আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. শায়েস্তা খাঁ
খ. নবাব আব্দুল গণি
গ. লর্ড কার্জন
ঘ. মীর জুমলা
উত্তরঃ মীর জুমলা
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা গেট, যা মির জুমলার গেট নামেও পরিচিত, ঢাকার একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। এটি মুঘল সুবেদার মীর জুমলা ১৬৬০-১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নির্মাণ করেছিলেন। ধারণা করা হয়, এটি শহরের প্রধান প্রবেশদ্বার ছিল।

এই গেটটি মূলত তৎকালীন ঢাকার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত ছিল। মীর জুমলা যখন ঢাকা শহরের বিস্তার ঘটান, তখন এই গেটটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়। এটি শহরের সীমানা নির্দেশ করত এবং একই সাথে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে শহরকে রক্ষা করত।

কালের পরিক্রমায় ঢাকা গেটের মূল কাঠামো অনেকটা পরিবর্তিত হয়ে গেছে। বর্তমানে এর কিছু অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের কাছে দেখা যায়। গেটের আসল রূপ এখন আর নেই, তবে এর ধ্বংসাবশেষ আজও মুঘল স্থাপত্যের সাক্ষ্য বহন করে।

ঢাকা গেট শুধু একটি স্থাপত্য নয়, এটি ঢাকার ইতিহাসেরও ধারক। মুঘল আমলে ঢাকার গুরুত্ব এবং শহরের বিস্তার সম্পর্কে এটি ধারণা দেয়। বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থে এবং পর্যটকদের লেখায় ঢাকা গেটের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এর ঐতিহাসিক তাৎপর্যের প্রমাণ।

ক. ব্রিটিশ আমলে
খ. সুলতানি আমলে
গ. মুঘল আমলে
ঘ. স্বাধীন নবাবী আমলে
উত্তরঃ মুঘল আমলে
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয় মোঘল আমলে

১৬১০ সালে মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী সুবেদার ইসলাম খান চিশতী ঢাকাকে বাংলার রাজধানী হিসেবে স্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। তবে, এর আগেও ঢাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বিদ্যমান ছিল। মোঘলরাই মূলত ঢাকাকে একটি পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তোলেন এবং এর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব বৃদ্ধি করেন।

ক. আকবর
খ. বাবর
গ. শাহজাহান
ঘ. হুমায়ুন
উত্তরঃ বাবর
ব্যাখ্যাঃ

মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবরই প্রথম মুঘল সম্রাট যিনি নিজের আত্মজীবনী লিখেছিলেন। তার আত্মজীবনীর নাম 'বাবরনামা' (Baburnama), যা তুর্কি ভাষায় রচিত। এটি পরবর্তীকালে ফারসি এবং অন্যান্য ভাষায় অনূদিত হয়।

ক. শাহ সুজা
খ. শায়েস্তা খান
গ. মীর জুমলা
ঘ. সুবেদার ইসলাম খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকার লালবাগের দুর্গ (Lalbagh Fort) নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে, যখন তিনি বাংলার সুবেদার ছিলেন।

তবে, তাঁর দিল্লি চলে যাওয়ার পর এর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে শায়েস্তা খান (১৬৮০ সালে) এর অসমাপ্ত কাজ পুনরায় শুরু করেন, কিন্তু তাঁর প্রিয় কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর দুর্গটিকে অপয়া মনে করে তিনি এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেননি। তাই এটি একটি অসমাপ্ত দুর্গ হিসেবেই রয়ে গেছে।

সাধারণত, প্রশ্নটি যখন 'কে নির্মাণ করেন' বোঝাতে চায়, তখন যিনি মূল কাজ শুরু করেন অথবা যার তত্ত্বাবধানে এর প্রধান অংশ নির্মিত হয়, তাকেই বোঝানো হয়। এই ক্ষেত্রে শাহজাদা আজম শাহ কাজ শুরু করলেও, শায়েস্তা খানের তত্ত্বাবধানেই এর অধিকাংশ কাজ হয় এবং তিনি এর কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যদিও সম্পূর্ণ করতে পারেননি।

প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, যদি 'শুরু করেন' বা 'প্রধান নির্মাতা' এমন কোনো সুস্পষ্ট প্রশ্ন না থাকে, তবে শায়েস্তা খানকেই এর নির্মাতা হিসেবে ধরা হয় কারণ তিনিই দীর্ঘ সময় এর নির্মাণ কাজ পরিচালনা করেছিলেন।

সঠিক উত্তর: খঃ শায়েস্তা খান

ক. পরিবিবি
খ. ইসলাম খান
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. ঈশা খান
উত্তরঃ ইসলাম খান
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতী

সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতী বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তখন তিনি ঢাকার কৌশলগত সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধার জন্য এই খালটি খনন করান। এই খালটি বালু নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে ঢাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে মিলিত হয়েছিল। এটি একসময় ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এবং নগর রক্ষা পরিখা হিসেবে কাজ করত।

বর্তমানে ধোলাই খালের অধিকাংশ অংশই ভরাট হয়ে গেছে এবং এটি পুরান ঢাকার একটি পরিচিত এলাকার নাম হিসেবে টিকে আছে, যেখানে মূলত গাড়ির যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য জিনিসপত্রের ব্যবসা কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।

ক. লক্ষ্মণ সেন
খ. ইলিয়াস শাহ
গ. বিজয় সেন
ঘ. আকবর
উত্তরঃ আকবর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলা সনের প্রবর্তক সম্রাট আকবর রাজস্ব মন্ত্রী টোডরমলের পরামর্শে ৯৬৩ হিজরিকে ৯৬৩ সাল ধরে গণনা শুরু করে। কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর আকবর পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করে। তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।