প্রশ্নঃ 'কাঁদো নদী কাঁদো' এর রচয়িতা কে?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটির রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সৃষ্টি।
প্রশ্নঃ 'ফুল ফুটুক আর না ফুটুক, আজ বসন্ত'- এ উদ্ধৃতিটি কার?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
'ফুল ফুটুক আর না ফুটুক, আজ বসন্ত'- এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়-এর।
এটি তাঁর "ফুল ফুটুক" নামক কবিতার একটি চরণ। এই পঙ্ক্তিটি প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বাইরেও সময়ের আগমনকে জোরের সাথে ঘোষণা করে।
প্রশ্নঃ 'বাংলাদেশ' কবিতাটি কার লেখা?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
সঠিক উত্তর : অমিয় চক্রবর্তী
প্রশ্নঃ 'চোরাবালি' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
'চোরাবালি' বিষ্ণু দে'র একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
'চোরাবালি' কাব্যগ্রন্থের বৈশিষ্ট্য ও তাৎপর্য:
- বিষয়বস্তু: 'চোরাবালি' কাব্যগ্রন্থে বিষ্ণু দে'র সময়ের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, দারিদ্র্য, শোষণ এবং সমকালীন অস্থিরতা তাঁর কবিতায় তীব্রভাবে উঠে এসেছে।
- কাব্যভাষা ও আঙ্গিক: এই গ্রন্থে বিষ্ণু দে'র নিজস্ব কাব্যভাষা এবং আঙ্গিকের সুস্পষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি ঐতিহ্যবাহী ছন্দ এবং আঙ্গিকের পাশাপাশি নতুন পরীক্ষামূলক ছন্দ ও আঙ্গিক ব্যবহার করেছেন। তাঁর কবিতা জটিল, বুদ্ধিদীপ্ত এবং বহুস্তরবিশিষ্ট।
- প্রতীক ও চিত্রকল্প: 'চোরাবালি' তে বিষ্ণু দে প্রচুর প্রতীক ও চিত্রকল্প ব্যবহার করেছেন, যা তাঁর কবিতাকে গভীরতা ও ব্যঞ্জনা দান করেছে। 'চোরাবালি' নিজেই একটি শক্তিশালী প্রতীক যা সমকালীন সমাজের অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা এবং ধ্বংসের ইঙ্গিত বহন করে।
- মার্কসবাদী ভাবাদর্শের প্রভাব: বিষ্ণু দে মার্কসবাদী ভাবাদর্শে গভীরভাবে বিশ্বাসী ছিলেন এবং এর প্রভাব তাঁর কবিতায় স্পষ্ট। তিনি সমাজের শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি সহানুভূতি এবং শোষক শ্রেণির বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেছেন।
- আধুনিক কবিতার বৈশিষ্ট্য: 'চোরাবালি' বাংলা আধুনিক কবিতার বৈশিষ্ট্যগুলোকে ধারণ করে। এতে নাগরিক জীবনের জটিলতা, মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং ঐতিহ্যের প্রতি নতুন করে দৃষ্টিপাত করা হয়েছে।
প্রশ্নঃ 'সোনালি কাবিন' কাব্যের রচয়িতা কে?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
'সোনালি কাবিন' আল মাহমুদের একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। এই কাব্যগ্রন্থটি আল মাহমুদকে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা এনে দেয়।
'সোনালি কাবিন' কাব্যের কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- সনেট: 'সোনালি কাবিন'-এর কবিতাগুলো মূলত সনেট আঙ্গিকে রচিত। এই গ্রন্থে মোট ১৪টি সনেট রয়েছে।
- বিষয়বস্তু: কবিতাগুলোতে প্রেম, প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবন, ঐতিহ্য, ইতিহাস, সামাজিক ও রাজনৈতিক চেতনা এবং মানবতাবাদের মতো বিষয়গুলো গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
- উপমা ও চিত্রকল্প: আল মাহমুদ তাঁর কবিতায় চিরায়ত বাংলা সাহিত্য এবং গ্রামীণ জীবন থেকে নেওয়া চমৎকার উপমা ও চিত্রকল্প ব্যবহার করেছেন, যা কবিতাগুলোকে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
- শব্দচয়ন: তাঁর শব্দচয়ন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ব্যঞ্জনাময়। গ্রামীণ শব্দ ও আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার কবিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
- ঐতিহ্যচেতনা: এই কাব্যে আবহমান বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি কবির গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। লোকজ উপাদান ও মিথের ব্যবহার লক্ষণীয়।
- আধুনিকতার সাথে ঐতিহ্যের মেলবন্ধন: আল মাহমুদ আধুনিক কবিতার আঙ্গিকের সাথে ঐতিহ্যবাহী ভাবনার এক সুন্দর সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
- দেশপ্রেম ও দ্রোহ: কোনো কোনো কবিতায় দেশপ্রেম এবং সমকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কবির দ্রোহের প্রকাশ দেখা যায়।
প্রশ্নঃ "উদাত্ত পৃথিবী” কাব্য গ্রন্থের রচয়িতা কে?
