আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 গুরু দত্ত
 শিবু সিরিল
 শ্যাম বেনেগাল
 বিশাল ভরদ্বাজ
ব্যাখ্যাঃ

‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন শ্যাম বেনেগাল

তিনি একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক এবং এই ছবিটি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।

 জেরেমি চুয়া
 আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ
 রাজীব মহাজন
 আজমেরী হক বাঁধন
ব্যাখ্যাঃ

‘রেহেনা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ

 ধীরে বহে মেঘনা
 কলমিলতা
 আবার তোরা মানুষ হ
 হুলিয়া
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিছু উল্লেখযোগ্য স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং তাদের পরিচালকদের নাম নিচে দেওয়া হলো:

  • আগামী (১৯৮৪): এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর পরিচালক ছিলেন মোরশেদুল ইসলাম
  • হুলিয়া (১৯৯৫): এই চলচ্চিত্রের পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল। এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতা অবলম্বনে নির্মিত।
  • ছানা ও মুক্তিযুদ্ধ (১৯৯৮): এটি পরিচালনা করেন বাদল রহমান
  • শোভনের একাত্তর (২০০০): এই শিশুতোষ চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন দেবাশীষ সরকার
  • শরৎ ’৭১ (২০০০): এটিও মোরশেদুল ইসলাম পরিচালনা করেন।
  • একাত্তরের মিছিল (২০০১): এই চলচ্চিত্রের পরিচালক ছিলেন কবরী সারোয়ার
  • ওমর ফারুকের মা (২০০৪): এটি পরিচালনা করেন জাহিদুর রহমান বিপ্লব
  • জন্ম (২০১৮): ভিকি জাহেদ নির্মিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তি পায়।
  • জয় বাংলা: সাম্প্রতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যার পরিচালক শায়লা রহমান তিথি

এছাড়াও আরও অনেক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে যা মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে। এই চলচ্চিত্রগুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 আমজাদ হোসেন
 জহির রায়হান
 খান আতাউর রহমান
 শেখ নিয়ামত আলী
ব্যাখ্যাঃ

"Let There Be Light" একটি অসমাপ্ত ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র, যা বাংলাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হান পরিচালনা করেছিলেন। তিনি এই চলচ্চিত্রটিকে তাঁর স্বপ্নের প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করতেন। ১৯৭০ সালে চলচ্চিত্রটির কিছু অংশ চিত্রায়িত হলেও, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের কারণে এটি সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি ।

চলচ্চিত্রটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা এবং ওমর চিশতী। জহির রায়হান নিজেই এর চিত্রগ্রহণের দায়িত্ব পালন করেন। চলচ্চিত্রটির সংগীত পরিচালনা করেন আলতাফ মাহমুদ

যদিও চলচ্চিত্রটির কিছু ফুটেজ বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষিত রয়েছে, তবে এটি এখনও সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পায়নি।

 আলমগীর কবির
 হুমায়ূন আহমেদ
 তারেক মাসুদ
 শেখ নিয়ামত আলী
ব্যাখ্যাঃ

‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা হলেন তারেক মাসুদ

এটি তাঁর পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং এটি ২০০২ সালে মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেক্ষাপটে নির্মিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

 ওয়াসফিয়া নাজনীন
 মুসা ইব্রাহিম
 এম.এ.মুহিত
 নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম নারী হিসেবে নিশাত মজুমদার 'মাউন্ট এভারেস্ট' জয় করেন ২০১২ সালের ১৯ মে এবং দ্বিতীয় নারী হিসেবে ' এভারেস্ট ' জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজনীন একই সালের ২৬ মে। কিন্তু প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হলেন মুসা ইব্রাহীম। তিনি ২০১০ সালের ২৪ মে এভারেস্ট চূড়ায় পৌঁয়ে বাংলাদেশের জন্য এই অনন্য গৌরব বয়ে আনেন। অন্যদিকে এম এ মুহিদ হলেন প্রথম বাংলাদেশি যিনি দুবার এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।

৭. ‘জীবনঢুলী’ কি?

