আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. একটি মহাকাশযান
খ. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
গ. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
ঘ. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
উত্তরঃ পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো খঃ পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ।

‘কেপলার-৪৫২বি’ (Kepler-452b) হলো একটি এক্সোপ্ল্যানেট বা বহির্গ্রহ, যা আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থিত। এটি ২০১৬ সালে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ আবিষ্কার করে। বিজ্ঞানীরা এটিকে পৃথিবীর মতো বলে মনে করেন, কারণ এটি তার নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে (Habitable Zone) অবস্থিত, যেখানে গ্রহের পৃষ্ঠে তরল পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি যে নক্ষত্রের চারপাশে ঘোরে, সেটিও আমাদের সূর্যের মতোই একটি জি-টাইপ তারকা।

অন্যান্য বিকল্পগুলো সঠিক নয়:

  • একটি মহাকাশযান (ক): কেপলার-৪৫২বি কোনো মহাকাশযান নয়, এটি একটি গ্রহ।
  • সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র (গ): এটি একটি গ্রহ, নক্ষত্র নয়।
  • NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ (ঘ): কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ ছিল গ্রহ অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত নাসার একটি টেলিস্কোপ, কিন্তু কেপলার-৪৫২বি সেই টেলিস্কোপ দ্বারা আবিষ্কৃত একটি গ্রহ।
ক. ১৯৯০
খ. ১৯৯৫
গ. ১৯৯৭
ঘ. ২০০০
উত্তরঃ ১৯৯৭
ব্যাখ্যাঃ

মার্স পাথফাইন্ডার (Mars Pathfinder) ছিল একটি আমেরিকান রোবোটিক মহাকাশযান যা ১৯৯৭ সালে মঙ্গলে একটি বেস স্টেশন এবং একটি ছোট রোবট রোভার অবতরণ করিয়েছিল। এটি ছিল ২৬ বছর পর মঙ্গলের মাটিতে সফলভাবে অবতরণ করা প্রথম মহাকাশযান।

অবতরণের তারিখ ও স্থান:

  • অবতরণের তারিখ: ৪ জুলাই, ১৯৯৭
  • অবতরণের স্থান: মঙ্গলের উত্তর গোলার্ধের একটি প্রাচীন বন্যাবিধৌত এলাকা, যার নাম আরেস ভ্যালিস (Ares Vallis)। এই স্থানটির অক্ষাংশ ছিল ১৯.১৩° উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৩৩.২২° পশ্চিম।

পাথফাইন্ডার মিশনের মূল বিষয়:

  • এই মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কম খরচে মঙ্গলের পৃষ্ঠে বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম এবং একটি রোভার অবতরণ ও পরিচালনা করার প্রযুক্তি প্রদর্শন করা।
  • পাথফাইন্ডার ল্যান্ডারটির নামকরণ করা হয়েছিল কার্ল সাগান মেমোরিয়াল স্টেশন (Carl Sagan Memorial Station) বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ কার্ল সাগানের স্মরণে।
  • এর সাথে পাঠানো ছোট, ছয় চাকার রোবটটির নাম ছিল সোজার্নার (Sojourner), যা পৃথিবী-চাঁদ ব্যবস্থা বাদে অন্য কোনো জ্যোতির্বিদ্যাগত বস্তুর উপর চালিত প্রথম চাকার যান।
  • পাথফাইন্ডার অবতরণের জন্য একটি নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল, যেখানে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর প্যারাশুট এবং তারপর বিশাল এয়ারব্যাগের সাহায্যে ধাক্কা শোষণ করে নিরাপদে অবতরণ করে।
  • ল্যান্ডারে একটি স্টেরিওস্কোপিক ক্যামেরা (ইমেজ ফর মার্স পাথফাইন্ডার - IMP) এবং আবহাওয়ার তথ্য সংগ্রহের জন্য অ্যাটমোস্ফিয়ারিক স্ট্রাকচার ইনস্ট্রুমেন্ট/মেটেরোলজি প্যাকেজ (ASI/MET) ছিল।
  • সোজার্নার রোভারটি ল্যান্ডারের চারপাশের এলাকা ঘুরে দেখে, ছবি তোলে এবং একটি আলফা প্রোটন এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার (APXS) ব্যবহার করে শিলা ও মাটির রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে।