[ প্রা.বি.স.শি. 02-02-2024 ]
'উদাত্ত পৃথিবী' সুফিয়া কামালের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে কবির গভীর জীবনবোধ, প্রকৃতিপ্রেম এবং মানবতাবাদের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।
সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯) ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা, নারীবাদী ও নারী প্রগতি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সাঁঝের মায়া (১৯৩৮) - এটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং কাজী নজরুল ইসলাম এর মুখবন্ধ লিখেছিলেন।
- মায়া কাজল (১৯৫১)
- মন ও জীবন (১৯৫৭)
- প্রশস্তি ও প্রার্থনা (১৯৫৮)
- দিওয়ান (১৯৬৬)
- অভিযাত্রিক (১৯৬৯)
- মৃত্তিকার ঘ্রাণ (১৯৭০)
- মোর জাদুদের সমাধি পরে (১৯৭২)
'উদাত্ত পৃথিবী' কাব্যগ্রন্থে সুফিয়া কামালের কবিতার বৈশিষ্ট্য যেমন - সহজ সরল ভাষা, গভীর অনুভূতি এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা - সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। প্রকৃতি ও মানুষের জীবন intertwined ভাবে তার কবিতায় উপস্থাপিত হয়েছে।
প্রশ্নঃ কোনটি সঠিক?
[ প্রা.বি.স.শি. 02-02-2024 ]
'বহিপীর' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। এটি ১৯৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এর আগে, ১৯৫৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত পিইএন ক্লাবের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এটি পুরষ্কার লাভ করে।
নাটকটির প্রেক্ষাপট উনিশ শতকের শেষভাগ বা বিশ শতকের শুরু। নাটকের মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ সমাজের পীরপ্রথা, অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার এবং এর ফলে সৃষ্ট জটিলতা।
প্রশ্নঃ "হর্ষণ' শব্দের অর্থ কি?
[ প্রা.বি.স.শি. 02-02-2024 ]
"হর্ষণ" শব্দের অর্থ আনন্দ।
"হর্ষণ" একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ আনন্দ, উল্লাস, খুশি, পুলক ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ নেকড়ে অরণ্য উপন্যাসের রচয়িতা -
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
শওকত ওসমান বিংশ শতাব্দীর একজন স্বনামধন্য বাংলাদেশী লেখক এবং কথাসাহিত্যিক ছিলেন। তার প্রকৃত নাম ছিল শেখ আজিজুর রহমান। তিনি নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, রাজনৈতিক লেখা এবং শিশু-কিশোর সাহিত্য সহ বিভিন্ন ধারার সাহিত্য রচনা করেছেন। তিনি মুক্তচিন্তার বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
প্রশ্নঃ 'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক কে?
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
'আসাদের শার্ট' কবিতাটির লেখক হলেন শামসুর রাহমান।
এটি শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত। কবিতাটি আসাদ নামক এক শহীদের শার্টকে কেন্দ্র করে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরে।
প্রশ্নঃ সাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম কোনটি?
[ প্রা.বি.স.শি. 08-12-2023 ]
সাহিত্যিক শওকত ওসমান ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, যার সাহিত্যকর্মে সমাজের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে গ্রামীণ জীবন, সামাজিক বৈষম্য এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশেষভাবে উঠে এসেছে। নিচে তার জীবন ও সাহিত্যকর্মের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো তুলে ধরা হলো:
জীবন:
- জন্ম ও পরিচয়: ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, ভারত) হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল শেখ আজিজুর রহমান।
- শিক্ষা: তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে স্নাতক এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
- পেশা: কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রাম কলেজ অব কমার্সে এবং পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে যোগদান করেন এবং ১৯৭২ সালে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- পুরস্কার ও স্বীকৃতি: বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, ফিলিপস পুরস্কার এবং স্বাধীনতা পুরস্কারসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- মৃত্যু: ১৯৯৮ সালের ১৪ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
সাহিত্যকর্ম:
শওকত ওসমান সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রেখেছেন। তাঁর রচনায় গভীর সমাজচেতনা, মানবতাবোধ এবং প্রগতিশীল চিন্তা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
- উপন্যাস: তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- জননী (১৯৫৮): গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত তাঁর প্রথম উপন্যাস।
- ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২): একটি প্রতীকী উপন্যাস যা তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও স্বৈরাচারী শাসনের চিত্র তুলে ধরে।
- সমাগম (১৯৬৭): দেশভাগের পরবর্তী সময়ে মানুষের জীবন ও সমাজের চিত্রায়ণ।
- জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১): মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি শক্তিশালী উপন্যাস।
- দুই সৈনিক (১৯৭৩): মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
- নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩): যুদ্ধকালীন বন্দিশিবিরের নারকীয় চিত্র তুলে ধরে।
- জলাঙ্গী (১৯৭৪): মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- পিতৃপুরুষের গল্প (১৯৮৬)
- গল্পগ্রন্থ: তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পিঁজরাপোল (১৯৫০)
- হস্তারক (১৯৫১)
- ওরা কদম আলী (১৯৫৮)
- নেত্রপথ (১৯৮৩)
- নাটক: তিনি বেশ কিছু নাটকও রচনা করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- আমলার মামলা (১৯৪৯)
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা (১৯৯০)
- প্রবন্ধ ও অন্যান্য: শওকত ওসমান প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও রচনা করেছেন। তাঁর প্রবন্ধগুলোতে সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতি নিয়ে গভীর ভাবনা প্রকাশ পায়।
প্রশ্নঃ ‘পাছে লোকে কিছু বলে’ কবিতা পাঠকের মনে কোন আচরণের উদ্রেক ঘটায়?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
কবি কামিনী রায় রচিত ‘পাছে লোকে কিছু বলে’ কবিতাটি পাঠকের মনে বিভিন্ন ধরনের অনুভূতির উদ্রেক ঘটায়। এই কবিতার মূল বিষয় হলো সামাজিক ভয় ও সংকোচ, যা মানুষকে তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে বাধা দেয়।
প্রশ্নঃ একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের ‘কখন’ আসবে কবি’?