[ বিসিএস ৩৫তম ]

 একটি উপন্যাসের নাম
 একটি কাব্যগ্রন্হের নাম
 একটি আত্মজীবনীর নাম
 একটি চলচ্চিত্রের নাম
ব্যাখ্যাঃ

‘জীবনঢুলী’ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র (সিনেমা)

এটি নির্মাণ করেছেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল। চলচ্চিত্রটি ২০১৪ সালে মুক্তি পায় এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে।

 ১৯৪৭ খ্রি.
 ১৯৫৮ খ্রি.
 ১৯৬৪ খ্রি
 ১৯৬৫ খ্রি.
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ঢাকার ডিআইটি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘণ্টা সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। সেই সময় এটি পাকিস্তান টেলিভিশন নামে পরিচিত ছিল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ (পি.ও নং-১১৫) দ্বারা এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে রূপান্তরিত হয়।

১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভি রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে স্থানান্তরিত হয় এবং ওই বছর ৬ মার্চ থেকে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮০ সালে বিটিভির রঙিন সম্প্রচার শুরু হয়। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে ২৪ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয় এবং স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এটি বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারিত হচ্ছে।

 ওরা এগার জন
 গেরিলা
 আবার তোরা মানুষ হ
 স্টপ জেনোসাইড
ব্যাখ্যাঃ

গেরিলা হলো ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।

পরিচালক: চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ

কাহিনি: সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস 'নিষিদ্ধ লোবান' অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। ছবির প্রধান চরিত্র বিলকিস বানু (জয়া আহসান) একজন গৃহবধূ, যার সাংবাদিক স্বামী ২৫শে মার্চের রাতে নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর তিনি ধীরে ধীরে একজন গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন সাহসী অপারেশনে অংশ নেন।

পুরস্কার: 'গেরিলা' চলচ্চিত্রটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশ কয়েকটি পুরস্কার লাভ করে। ২০১১ সালে এটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সেরা চলচ্চিত্রসহ মোট ১০টি বিভাগে পুরস্কার জেতে। এছাড়াও, এটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে চারটি বিভাগে পুরস্কৃত হয়।

 শেখ নিয়ামত শাকের
 জহির রায়হান
 সুভাষ দত্ত
 খান আতা
ব্যাখ্যাঃ

‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয় শেখ নিয়ামত আলী এবং মসিহউদ্দিন শাকেরের পরিচালনায়। আর মূল উপন্যাসটির রচয়িতা আবু ইসহাক। অন্যদিকে জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), সঙ্গম (১৯৬৪), বেহুলা (১৯৬৬), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), Stop Genocide (প্রামাণ্য চলচ্চিত্র), A state is Born (প্রামাণ্য চলচিত্র) ইত্যাদি।

 শেখ নিয়ামত আলী
 খান আতাউর রহমান
 জহির রায়হান
 আব্দুল জব্বার খান
ব্যাখ্যাঃ

'মুখ ও মুখোশ' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আব্দুল জব্বার খান

এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পায়। আব্দুল জব্বার খান কেবল এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেননি, তিনি এর কাহিনীকার এবং অভিনেতাও ছিলেন। চলচ্চিত্রটি তার লেখা 'ডাকাত' নামক একটি নাটক অবলম্বনে নির্মিত হয়েছিল।

'মুখ ও মুখোশ' নির্মাণে আব্দুল জব্বার খানকে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, কারণ সেই সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলচ্চিত্র নির্মাণের তেমন কোনো অবকাঠামো ছিল না। তবুও, তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই ছবিটি নির্মিত হয় এবং বাঙালি চলচ্চিত্র শিল্পের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে

 তারেক মাসুদ
 মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
 মৃনাল সেন
 হুমায়ুন আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ

তারেক মাসুদ ছিলেন একজন বিখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা, পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার। তিনি ১৯৫৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার মায়ের নাম নুরুন নাহার মাসুদ এবং বাবার মশিউর রহমান মাসুদ।

তারেক মাসুদ তার কর্মজীবনে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:

মুক্তির গান
মাটির ময়না
আদম সুরত
রানওয়ে
* অন্তর্যাত্রা

২০০২ সালে তার নির্মিত প্রথম সিনেমা 'মাটির ময়না' মুক্তি পায়। সিনেমাটি তার শৈশবের মাদরাসা জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্মিত হয়েছিল। যেটি ওই বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

তারেক মাসুদ ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের ঘিওরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। চলচ্চিত্রে তার অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

১৩. "মাটির ময়না" ছবি নির্মাণ করেন কে?

[ ১২তম শি. (স্কুল সমপর্যায়) ]

 অর্পণা সেন
 মৃণাল সেন
 তারেক মাসুদ
 মুস্তফা মনোয়ার
 ১৯৪৮ সালে
 ১৯৫৬ সালে
 ১৯৬০ সালে
 ১৯৫৮ সালে