ উভয়ই ঠিক
উত্তরঃ খ ও গ উভয়ই ঠিক
ব্যাখ্যাঃ

পেট্রোল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হাইড্রোকার্বন যা পানির তুলনায় অনেক হালকা। পেট্রোলের আগুনে পানি ঢেলে দিলে পেট্রোলের আগুনের উত্তাপ অনেক বেশি হওয়ায় পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। তাই পানি দ্বারা পেট্রোলের আগুন নেভানো যায় না। তাছাড়া পানি পেট্রোল অপেক্ষা ভারী হওয়ায় বিশ্লিষ্ট হওয়ার পর যে পানি অবশিষ্ট থাকে তা পেট্রোলের নিচে চলে যায়। ফলে পেট্রোলের আগুন জ্বলতে থাকে।

ক. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি
খ. ৮০% ইথাইল অ্যালকোহল + ২০% পানি
গ. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
ঘ. ৯৮% ইথাইল অ্যালকোহল + ২% পানি
উত্তরঃ ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
ব্যাখ্যাঃ

রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির সমস্ফুটন মিশ্রণ। এর স্ফুটনাংক ৭৮.১০ সে.। রেকটিফাইড স্পিরিট ডাক্তারি কাজে ও দ্রাবকরূপে ব্যবহৃত হয়। এ স্পিরিট থেকে বিশুদ্ধ অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।

ক. ইথেন
খ. এমোনিয়া
গ. মিথেন
ঘ. বিউটেন
উত্তরঃ মিথেন
ব্যাখ্যাঃ

স্তন্যপায়ী প্রাণীর মূত্রে ‘ইউরিয়া’ নামক জৈব পদার্থ থাকে। ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ‘ফারমেন্টেশন’ প্রক্রিয়ায় মিথেন উৎপন্ন হয়। ঈস্ট, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি এনজাইমের প্রভাবে জৈব পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের নাম ‘ফারমেন্টেশন’ বা ‘গাঁজন’।

ক. অপরিশোধিত তেল
খ. ক্লিংকার
গ. অ্যামোনিয়া
ঘ. মিথেন গ্যাস
উত্তরঃ মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যাঃ ইউরিয়া সারের কাঁচামাল মিথেন গ্যাস। মিথেন গ্যাস থেকে \(H_2\) ও \(CO_2\) তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে \(CO_2\) ও \(NH_3\) থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়।
ক. নাইট্রোজেন গ্যাস
খ. মিথেন
গ. হাইড্রোজেন গ্যাস
ঘ. কার্বন মনোক্সাইড
উত্তরঃ মিথেন
ব্যাখ্যাঃ

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান হলো: মিথেন ৮০% –৯০%, ইথেন ১৩%, প্রোপেন ৩%। এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেন কিছু পরিমাণ থাকে।

ক. পেট্রোলিয়াম
খ. কয়লা
গ. প্রাকৃতিক গ্যাস
ঘ. বায়োগ্যাস
উত্তরঃ বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যাঃ

কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছ-গাছড়া, জীবজন্তু প্রভৃতি ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে চাপা পড়ে যায়। ভূ-অভ্যন্তরের প্রচণ্ড চাপ ও তাপে এসব পদার্থের জৈব বিধ্বংসী পাতন ঘটে এবং পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস আকারে ভূ-অভ্যন্তরে অবস্থান করে। এগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানী বলে। বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় কারণ এটি গাজন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়।