[ প্রা.বি.স.শি. (৩য় ধাপ) 03-06-2022 ]
"একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের ‘কখন’ আসবে কবি’?" এই পঙক্তিগুলো কবি নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত কবিতা 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' থেকে নেওয়া। এই পঙক্তিগুলোতে কবি একটি বিশেষ মুহূর্তের জন্য মানুষের ব্যাকুল প্রতীক্ষার কথা তুলে ধরেছেন।
এই কবিতাটিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের মুহূর্তটিকে বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্নঃ ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?
[ প্রা.বি.স.শি. 22-04-2022 ]
প্রশ্নঃ 'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
[ প্রা.বি.স.শি. 26-06-2019 ]
'অপমান' শব্দের 'অপ' উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
'অপ' উপসর্গটি বাংলা ভাষায় সাধারণত নিম্নলিখিত অর্থগুলোতে ব্যবহৃত হয়:
⇒ বিপরীত: যেমন - যশ (খ্যাতি) - অপযশ (বদনাম), কার (করা) - অপকার (ক্ষতি), মান (সম্মান) - অপমান (অসম্মান)।
⇒ অভাব: যেমন - রাধ (সিদ্ধ করা) - অপক্ক (অসিদ্ধ)।
⇒ নিকৃষ্ট: যেমন - কথা (বলা) - অপকথা (খারাপ কথা)।
⇒ দূষণ: যেমন - জল - অপজল (দূষিত জল)।
'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' যুক্ত হয়ে 'মান' (সম্মান) শব্দের বিপরীত অর্থ 'অসম্মান' বা 'অবজ্ঞা' প্রকাশ করছে।
প্রশ্নঃ 'লোকটি দরিদ্র কিন্তু সৎ' এ বাক্যে কিন্তু হলো -
[ প্রা.বি.স.শি. 26-06-2019 ]
‘লোকটি দরিদ্র কিন্তু সৎ’ - এ বাক্যে কিন্তু অব্যয়টি দুটি বাক্যের মধ্যে ভাবের সংকোচক সাধন করেছে। কিন্তু, বরং, অথচ শব্দগুলো সংকোচক অব্যয়।
- তিনি বিদ্বান, অথচ সৎ ব্যক্তি নন। বাক্যে ‘অথচ’ সংকোচক অব্যয়।
প্রশ্নঃ 'তাসের ঘর' - অর্থ কী?
[ প্রা.বি.স.শি. 31-05-2019 ]
'তাসের ঘর' বাগধারাটির অর্থ হলো ক্ষণস্থায়ী বস্তু বা সহজে ভেঙে যায় এমন জিনিস।
যেমন, "তাদের সম্পর্কটা তাসের ঘরের মতো ভেঙে গেল।"
প্রশ্নঃ 'দেশে বিদেশে'র লেখক কে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৫-২০১৯ ]
প্রশ্নঃ 'এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি' পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৬-০৫-২০১৮ ]
প্রশ্নঃ 'কপোত' শব্দটির সঠিক অর্থ কোনটি?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০৫-২০১৮ ]
প্রশ্নঃ লোক সাহিত্য কাকে বলে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ ]
প্রশ্নঃ 'নিকুঞ্জ' শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ ]
প্রশ্নঃ 'নীল লোহিত' কার ছদ্মনাম?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-১১-২০১৩ ]
প্রশ্নঃ কোন দুটি রচনা একই শ্রেণির?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]
প্রশ্নঃ "অক্টোপাস" উপন্যাসের লেখক কে?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ৩০-১০-২০১৫ ]
প্রশ্নঃ "নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা" - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ৩০-১০-২০১৫ ]
প্রশ্নঃ "সবুজপত্র" কি?
[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]
প্রশ্নঃ 'শিব মন্দির' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৫-০২-২০১২ ]
প্রশ্নঃ সনেটের কটি অংশ?
[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]
প্রশ্নঃ `মহাশ্মশান` মহাকাব্যটি কার রচনা?
[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]