আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ
 ডেড সী
 বৈকাল হ্রদ
 লোহিত সাগর
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর গভীরতম স্থান হলো কঃ ম্যারিয়ানা ট্রেঞ্চ

এটি পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এবং এর গভীরতা প্রায় ১১ কিলোমিটারের বেশি।

 ২.০৫%
 ০.৬৮%
 ০.০১%
 ০.০০১%
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর মোট জলরাশির (বারিমণ্ডলের) শতকরা প্রায় ০.৬৮% জল ভূগর্ভে ধারণ করে।

যদিও ভূগর্ভস্থ পানি পৃথিবীর মোট স্বাদু পানির একটি বড় অংশ (প্রায় ৩০.১%), তবে যখন পৃথিবীর মোট জলরাশির (যার বেশিরভাগই সমুদ্রের লবণাক্ত জল) শতাংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তখন এর পরিমাণ অনেক কম। বিভিন্ন উৎসের তথ্য সামান্য ভিন্ন হতে পারে, তবে এটি সাধারণত ১% এর কম থাকে। কিছু সূত্রে এটি প্রায় ০.৭% বা ১.৭%ও দেখানো হয় (লবণাক্ত ভূগর্ভস্থ জল সহ)।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য, পৃথিবীর মোট জলের ৯৭% এরও বেশি লবণাক্ত (সমুদ্র ও মহাসাগর), এবং বাকি প্রায় ২.৫-৩% স্বাদু জল। এই স্বাদু জলের প্রায় ৬৮.৭% হিমবাহ ও মেরু অঞ্চলে বরফ হিসাবে জমা আছে, এবং প্রায় ৩০.১% ভূগর্ভস্থ জল হিসাবে বিদ্যমান।

 ভারত মহাসাগর
 প্রশান্ত মহাসাগর
 আটলান্টিক মহাসাগর
 আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যাঃ

সলোমন দ্বীপপুঞ্জ হলো প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যা ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত। এটি পাপুয়া নিউ গিনির পূর্বে এবং ভানুয়াতুর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।

সলোমন দ্বীপপুঞ্জ সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • রাজধানী: হোনিয়ারা (Honiara), যা গুয়াদালকানাল দ্বীপে অবস্থিত।
  • ভূগোল: এটি ৬টি বড় দ্বীপ এবং প্রায় ৯০০টিরও বেশি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর, যেখানে রেইনফরেস্ট, উপহ্রদ (লেগুন), জলপ্রপাত এবং শান্ত বালুকাময় সৈকত রয়েছে। এখানকার জলজ জীবনও অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
  • স্বাধীনতা: ১৯৭৮ সালের ৭ জুলাই এটি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
  • ভাষা: এর সরকারি ভাষা ইংরেজি হলেও, স্থানীয় মেলানেশিয়ান ভাষাগুলোও প্রচলিত।
  • জনসংখ্যা: ২০২৩ সালের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, এর জনসংখ্যা প্রায় ৮ লক্ষ।
  • সংস্কৃতি: সলোমন দ্বীপপুঞ্জের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বর্ণময়। এখানকার আদিবাসী জনগোষ্ঠী প্রকৃতি এবং বন বাস্তুতন্ত্রের সাথে গভীর সংযোগ বজায় রাখে।
  • অর্থনীতি: মূলত কৃষি ও মৎস্য চাষের উপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তিগুলোর কাছে এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যার ফলে এই অঞ্চলে তাদের প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা দেখা যায়।
 সমুদ্রস্রোত
 নদীস্রোত
 বানের স্রোত
 জোয়ার-ভাটার স্রোত
ব্যাখ্যাঃ

নদীখাত হলো প্রবাহিত পানির শক্তির ফলে গঠিত একটি সরু বা চওড়া , গভীর বা অগভীর প্রাকৃতিক সুষম ঢালু যার মধ্য দিয়ে ধীর বা প্রবলবেগে পানি প্রবাহিত হয়। জোয়ার - ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে এই নদীখাত গভীর হয়।

 Desert Ecosystem
 Mountain Ecosystem
 Fresh water Ecosystem
 Marine Ecosystem
ব্যাখ্যাঃ

নিম্নলিখিত বাস্তুতন্ত্রগুলোর মধ্যে ঘঃ Marine Ecosystem (সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র) পৃথিবীর পৃষ্ঠের বৃহত্তম অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত।

পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় ৭১% অংশ জল দ্বারা আবৃত, যার অধিকাংশই সমুদ্র। এই বিশাল জলরাশি বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র নিয়ে গঠিত, যা মরুভূমি, পর্বত বা স্বাদু জলের বাস্তুতন্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

৬. সুনামির কারণ হলো-

[ বিসিএস ৩৪তম ]

 আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
 ঘূর্ণিঝড়
 চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
 সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প
ব্যাখ্যাঃ

