আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 সেন্টমার্টিন
 সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
 পটুয়াখালী ও বরগুনা
 হিরন পয়েন্ট
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি এলাকাকে ‘Marine Protected Area (MPA)’ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • সেন্ট মার্টিন দ্বীপ এবং এর চারপাশের এলাকা: এই এলাকাটিকে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য MPA ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে প্রবাল প্রাচীর এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রজাতি বিদ্যমান।
  • নিঝুম দ্বীপ মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া: এটি বঙ্গোপসাগরের মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও পাখির আবাসস্থল।

এছাড়াও, সরকার আরও কিছু এলাকাকে MPA ঘোষণার পরিকল্পনা করছে।

 ঘন ঘন বন্যা
 সমুদ্র দূষণ
 ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন
 উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তর হল কঃ ঘন ঘন বন্যা

বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির (সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতি) উন্নয়নে কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। নিচে সেগুলো আলোচনা করা হলো:

  • সমুদ্র দূষণ: শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক দূষণ এবং জাহাজ থেকে নির্গত তেল সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। এটি ব্লু-ইকোনমির বিভিন্ন খাত, যেমন মৎস্য সম্পদ ও পর্যটনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

  • ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন: সমুদ্র অঞ্চলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব, আইনের দুর্বল প্রয়োগ এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনাকে ব্যাহত করে। অবৈধ মৎস্য শিকার এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে, ঘন ঘন বন্যা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা মূলত বাংলাদেশের স্থলভাগকে প্রভাবিত করে। যদিও বন্যার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের জীবন ও জীবিকার ক্ষতি হতে পারে, তবে এটি সরাসরি ব্লু-ইকোনমির প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয় না। সমুদ্র অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো মূলত সমুদ্র ও সমুদ্র সম্পদকেন্দ্রিক।

সুতরাং, "ঘন ঘন বন্যা" বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয়।

 নিঝুমদ্বীপ
 সেন্ট মার্টিনস
 হাতিয়া
 কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্ট মার্টিন

এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত, কারণ এখানে প্রচুর নারিকেল গাছ জন্মে।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রায় ১০-১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রবাল প্রাচীর বিদ্যমান। এই প্রবাল প্রাচীরটিতে বিভিন্ন ধরণের প্রবাল এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য দেখা যায়। জোয়ারের সময় এই প্রাচীরের অনেক অংশ পানিতে তলিয়ে গেলেও ভাটার সময় তা দৃশ্যমান হয়।

ছোট আয়তনের এই দ্বীপটি তার অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রবাল প্রাচীর এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত এবং এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

 বান্দরবান
 কুষ্টিয়া
 কুমিল্লা
 বরিশাল
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে প্লায়িস্টোসিন কালের সােপান প্রধানত তিনটি অঞ্চলে দেখা যায়:

১. বরেন্দ্রভূমি: এটি উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এর মধ্যে রয়েছে রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, রংপুর এবং বগুড়া জেলার কিছু অংশ।

২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: এটি মধ্য বাংলাদেশে অবস্থিত। এর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল, গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ জেলার কিছু অংশ।

৩. লালমাই পাহাড়: এটি কুমিল্লা শহরের পশ্চিমে অবস্থিত।

প্লাইস্টোসিন কালের এই সোপানগুলো আনুমানিক ২৫ হাজার বছর পূর্বে গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এই অঞ্চলগুলো সমভূমি থেকে কিছুটা উঁচু এবং এদের মাটি লালচে ও কঠিন প্রকৃতির।

 দক্ষিন তালপট্টি
 সেন্টমার্টিন
 নিঝুমদ্বীপ
 ভোলা
ব্যাখ্যাঃ

সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার একটি অংশ। এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা

