আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 হাজী শরিয়ত উল্লাহ
 শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
 আবুল কাশেম
 মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যাঃ

প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম ‘তমদ্দুন মজলিশ’ প্রতিষ্ঠা করেন।

এটি ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংগঠনটি মূলত বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে প্রথম সোচ্চার হয়েছিল এবং ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

 তমদ্দুন মজলিস
 ভাষা পরিষদ
 মাতৃভাষা পরিষদ
 আমরা বাঙালি
ব্যাখ্যাঃ

তমদ্দুন মজলিস ছিল ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত একটি ইসলামী সাংস্কৃতিক সংগঠন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এই সংগঠনটিই প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তোলে এবং ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত করে।

তমদ্দুন মজলিসের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল:

  • সুস্থ ও সুন্দর তমদ্দুন (নাগরিক জীবন ও সংস্কৃতি) গড়ে তোলা: কুসংস্কার, গতানুগতিকতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা দূর করে একটি প্রগতিশীল সমাজ নির্মাণ করা।
  • ধর্মভিত্তিক সাম্যবাদের দিকে মানবসমাজকে এগিয়ে নেওয়া: যুক্তিবাদের উপর ভিত্তি করে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
  • সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে নতুন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা: মানবীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন সাহিত্য ও শিল্পচর্চার মাধ্যমে একটি উন্নত সমাজ গঠন করা।
  • নিখুঁত চরিত্র গঠন করে গণজীবনের উন্নয়ন: নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক তৈরির মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক উন্নতি সাধন করা।
  • বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা: পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রথম জোরালো প্রতিবাদ জানানো এবং বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা আদায়ে আন্দোলন গড়ে তোলা।

ভাষা আন্দোলনে তমদ্দুন মজলিসের ভূমিকা:

ভাষা আন্দোলনে তমদ্দুন মজলিসের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে বিবেচিত হয়। এর উল্লেখযোগ্য অবদানগুলো হলো:

  • প্রথম রাষ্ট্রভাষার দাবি উত্থাপন: পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই তমদ্দুন মজলিস বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তোলে।
  • পুস্তিকা প্রকাশ: ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। এই পুস্তিকায় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয় এবং অধ্যাপক আবুল কাশেম কতৃক বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে একটি প্রস্তাবনাও ছিল।
  • রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন: ভাষা আন্দোলনকে একটি রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার জন্য তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগেই প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
  • জনমত সৃষ্টি: তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও আলোচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গড়ে তোলা হয়।
  • সাপ্তাহিক সৈনিক: এই সংগঠনের মুখপত্র হিসেবে সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পরবর্তীতে অন্যান্য ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠন ভাষা আন্দোলনে যোগ দিলেও, তমদ্দুন মজলিসই প্রথম সংগঠন হিসেবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে এবং এর একটি সুস্পষ্ট ভিত্তি তৈরি করে। এ কারণে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তমদ্দুন মজলিসের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

 ২৫ শে জানুয়ারী
 ১১ই ফেব্রুয়ারী
 ১১ই মার্চ
 ২৫ শে ফেব্রুয়ারী
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৮ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের সময় ১১ই মার্চ ‘ভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হতো।

১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ দাবিতে পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। এই দিনটিতে ছাত্রদের ওপর পুলিশি নির্যাতন হয় এবং অনেকেই গ্রেফতার হন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে দিনটি ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত প্রতি বছর ১১ই মার্চ ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হতো।

 শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
 হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
 মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
 নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা পাকিস্তানের রাজনীতিতে এবং বিশেষ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এটি ছিল পূর্ব বাংলার প্রথম সরাসরি নির্বাচন যেখানে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছিল।

প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পাকিস্তান গঠিত হয় এবং পূর্ব বাংলা তার একটি অংশ হয়। শুরু থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছিল। ভাষার প্রশ্নে (১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন), অর্থনৈতিক বৈষম্য, এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রবণতা পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করে। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৫৩ সালে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

যুক্তফ্রন্ট গঠন: এই নির্বাচনে পশ্চিম পাকিস্তানের মুসলিম লীগের একাধিপত্য ভাঙার লক্ষ্যে পূর্ব বাংলার প্রধান বিরোধী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে "যুক্তফ্রন্ট" গঠন করে। এই ফ্রন্টে চারটি প্রধান দল ছিল: ১. আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরে আওয়ামী লীগ) - নেতা: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবুর রহমান। ২. কৃষক শ্রমিক পার্টি - নেতা: শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক। ৩. নেজামে ইসলাম পার্টি - নেতা: মওলানা আতাহার আলী। ৪. গণতন্ত্রী দল - নেতা: হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

