আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 আইসোটোন
 আইসোটোপ
 আইসোবার
 আইসোমার
ব্যাখ্যাঃ

ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের প্রধান উৎস হলো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কোবাল্ট-৬০ (Cobalt-60)

কোবাল্ট-৬০ একটি কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে সাধারণ কোবাল্টকে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে তৈরি করা হয়। এটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের মাধ্যমে গামা রশ্মি নির্গত করে। এই গামা রশ্মি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা বিকিরণ বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • গামা রশ্মি থেরাপি (Gamma Ray Therapy): একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে গামা রশ্মি টিউমারের দিকে направিত করা হয়, যা ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করে এবং ধ্বংস করে।
  • গামা নাইফ রেডিওসার্জারি (Gamma Knife Radiosurgery): এটি কোনো কাটারির ব্যবহার ছাড়াই অত্যন্ত নির্ভুলভাবে মস্তিষ্কের ছোট টিউমার এবং অন্যান্য অস্বাভাবিকতা নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে অনেকগুলো ছোট গামা রশ্মির উৎস একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে একত্রিত করে উচ্চ মাত্রার বিকিরণ প্রদান করা হয়, যা আশেপাশের সুস্থ টিস্যুকে রক্ষা করে।

এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য তেজস্ক্রিয় আইসোটোপও গামা বিকিরণের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে কোবাল্ট-৬০ সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।

 আলফা রেস (alpha rays)
 বিটা রেস (beta rays)
 গামা রেস (gamma rays)
 এক্স রেস (x-rays)
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হলো গঃ গামা রেস (gamma rays) এবং ঘঃ এক্স রেস (x-rays)

ক্যান্সার চিকিৎসায় এই উভয় প্রকার বিকিরণই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই, যদি একাধিক সঠিক উত্তর নির্বাচনের সুযোগ থাকে, তবে উভয়ই সঠিক। যদি একটি বিকল্প বেছে নিতে হয় এবং প্রশ্নটি সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি সম্পর্কে হয়, তবে প্রায়শই এক্স-রে এবং গামা রশ্মি (বিশেষ করে কোবাল্ট-৬০ থেকে) উভয়ই প্রধান হিসেবে গণ্য হয়।

  • এক্স-রে (X-rays): এটি লিনিয়ার এক্সিলারেটর (LINAC) নামক যন্ত্রের সাহায্যে উৎপন্ন উচ্চ শক্তির বিকিরণ, যা বহুল ব্যবহৃত।
  • গামা রেস (Gamma rays): এটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যেমন কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত হয় এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।

আলফা রেস এবং বিটা রেসও কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে (যেমন কিছু নিউক্লিয়ার মেডিসিন থেরাপিতে) ব্যবহৃত হলেও, সরাসরি রেডিয়েশন থেরাপিতে প্রধানত এক্স-রে এবং গামা রেস ব্যবহার করা হয়।

 ফিশন
 মেসন
 ফিউশন
 ফিউশন ও মেসন
ব্যাখ্যাঃ

নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে বলা হয় ফিশন (Fission)

ব্যাখ্যা: নিউক্লিয়ার ফিশন হলো একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম) দুটি বা তার বেশি ছোট নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পারমাণবিক বোমায় ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, নিউক্লিয়াসের একত্রিত হওয়াকে ফিউশন (Fusion) বলা হয়, যা সূর্যের শক্তির উৎস।

 আইসোটোন
 আইসোটোপ
 আইসোবার
 রাসায়নিক পদার্থ
ব্যাখ্যাঃ

ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের প্রধান উৎস হলো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (Radioactive Isotope)

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আইসোটোপটি হলো:

  • কোবাল্ট-৬০ (Cobalt-60)

কোবাল্ট-৬০ একটি কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ যা নিউক্লিয়ার চুল্লিতে তৈরি হয়। এটি তার ক্ষয় প্রক্রিয়ায় (decay) শক্তিশালী গামা রশ্মি নির্গত করে, যা ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়। কোবাল্ট-৬০ ছাড়াও, কখনও কখনও সিজিয়াম-১৩৭ (Cesium-137)-ও গামা বিকিরণের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে কোবাল্ট-৬০ বেশি প্রচলিত।

 পেট্রোলিয়াম
 ইউরেনিয়াম-২৩৫
 অক্সিজেন
 হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যাঃ

পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে যে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়, তা দুই ধরনের ইউরেনিয়াম আইসোটোপের সংমিশ্রণ। এদের মধ্যে ইউরেনিয়াম-২৩৫ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৬. সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়–

[ বিসিএস ২২তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৬-১২-২০০৬ ]

 পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
 পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
 রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
 তেজস্ক্রিয়তার ফলে
ব্যাখ্যাঃ

দুটি কম ওজনের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সংযোজনে একটি অপেক্ষাকৃত ভারী পরমাণুর গঠন ও ফলস্বরূপ প্রচুর শক্তির উদ্ভব হলো পারমাণবিক ফিউশন পদ্ধতি। যেমন- দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে একটি হিলিয়াম পরমাণু হতে পারে। দেখা যায় তৈরি হওয়া হিলিয়াম পরমাণুর ভর হাইড্রোজেন পরমাণু দুটির ভরের যোগফলের চেয়ে সামান্য কম । এ হারিয়ে যাওয়া ভরই শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ও প্রচুর শক্তি পাওয়া যায়। সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে এ পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি হয়।