প্রশ্নঃ তড়িৎক্ষেত্র ও চৌম্বকক্ষেত্রকে একীভূত করে তাড়িতচৌম্বক তত্ত্বের বিকাশ ঘটান কে?
[ [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা; ]
১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করেন, যেটি বল এবং গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলোকবিজ্ঞান এবং অন্য আরও কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন।
অষ্টাদশ শতাব্দীর আগে তাপকে ভরহীন এক ধরনের তরল হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ১৭৯৮ সালে কাউন্ট রামফোর্ড দেখান, তাপ এক ধরনের শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
আলবার্ট আইনস্টাইন : ১৯০৫ সালে আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে আপেক্ষিক তত্ত্বের ব্যাখ্যা পাওয়া যায় । থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E = mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানো হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
১৮৯৯ সালে পিয়ারে কুরি ও মেরি কুরি রেডিয়াম দৈর্ঘ্য আবিষ্কার করেন ।
প্রশ্নঃ কে দেখিয়েছিলেন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবগুলো গ্যালাক্সি একে অন্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছে?
[ Chit-20 ]
1924 সালে হাবল দেখান বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবগুলো
গ্যালাক্সি একে অন্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যেটি প্রদর্শন করে যে বিশ্বব্রহ্মান্ড ধীরে ধীরে প্রসারিত হচ্ছে। যার অর্থ অতীতে একসময় পুরো বিশ্বব্রহ্মান্ড এক জায়গায় ছিল। বিজ্ঞানীরা দেখান প্রায় চৌদ্দ বিলিয়ন বছর আগে 'বিগ ব্যাং' নামে একটি প্রচন্ড বিস্ফোরণে বিশ্বব্রহ্মান্ড তৈরি হওয়ার পর সেটি প্রসারিত হতে থাকে।
1938 সালে অটোহান এবং স্ট্রেসম্যান একটি নিউক্লিয়াসকে ভেঙে দেখান যে নিউক্লিয়াসের ভর যেটুকু কমে গিয়েছে সেটা শক্তি হিসেবে বের হয়েছে। এই সূত্রটি ব্যবহার করে নিউক্লিয়ার বোমা তৈরি করে সেটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে ফেলে মুহূর্তের মাঝে লক্ষ লক্ষ মানুষ মেরে ফেলা সম্ভব হয়েছিল। শুধু যে মারণাস্ত্র তৈরি করা সম্ভব তা নয়, এই শক্তি মানুষের কাজেও লাগানো সম্ভব।
প্রশ্নঃ কোন রশ্মি বিকিরণ ব্যাখ্যা করার সময় দুর্বল নিউক্লিয় বল আবিষ্কৃত হয়?
[ ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা ]
বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের অন্তর্গত রুপপুর নামক স্থানে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হবে।
ভর, তড়িৎ প্রবাহ, পদার্থের পরিমাণ মৌলিক রাশি। তাপ এক প্রকার শক্তি যা যৌগিক রাশি।
যে সকল রাশি অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল নয় বরং অন্য রাশি এই রাশির উপর নির্ভরশীল সেগুলো মৌলিক রাশি । যেমন— দর্ঘ্য, ভর, সময়, তড়িৎ প্রবাহ, তাপমাত্রা, পদার্থের পরিমাণ ও দীপন চীব্রতা। অপরদিকে তাপ, শক্তি, তড়িৎ পরিবাহিত যৌগিক রাশি।
ওজন ভর × ত্বরণ = ভর x বেগ সময় : ভর x সরণ সময় অর্থাৎ, ওজন তিনটি মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত। তাই এটি অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল।
বেগ
» তথ্য-ব্যাখ্যা : বল ভর × ত্বরণ = ভর x = সময়
সরণ ভর × সরণ সময় × সময় সময় = ভর x
অর্থাৎ বল তিনটি মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত লব্ধ রাশি।
ক্ষমতা =কাজ/সময়=বল/(ক্ষেত্রফল*সময়)
ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ওয়েটস এন্ড মেজারসে রক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে 1 kg বলে। এ সিলিন্ডারের ব্যাস ও উচ্চতা একই
অর্থাৎ 3.9 cm
শূন্য মাধ্যমে এক সেকেন্ডের 299,792,458 ভাগের এক ভাগ সময়ে আলো, যে দূরত্ব অতিক্রম করে সেটি হচ্ছে এক মিটার।
প্রফেসর আব্দুস সালাম, শ্যালডন গ্ল্যাশো এবং স্টিফেন ওয়াইনবার্গ একত্রে মিলে দেখান যে, বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল মূলত: একই। এ দুটির একীভূতকরণের মাধ্যমে ইলেকট্রো উইক ফোর্স নামকরণ হয় । এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ঐ বিজ্ঞানীরা যুগ্মভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৭৯ সালে।
একটি লব্ধ রাশি কেবল একটি মৌলিক রাশির ওপর নির্ভর করতে পারে। যেমন: কম্পাঙ্ক একটি লব্ধ রাশি,