যুক্তফ্রন্টের প্রধান লক্ষ্য ছিল মুসলিম লীগের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটানো এবং পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

নির্বাচনী ইশতেহার (২১ দফা): যুক্তফ্রন্ট তাদের নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে ঐতিহাসিক "২১ দফা" ঘোষণা করে। এই ২১ দফা ছিল মূলত পূর্ব বাংলার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দফাগুলো ছিল:

  • বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
  • জমিদারী প্রথা বিলোপ করা।
  • পাট শিল্পকে জাতীয়করণ করা।
  • বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন।
  • বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করা।
  • পূর্ব বাংলার পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করা (প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও মুদ্রা ব্যতীত)।
  • ঐতিহাসিক ২১শে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ও সরকারি ছুটি ঘোষণা।

নির্বাচনের ফলাফল: ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ভূমিধস বিজয় লাভ করে। মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে (মুসলিম লীগ কোটা) জয়লাভ করে। মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন পায়, যা তাদের শোচনীয় পরাজয় ছিল। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলো পায়।

 ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
 ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
 ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
 ২০ জানুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যাঃ

সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে।

১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ঢাকায় এসে ঘোষণা করেন যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এর প্রতিক্রিয়ায় ঢাকায় তীব্র ছাত্র বিক্ষোভ শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে, ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে অনুষ্ঠিত এক সভায় ৪০ সদস্যবিশিষ্ট সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। কাজী গোলাম মাহবুবকে এই পরিষদের আহ্বায়ক করা হয়। এই পরিষদই ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল, যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

 আব্দুল মতিন
 ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
 শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
 হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যাঃ

পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি উত্থাপন করেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

তিনি ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি (কিছু সূত্রে ২৫শে ফেব্রুয়ারিও উল্লেখ আছে) পাকিস্তান গণপরিষদে এই দাবি উত্থাপন করেন যে, উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হোক এবং গণপরিষদের কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও রাখা হোক।

 দুদু মিয়া
 তিতুমীর
 হাজী শরীয়তুল্লাহ
 সৈয়দ আহমদ
ব্যাখ্যাঃ

মুসলমানদের ফরজ কাজসমূহ পালনে উদ্বুদ্ধ করার আন্দোলন ফরায়েজী আন্দোলন, যার নেতৃত্ব দেন হাজী শরীয়তুল্লাহ। এর প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর। পরবর্তীতে তার পুত্র দুদু মিয়া ঐ আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদান করেন।

 তিতুমীর
 হাজী মোহাম্মদ মহসীন
 হাজী শরীয়তুল্লাহ
 হাজী মোহাম্মদ দানেশ
ব্যাখ্যাঃ

হাজী শরীয়তুল্লাহ নেতৃত্বে মুসলমানদের ফরজ কাজসমূহ পালনে উদ্বুদ্ধ করার আন্দোলন হলো ফরায়েজি আন্দোলন। তার মৃত্যুর পর ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তার একমাত্র পুত্র দুদু মিয়া। দুদু মিয়ার বিখ্যাত উক্তি হলো “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্হী”।

 তিতুমীর
 সৈয়দ আহমদ বেরেলভি
 দুদু মিয়া
 হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

হাজী শরীয়তউল্লাহর নেতৃত্বে মুসলমানদের ফরজ কাজসমূহ পালনে উদ্বুদ্ধ করার আন্দোলন হলো ফরায়েজি আন্দোলন। তার মৃত্যুর পর ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তার একমাত্র পুত্র দুদু মিয়া। দুদু মিয়ার বিখ্যাত উক্তি হলো “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী”।

 তিতুমীর
 ফকির মজনু শাহ
 দুদু মিয়া
 হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ

খাজনা আদায়ের জন্য জমিদারদের অত্যাচার রোধকল্পে দুদু মিয়া জমির উপর আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এ উক্তি করেন। হাজী শরীয়তউল্লাহর একমাত্র পুত্র দুদু মিয়া পিতার মৃত্যুর পর ‘ফরায়েজী আন্দোলনের’ নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

১১. ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা হলেন-

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 রাজা রামমোহন রায়
 কেশব চন্দ্র সেন
 দেবেন্দ্র নাথ ঠাকুর
 স্বামী বিবেকানন্দ

১২. The spirit of Islam' গ্রন্থটি কে রচনা করেন?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 সৈয়দ আমীর আলী
 নওয়াব আব্দুল লতীফ
 স্যার সৈয়দ আহমদ
 হাজী মুহম্মদ মুহসীন