নিচের উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও:
প্রশ্নঃ ভর পরিমাপের আদর্শ "কিলোগ্রাম" নির্ধারণে যে সিলিন্ডার ব্যবহৃত হয়েছে উহার ব্যাসার্ধ কত সে.মি.?
[ সকল বোর্ড-18 ]
Medical pএhysics এর আওতাধীন বিষয়সমূহ হলো, এক্সরে,সিটিস্কেন,এমআরআই,এন্ডোসকোপি,আলট্রাসনোগ্রাফি,রেডিওথেরাপি প্রভৃতি।Medical physics কে অনেক সময় Biomedical Engineering ও বলা হয়।
পদার্থবিজ্ঞানীরা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের দৃশ্যমান গ্রহ নক্ষত্র ও গ্যালাক্সির 4% (চার শতাংশ) ব্যাখ্যা করতে পারেন। বাকি অংশ ব্যাখ্যা করতে হলে রহস্যময় ডার্কম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির ধারণা মেনে নিতে হয়। যার গঠন নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে যাচ্ছেন।
গ্রিক বিজ্ঞানী থেলিসের নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে, কারণ তিনিই প্রথম কার্যকারণ এবং যুক্তি ছাড়া শুধু ধর্ম, অতীন্দ্রিয় এবং পৌরাণিক কাহিনিভিত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিলেন। থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন ।
আলোকবিজ্ঞান এবং অন্যান্য কাজের সাথে সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন ও লিবনিজ।
প্রশ্নঃ বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন—
[ Chit-22 ]
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যার তত্ত্বের সঠিক ব্যাখ্যা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু। পদার্থবিজ্ঞানের জগতে যে অবদান তিনি রেখেছিলেন তার স্বীকৃতি স্বরূপ এক শ্রেণির মৌলিক কণাকে বোজন নাম দেওয়া হয় ।
বিজ্ঞানী ডিরাক 1931 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে থিওরি অব রিলেটিভিটি ব্যবহার করে প্রতি পদার্থের অস্তিত্ব ঘোষণা করেন ।
পিথাগোরাস (প্রায় ৫৮২-৫০১) একজন গ্রিক
দার্শনিক, গণিতবিদ ও ধর্মীয় পণ্ডিত ছিলেন। পিথাগোরাস সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর সম্পর্কের সূত্রের জন্য সারাবিশ্বে পরিচিত (যাকে পিথাগোরাসের সূত্র বলা হয়)। তিনি এমন একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন যেখানে গণিত, সঙ্গীত, বিজ্ঞান, দর্শন ও ধর্ম শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। সংখ্যাতত্ত্ব এবং ত্রিমাত্রিক ও ক্ষেত্রফল সম্পৰ্কীয় জ্যামিতি শাস্ত্রে পিথাগোরাস অনেক বেশি অবদান রাখেন। তিনি ২ এর বর্গমূলসহ অমূলদ সংখ্যার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি অনুপাত ও সমানুপাত নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা করেন।
গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস (খ্রিস্টপূর্ব ৪৬০-370) ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে। তিনি এর নাম দেন এটম বা পরমাণু। পরমাণু সম্পর্কে তার এ ধারণা বর্তমান ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
আল জাবির বইটি আল খোয়ারিজমির লেখা। মুসলিম গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানীদের ভেতর আল খোয়ারিজমির নাম উল্লেখযোগ্য। তার লেখা আল জাবির বই থেকে বর্তমান এলজেবরা
নামটি এসেছে।
1543 সালে কোপার্নিকাস তার বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। আর্যভট্ট শূন্য (০) এবং রাদারফোর্ড পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ধারণা দেন । গ্রিক বিজ্ঞানী থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বানী করেন । গ্যালিলিওকে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবক্তা বলা হয়
গ্যালিলিও সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবক্তা হওয়ার কারণে তিনি চার্চের কোপানলে পড়েন এবং শেষ জীবনে তাকে গৃহবন্দি হয়ে কাটাতে হয়।