পাথফাইন্ডার মিশনটি অত্যন্ত সফল ছিল এবং এটি ভবিষ্যতের মঙ্গল রোভার মিশনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠের গঠন, আবহাওয়া এবং ভূতত্ত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রেরণ করেছিল। ১৯৯৭ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর এই মিশনের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে এর স্বল্প সময়ের কার্যক্রম বিজ্ঞানীদের জন্য অনেক মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে গেছে।

ক. ভেগা
খ. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
গ. আলফা সেন্টউরি A
ঘ. আলফা সেন্টাউরি B
উত্তরঃ প্রক্সিমা সেন্টাউরি
ব্যাখ্যাঃ

সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম হলো প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri)।

এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং আলফা সেন্টরাই নক্ষত্রপুঞ্জের একটি অংশ।

প্রশ্নঃ কোন গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে অধিক?

[ বিসিএস ৩৫তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ৩০-১০-২০১৫ ]

ক. শুক্র
খ. পৃথিবী
গ. মঙ্গল
ঘ. বুধ
উত্তরঃ শুক্র
ব্যাখ্যাঃ সঠিক উত্তরটি হলো: কঃ শুক্র (Venus)

যদিও বুধ গ্রহ সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত, তবুও শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি। এর প্রধান কারণ হলো শুক্র গ্রহের অত্যন্ত ঘন বায়ুমণ্ডল, যা মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড দ্বারা গঠিত। এই ঘন বায়ুমণ্ডল একটি তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে, সূর্যের তাপকে আটকে রাখে এবং গ্রহের পৃষ্ঠকে প্রচণ্ড উত্তপ্ত করে তোলে।

  • শুক্র গ্রহের গড় তাপমাত্রা: প্রায় $462^\circ$ সেলসিয়াস।
  • বুধ গ্রহের গড় তাপমাত্রা: যদিও সূর্যের দিকে $430^\circ$ সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে, কিন্তু যে পাশ সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে, সেখানে তাপমাত্রা $-180^\circ$ সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। অর্থাৎ, এর তাপমাত্রা চরমভাবে ওঠানামা করে। গড় তাপমাত্রা শুক্রের চেয়ে কম।

অতএব, গড় তাপমাত্রার দিক থেকে শুক্র গ্রহ সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ।

প্রশ্নঃ Lunar eclipse occurs on-

[ বিসিএস ৩৪তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৬-১০-২০১৫ ]

ক. A new moon day
খ. A full moon day
গ. A half moon day
ঘ. A moonless day
উত্তরঃ A full moon day
ব্যাখ্যাঃ

চন্দ গ্রহণ ঘটে খঃ A full moon day (পূর্ণিমা তিথিতে)।

চন্দ্রগ্রহণ তখনই ঘটে যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় আসে এবং পৃথিবী চাঁদ ও সূর্যের মাঝে অবস্থান করে, ফলে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এটি কেবল পূর্ণিমা তিথিতেই ঘটতে পারে।

ক. ১৯৫৬ সালে
খ. ১৯৬১ সালে
গ. ১৯৬৪ সালে
ঘ. ১৯৬৯ সালে
উত্তরঃ ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যাঃ

ইউরি গ্যাগারিন ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথম ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশে যান। তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের একজন নভোচারী ছিলেন। তাঁর মহাকাশযানের নাম ছিল ভস্টক ১

এই মিশনে তিনি পৃথিবীর কক্ষপথে একবার ঘুরে আসেন এবং এটি ছিল মানবজাতির মহাকাশযাত্রার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। তাঁর এই ভ্রমণটি মোট ১০৮ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল।

এই ভিডিওটিতে ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশযাত্রা এবং ভস্টক ১ মিশন সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।

ক. ৭০ বছর
খ. ৬৫ বছর
গ. ৭৬ বছর
ঘ. ৮০ বছর
উত্তরঃ ৭৬ বছর
ব্যাখ্যাঃ

ব্রিটিশ জ্যোতির্বিদ অ্যাডমন্ড হ্যালি ১৬৮২ সালে হ্যালির ধূমকেতু আবিষ্কার করেন। হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পর পর দেখা যায়। ১৭৫৯, ১৮৩৫, ১৯১০ ও ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে। পরবর্তীতে আবার ২০৬২ সালে দেখা যাবে।