সেন্টমার্টিন তার নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। স্বচ্ছ নীল জলরাশি, প্রবাল পাথর, সাদা বালির সৈকত এবং সারি সারি নারকেল গাছ এই দ্বীপটিকে এক অসাধারণ রূপ দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত। টেকনাফ মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এটি অবস্থিত।
  • আয়তন: প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
  • জনসংখ্যা: প্রায় ৮,০০০ (স্থায়ী বাসিন্দা)।
  • প্রধান আকর্ষণ: প্রবাল, বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, কচ্ছপ, সামুদ্রিক শৈবাল, মনোরম সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়।
  • দর্শনীয় স্থান: ছেঁড়াদ্বীপ (দ্বীপের দক্ষিণতম অংশ, জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়), সেন্টমার্টিন বাজার, পাথর বিচ।
  • যাতায়াত: টেকনাফ থেকে স্পিডবোট বা ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়। নভেম্বরের শুরু থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এখানে পর্যটকদের আনাগোনা বেশি থাকে।
 ৩টি
 ৪টি
 ৫টি
 ৬টি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সাথে ভারতের পাঁচটি রাজ্য সীমান্ত ভাগ করে:

১. পশ্চিমবঙ্গ: বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত এই রাজ্যের সাথে। ২. আসাম: বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। ৩. মেঘালয়: আসামের দক্ষিণে অবস্থিত। ৪. ত্রিপুরা: বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত। ৫. মিজোরাম: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।

 রাঙ্গামাটি
 খাগড়াছড়ি
 বান্দরবান
 সিলেট
ব্যাখ্যাঃ

প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এটি বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে হলুদিয়া নামক স্থানে রয়েছে। জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার।

 খাগড়াছড়ি জেলায়
 রাঙ্গামাটি জেলায়
 বান্দরবান জেলায়
 কক্সবাজার জেলায়
ব্যাখ্যাঃ

আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা, যা আলুটিলা রহস্যময় গুহা নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি আকর্ষণীয় স্থান।

আলুটিলা গুহা সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • অবস্থান: খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায়, খাগড়াছড়ি শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে আলুটিলা বা আরবারী পাহাড়ে এই গুহাটি অবস্থিত।
  • স্থানীয় নাম: স্থানীয়রা একে "মাতাই হাকড়" বা "দেবতার গুহা" নামে ডাকে। তবে পর্যটকদের কাছে এটি আলুটিলা নামেই পরিচিত।
  • নামকরণ: "আলুটিলা" নামের অর্থ "আলুর পাহাড়"। কথিত আছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলের মানুষ খাদ্যের জন্য এই পাহাড় থেকে বুনো আলু সংগ্রহ করত, সেই থেকেই এর নাম আলুটিলা।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ। গুহাটি প্রায় ১০০ মিটার লম্বা এবং বেশ অন্ধকার ও শীতল। এর ভেতরের পাথরগুলো পিচ্ছিল এবং কিছু জায়গায় জলধারা বয়ে যায়।
  • আকর্ষণ: গুহার অন্ধকার ভেদ করে মশাল (স্থানীয়ভাবে বিক্রি হয়) বা টর্চলাইটের আলোয় ভেতরের রহস্যময় পরিবেশ দেখা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। গুহার এক মুখ দিয়ে ঢুকে অন্য মুখ দিয়ে বের হওয়া যায়।
  • পার্শ্ববর্তী আকর্ষণ: আলুটিলার কাছেই রিসাং ঝর্ণা ও বৌদ্ধ মন্দিরও অবস্থিত, যা পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
  • যাতায়াত: খাগড়াছড়ি শহর থেকে চান্দের গাড়ি, সিএনজি, মোটরবাইক বা লোকাল বাসে করে আলুটিলা যাওয়া যায়।

আলুটিলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং রহস্যময় গুহার জন্য খাগড়াছড়ির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

 মধুপুর গড়ে
 বঙ্গোপসাগরে
 হাওর অঞ্চলে
 টারশিয়ারি পাহাড়ে
ব্যাখ্যাঃ

‘বেঙ্গল ফ্যান’ (Bengal Fan) হলো পৃথিবীর বৃহত্তম submarine fan বা underwater delta (অন্তঃসাগরীয় পলল শঙ্কু)। এটি বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি বিশাল আকৃতির ভূমিরূপ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:

  • আয়তন: এটি প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চওড়া। এর পুরুত্ব কোথাও কোথাও ১৬.৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। এটি পুরো বঙ্গোপসাগরের তলদেশ জুড়ে বিস্তৃত।
  • উৎপত্তি: হিমালয় পর্বতমালা এবং তিব্বত মালভূমির উত্থান ও ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট পলিমাটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। এই নদীবাহিত পলি ধীরে ধীরে জমা হয়ে এই বিশাল পলল শঙ্কুটি তৈরি করেছে। এছাড়াও ভারতের অন্যান্য নদী যেমন গোদাবরী, কৃষ্ণা এবং মায়ানমারের ইরাবতী নদীর পলিও এর গঠনে কিছু অবদান রেখেছে।
  • গঠন: বেঙ্গল ফ্যান অসংখ্য ডুবো খাদ (submarine canyon) এবং পললবাহী নদীখাত (fan valley system) দ্বারা গঠিত। এই খাদগুলোর মাধ্যমে পলি দূরবর্তী অঞ্চলে পরিবাহিত ও জমা হয়। বর্তমানে এর একটি প্রধান সক্রিয় খাদ এবং একটি সক্রিয় পললবাহী নদীখাত রয়েছে।
  • গুরুত্ব: বেঙ্গল ফ্যান হিমালয়ের উত্থান, ক্ষয় এবং ভারতীয় বর্ষাকালের ইতিহাস জানার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রাচীনতম শিলাস্তর প্রায় ২ কোটি বছর আগের। এই পলল শঙ্কুতে সঞ্চিত পলি ভূতাত্ত্বিক ও জলবায়ু পরিবর্তনের বহু তথ্য ধারণ করে।
  • অবস্থান: এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত, পশ্চিমে ভারতের পূর্ব উপকূল, উত্তরে বাংলাদেশ এবং পূর্বে মায়ানমার ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি পর্যন্ত বিস্তৃত।

সংক্ষেপে, ‘বেঙ্গল ফ্যান’ হলো একটি বিশাল подводный পলল শঙ্কু যা হিমালয় পর্বতমালা থেকে আসা নদীবাহিত পলি দ্বারা বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গঠিত হয়েছে এবং এটি পৃথিবীর বৃহত্তম এই ধরনের ভূমিরূপ।

 মেঘনা মোহনায়
 সুন্দরবনের দক্ষিণে
 পদ্মা এবং যমুনার সংযোগস্থলে
 টেকনাফের দক্ষিণে
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু দ্বীপ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার দুবলার চর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। এটি সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত এবং বঙ্গবন্ধু চর বা বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড নামেও পরিচিত।

এই দ্বীপটি ১৯৯২ সালে প্রথম জেগে ওঠে এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থায় আসে। এটি বর্তমানে একটি নতুন পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত।

 ২টি
 ৩টি
 ৪টি
 ৫টি
ব্যাখ্যাঃ

মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।

জেলাগুলো হলো:

১. রাঙ্গামাটি ২. বান্দরবান ৩. কক্সবাজার

 টারশিয়ারী যুগে
 প্লাইস্টোসিন যুগে
 কোয়াটারনারী যুগে
 সাম্প্রতিক কালে
ব্যাখ্যাঃ

ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ গঠিত হয় টারশিয়ারী যুগে। এই অঞ্চলের টারশিয়ারি যুগের শিলাসমূহ মূলত দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (পার্বত্য চট্টগ্রাম), উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট-মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ অঞ্চল) এবং ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর গড়ের কিছু অংশে বিদ্যমান। এগুলো মূলত ভাঁজ করা পাহাড় ও উচ্চভূমি।