সুনামির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের তলদেশে প্রচণ্ড ভূমিকম্প

যখন সমুদ্রের তলদেশে কোনো শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়, তখন সমুদ্রের বিশাল আয়তনের জলরাশি হঠাৎ করে স্থানচ্যুত হয় এবং বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে। এই ঢেউগুলো উপকূলের দিকে দ্রুত গতিতে ধাবিত হয় এবং যখন অগভীর জলে পৌঁছায়, তখন সেগুলো অনেক উঁচু হয়ে আছড়ে পড়ে, যা সুনামি নামে পরিচিত।

এছাড়াও, কিছু গৌণ কারণও আছে, যেমন:

  • সমুদ্রের নিচে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।
  • ভূ-গর্ভস্থ ভূমিধস (undersea landslide)।
  • উল্কাপিণ্ডের আঘাত।
 নদী
 সাগর
 হ্রদ
 বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যাঃ

প্রাকৃতিক উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায় বৃষ্টির জল থেকে।

ব্যাখ্যা: বৃষ্টির জল হলো প্রাকৃতিক বিশুদ্ধতম রূপ। এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে তৈরি হওয়ায় প্রায় সব ধরনের খনিজ লবণ থেকে মুক্ত থাকে। তবে, বায়ুমণ্ডলে থাকা বিভিন্ন গ্যাস এবং দূষণকারী পদার্থের সাথে মিশে বৃষ্টির জলের গুণগত মান সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।

 ভারত
 আটলান্টিক
 প্রশান্ত
 উত্তর
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর গভীরতম স্থানের নাম হলো মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench), যা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে অবস্থিত। এর গভীরতম অংশের নাম চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep)। এই খাতের গভীরতা প্রায় ১১,০০০ মিটার, যা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতার চেয়েও বেশি।

 কাস্পিয়ান
 বৈকাল
 মানস সরোবর
 ডেড সী (Dead Sea)
ব্যাখ্যাঃ

পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ হলো বৈকাল হ্রদ। এটি রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত। এটি কেবল গভীরতমই নয়, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন এবং আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম স্বাদু জলের হ্রদও বটে। এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১,৬৪২ মিটার (৫,৩৮৭ ফুট)। বৈকাল হ্রদে পৃথিবীর সমস্ত স্বাদু জলের প্রায় ২০% বিদ্যমান।

এই ভিডিওটিতে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ সম্পর্কে আরও তথ্য দেওয়া আছে।

 সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
 চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
 পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
 সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
ব্যাখ্যাঃ

অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আরও প্রবল হয়। ঐদিন চন্দ্র ও সূর্যের দিকে পূর্ণিমার দিন অপেক্ষাও জোয়ার বেশি হয়।

 ৬ ঘণ্টা ১৩ মি.
 ৮ ঘণ্টা
 ১২ ঘণ্টা
 ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি.
ব্যাখ্যাঃ

কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ার হওয়ার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট সময় অতিক্রম করলে পুনরায় সেখানে মুখ্য জোয়ার সৃষ্টি হয়। আবার কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ারের প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পরে একবার গৌণ জোয়ার সংঘটিত হয়। জোয়ারের প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাঁটা সংঘটিত হয়।

 কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
 মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
 দিয়াগো গার্সিয়া
 গ্রেট বেরিয়ার রিফ
ব্যাখ্যাঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের সামরিক বিপর্যয় ঘটলে ১৯৪৫ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় কয়েকটি দ্বীপ দখল করে নেয়, যা কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিতি পায়। এ দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ অনেকগুলো দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত একটি দেশ যা ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত। দিয়াগো গার্সিয়া ভারত সাগরে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের একটি দ্বীপ। গ্রেট বেরিয়ার রিফ বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরল রিফ সিস্টেম যা অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিত।

 আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
 আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
 প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
 ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যাঃ

পানামা খালটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত একটি যোজক খাল। ১৯০৪ সালে খালটি খনন আরম্ভ হয় এবং ১৯১৪ সালে জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এটি আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। খালটির দৈর্ঘ্য ৮০ কি.মি., প্রস্থ ৯০ থেকে ৩০০ মিটার এবং গভীরতা ১৩ মিটার। চৌবাচ্চা প্রকৃতির খালটি অতিক্রমে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা সময় লাগে। প্রতিদিন অন্তত অর্ধ শতাধিক জাহাজ যাতায়াত করে।

 বায়ু প্রবাহের প্রভাব
 সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা
 সমু্দ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
 সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যাঃ

সমুদ্র স্রোতের কারণগুলো হচ্ছে বায়ু প্রবাহ, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, বাষ্পীভবনের তারতম্য, ঘভীরতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন এবং মূলভাগের অবস্থান।