ক. সৌর বছর
খ. কসমিক ইয়ার
গ. আলোক বর্ষ
ঘ. পলিসার
উত্তরঃ কসমিক ইয়ার
ব্যাখ্যাঃ

ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে গ্যালাকটিক বছর (Galactic Year) বা কসমিক বছর (Cosmic Year) বলে। আমাদের মিল্কি ওয়ে (Milky Way) ছায়াপথ তার কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসতে প্রায় ২২৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন বছর সময় নেয়।

ক. it has no engine
খ. space has too much dust
গ. it has no engine
ঘ. space has too much dust
উত্তরঃ space has too much dust
ব্যাখ্যাঃ

রকেট চলে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র দ্বারা। সূত্রটি হলো ‘প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’। সূত্র অনুযায়ী রকেটের জ্বালানি হিসেবে তরল গ্যাসোলিন ও তরল অক্সিজেন দহন কক্ষে পাম্পের সাহায্যে প্রবেশ করিয়ে জ্বালানো হয়। মিশ্রণটি জ্বললেই অতি উচ্চচাপে গ্যাস উৎপন্ন হয়ে রকেটের নিচের দিকে মুখ দিয়ে বের হতে থাকে। তখন প্রতিক্রিয়া বলের দরুন রকেটটি ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রানুযায়ী গ্যাস নিষ্ক্রমণের অভিমুখের বিপরীত দিকে একটি সমান ভরবেগ লাভ করে। ফলে রকেটের ওপর ঊর্ধ্বমুখী বল প্রযুক্ত হয় এবং রকেট দ্রুততার সাথে ওপরে উঠতে থাকে। এ কারণে রকেটের পাখা প্রয়োজন হয় না।

ক. চন্দ্রগ্রহণ
খ. সূর্যগ্রহণ
গ. অমাবস্যা
ঘ. পূর্ণিমা
উত্তরঃ সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যাঃ

পূর্ণিমার তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় আসে তখন পৃথিবীর ছায়ার জন্য চাঁদে সূর্যের আলো পৌঁছায় না ফলে চাঁদকে তখন কিছু সময়ের জন্য দেখা যায় না। তখন পৃথিবী পৃষ্ঠের কোন দর্শকের কাছে চাঁদ অংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। একে চন্দ্রগ্রহণ বলে। অন্যদিকে চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে।

ক. হেস
খ. গোল্ডস্টাইন
গ. রাদারফোর্ড
ঘ. আইনস্টাইন
উত্তরঃ হেস
ব্যাখ্যাঃ

আইনস্টাইন আপেক্ষিক তথ্য ও রাদারফোর্ড আণবিক নিউক্লিয়াসের মতবাদ আবিষ্কার করেন। ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস্‌ মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

ক. ৮.৩২ মিনিট
খ. ৯.১২ মিনিট
গ. ৭.৯৬ মিনিট
ঘ. ১০.৫৬ মিনিট
উত্তরঃ ৮.৩২ মিনিট
ব্যাখ্যাঃ

• সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল। • আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল। • সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৫০০ সেকেন্ড বা ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

ক. হেলির ধূমকেতু
খ. হেলবপ ধূমকেতু
গ. শুমেকার-লেভী ধূমকেতু
ঘ. কোনটিই নয়
উত্তরঃ হেলবপ ধূমকেতু
ব্যাখ্যাঃ
ধূমকেতু তথ্য
হেলবপ আবিষ্কারক: মার্কিন জ্যোতির্বিদ এলান হেল ও টমাস বপ (১৯৯৫)। ১৯৯৫ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ হতে এ ধূমকেতুটি দেখা গিয়েছিল।
ক. মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
খ. বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
গ. শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
ঘ. পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
উত্তরঃ পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
ব্যাখ্যাঃ

গ্যালিলিও হলো একটি ইউরোপীয় গ্লোবাল স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম (GNSS)। এটি মূলত একটি অত্যাধুনিক এবং স্বাধীন নেভিগেশন সিস্টেম, যা জিপিএস (GPS) এবং গ্লোনাস (GLONASS) এর মতো অন্যান্য সিস্টেমের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

ক. ছায়াবৃত্ত
খ. গুরুবৃত্ত
গ. ঊষা
ঘ. গোধূলি
উত্তরঃ ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ

কোনো নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবীর একদিকে রাত এবং অপর দিকে দিন হয়। অর্থাৎ পৃথিবীর একদিক আলোকিত থাকে এবং অপর দিক অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। পৃথিবীর এ আলোকিত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সীমারেখাকে ছায়াবৃত্ত বলে। প্রভাতের কিছুক্ষণ পূর্বে যে ক্ষীণ আলো দেখতে পাওয়া যায় তাকে ঊষা বলে এবং সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে বলা হয় গোধূলি।

ক. ধ্রুবতারা
খ. প্রক্সিমা সেন্টারাই
গ. লুব্ধক
ঘ. পুলহ
উত্তরঃ লুব্ধক
ব্যাখ্যাঃ

আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হচ্ছে ‘লুব্ধক’। ‘ধ্রুবতারা’ হচ্ছে উত্তর গোলার্ধের আকাশের আপাত স্থির উজ্জ্বল নক্ষত্র। ‘প্রক্সিমা সেন্টারাই’ পৃথিবীর (সূর্য ছাড়া) নিকটতম নক্ষত্র এবং পুলহ হচ্ছে সপ্তর্ষিমণ্ডলের একটি নক্ষত্র।

ক. অমাবস্যায়
খ. একাদশীতে
গ. অষ্টমীতে
ঘ. পঞ্চমীতে
উত্তরঃ অমাবস্যায়
ব্যাখ্যাঃ

অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার-ভাটার তেজকটাল হয়। এই সময় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। ফলে সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর জলরাশির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু জোয়ার ও নিচু ভাটার সৃষ্টি হয়। অমাবস্যার সময় সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই পাশে থাকে, তাই তাদের মিলিত আকর্ষণ সবচেয়ে শক্তিশালী হয়। অন্যদিকে, পূর্ণিমার সময় সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর বিপরীত পাশে থাকে, কিন্তু তাদের আকর্ষণও একই সরলরেখায় কাজ করে। তাই উভয় তিথিতেই জোয়ার-ভাটার তেজকটাল দেখা যায়।

ক. Endeavour
খ. Challanger
গ. Pathfinder
ঘ. Apollo
উত্তরঃ Endeavour
ব্যাখ্যাঃ

হাবল টেলিস্কোপের ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে এন্ডেভার নভোযানে নভোচারীদের প্রেরণ করা হয়েছিল।

ক. ১৫ জুলাই, ১৯৯৪
খ. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
গ. ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
ঘ. ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তরঃ ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যাঃ

ধুমকেতু শুমেকার লেভী-৯ (Shoemaker-Levy 9) এর ভাঙা টুকরোগুলো ১৯৯৪ সালের ১৬ থেকে ২২ জুলাই এর মধ্যে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে। এই ঘটনাটি প্রথমবারের মতো ছিল যখন মহাকাশ গবেষকরা আমাদের সৌরজগতের কোনো গ্রহে ধুমকেতুর সরাসরি প্রভাব প্রত্যক্ষ করেন।

ক. সয়ুজ
খ. এপোলো
গ. ভয়েজার
ঘ. ভাইকিং
উত্তরঃ ভাইকিং
ব্যাখ্যাঃ

১৯৮৬ সালের ১৩ মার্চ ‘সয়ুজ’ উৎক্ষেপণ করা হয়। এপোলো ১১-এর মাধ্যমে নীল আর্মস্ট্রং চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম পা রাখেন। ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র মহাশূন্যের অন্যান্য গ্রহের দিকে ভয়েজার-১ ও ভয়েজার -২ নভোযানদ্বয় প্রেরণ করেন। ১৯৭৬ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র প্রেরিত নভোযান ভাইকিং-১ প্রথমবারের মতো মঙ্গলে অবতরণ করে।

প্রশ্নঃ প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়-

[ বিসিএস ১২তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]

ক. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
খ. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
গ. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
ঘ. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
উত্তরঃ সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
ব্যাখ্যাঃ

পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরল রেখায় এলে পৃথিবীর উপর প্রবল আকর্ষণ অনুভূত হওয়ার ফলে যে প্রবল জোয়ার হয় তাকে তেজ কটাল বলে। ফলে এ দুই সময়ে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে উঠে।