 চাঁদপুর
 পিরোজপুর
 মাদারীপুর
 গাজীপুর
ব্যাখ্যাঃ

ভূগোল ও ভূ-প্রকৃতি অনুসারে, প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি (Pleistocene Terraces) হলো বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল। এগুলো মূলত প্লাইস্টোসিন যুগে (প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বে) গঠিত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই সময়ে আন্তঃবরফ গলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল। এখানকার মাটির রঙ সাধারণত লালচে বা ধূসর হয় এবং মাটি নুড়ি, বালি ও কাঁকর মিশ্রিত।

বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:

১. বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):

  • অবস্থান: এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত।
  • বিস্তৃতি: রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু।

২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (Madhupur and Bhawal Tract):

  • অবস্থান: এটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত।
  • বিস্তৃতি: ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর এবং ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
  • বৈশিষ্ট্য: এটিও তুলনামূলকভাবে উঁচু এবং বনাঞ্চলে আচ্ছাদিত।

৩. লালমাই পাহাড় (Lalmai Hills):

  • অবস্থান: এটি কুমিল্লা শহরের পশ্চিমে অবস্থিত।
  • বিস্তৃতি: কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত বিস্তৃত।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি তুলনামূলকভাবে ছোট আয়তনের একটি নিচু পাহাড়ী এলাকা।

এই প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমিগুলো বাংলাদেশের অন্যান্য সমভূমি অঞ্চলের থেকে কিছুটা উঁচু এবং এদের মাটি ও গঠন প্রকৃতি ভিন্ন। কৃষি ও বসতি স্থাপনার ক্ষেত্রে এগুলোর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

 ২ ভাগে
 ৪ ভাগে
 ৫ ভাগে
 ৮ ভাগে
ব্যাখ্যাঃ

অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়।

বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলো প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় সৃষ্টি হয়েছিল। এই পাহাড়গুলো দেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে গঠিত। এদের অবস্থান এবং বৈশিষ্ট্য অনুসারে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়:

১. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: এই অংশে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশের পাহাড়গুলো অন্তর্ভুক্ত। এগুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে বিস্তৃত। তাজিংডং (বিজয়) ও কেওক্রাডং-এর মতো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গগুলো এই অঞ্চলেই অবস্থিত।

২. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: এই অংশে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড় এবং ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশের ছোট ছোট টিলা ও পাহাড়গুলো অন্তর্ভুক্ত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা সাধারণত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ের তুলনায় কম, প্রায় ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

 হবিগঞ্জ
 গোপালগঞ্জ
 কিশোরগঞ্জ
 মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের নিম্নলিখিত জেলাসমূহের মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের একটি প্রধান অংশ। এই জেলার বেশিরভাগ অঞ্চলই নিচু ভূমি, যা মূলত হাওড় ও বাঁওড় এলাকা নিয়ে গঠিত এবং বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ু প্রবাহের সময় ১৮০ সেমি থেকে ২৭৫ সেমি পর্যন্ত প্লাবিত হয়। বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কিশোরগঞ্জে ১২২টি হাওর রয়েছে, যার আয়তন ১,৮২,১০৩ হেক্টর। হবিগঞ্জেও হাওর রয়েছে, তবে কিশোরগঞ্জের তুলনায় এর পরিমাণ কম।

 ২২°-৩০
 ৮০°-৩১
 ৩৪°-২৫
 ৮৮°-০১
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে এবং বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। এটি একটি নিম্নভূমির দেশ যা মূলত বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত, যেখানে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর বিশাল অববাহিকা অবস্থিত।

ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক:

  • অক্ষাংশ: ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
  • দ্রাঘিমাংশ: ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
  • কর্কটক্রান্তি রেখা: বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫০′ উত্তর অক্ষাংশ) অতিক্রম করেছে।
  • মান সময়: গ্রিনিচ মান সময় থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে (GMT +6)।

আয়তন:

  • বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার (মতান্তরে ১,৪৮,৪৬০ বর্গ কিলোমিটার)।
 ১৭টি
 ২০টি
 ৬৪টি
 ১৯টি
ব্যাখ্যাঃ

১৯৪৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডে জেলার সংখ্যা ছিল ১৬ টি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে প্রাপ্ত অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৭তম জেলা ‘কুষ্টিয়া’ গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি বৃহত্তর বরিশাল জেলা থেকে ‘ পটুয়াখালী’ (১৮তম) এবং একই সালের ১ ডিসেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে ‘টাঙ্গাইল’ (১৯তম) জেলা আত্মপ্রকাশ করে। এরপর ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৮ বৃহত্তম ময়মনসিংহ জেলা থেকে ২০তম জেলা হিসেবে গঠিত হয় জামালপুর। তারপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারিখ ও প্রজ্ঞাপন মূলে দেশে জেলার সংখ্যা হয় ৬৪টি।

 রাঙামাটি
 বান্দরবান
 মৌলভীবাজার
 সিলেট
ব্যাখ্যাঃ

শুভলং ঝরনা রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত।

এটি রাঙামাটি সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের পাশে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। বর্ষাকালে এর রূপ আরও মনোমুগ্ধকর হয়।

 পুটিয়া, রাজশাহী
 নাচালো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
 লালপুর, নাটোর
 ঈশ্বরদি, পাবনা
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এবং চলমান তাপপ্রবাহের ভিত্তিতে কিছু স্থানকে উষ্ণতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ঐতিহাসিকভাবে, বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে নাটোরের লালপুর-কে উল্লেখ করা হয়, যেখানে দেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতও রেকর্ড করা হয়।

তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এপ্রিল-মে মাসে তীব্র তাপপ্রবাহের সময় চুয়াডাঙ্গা, যশোর, রাজশাহী এবং পাবনার ঈশ্বরদী অঞ্চলে তাপমাত্রা প্রায়শই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায় এবং অনেক সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এই স্থানগুলোতে রেকর্ড করা হয়।

অতএব, যদিও ঐতিহাসিকভাবে নাটোরের লালপুর উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত, সাম্প্রতিক সময়ে চুয়াডাঙ্গা এবং যশোর-ও দেশের অন্যতম উষ্ণতম অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে প্রায়শই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

 ৫১৩৮ কি.মি
 ৪৩৭১ কি.মি
 ৪১৫৬ কি.মি
 ৩৯৭৮ কি.মি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সাথে ভারতের স্থলসীমানার দৈর্ঘ্য হলো ৪,১৫৬ কিলোমিটার

এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্থলসীমান্তগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশের মোট স্থলসীমার (প্রায় ৪,৪২৭ কিলোমিটার) প্রায় ৯৪% হলো ভারতের সাথে। ভারতের পাঁচটি রাজ্য (পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম) বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে।

 রাঙামাটি
 খাগড়াছড়ি
 বান্দরবান
 সিলেট
ব্যাখ্যাঃ

প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি সুন্দর কৃত্রিম হ্রদ। এটি বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এর চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং শান্ত পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

 হাইল
 পাথরচাওলি
 ভবদহ
 আড়িয়াল
ব্যাখ্যাঃ

ভবদহ বিলটিই যশোর জেলায় অবস্থিত।

এখানে বিকল্প বিলগুলোর অবস্থান ব্যাখ্যা করা হলো:

  • কঃ হাইল (Hail): এটি হাইল হাওর নামে পরিচিত এবং এটি প্রধানত মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ হাওর।
  • খঃ পাথরচাওলি (Pathorchawli): এই নামে সুপরিচিত কোনো বড় বিলের তথ্য পাওয়া যায় না। এটি কোনো নির্দিষ্ট জেলার উল্লেখযোগ্য বিল নয়।
  • ঘঃ আড়িয়াল (Arial): এটি আড়িয়াল বিল নামে পরিচিত এবং এটি প্রধানত মুন্সিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি দেশের বৃহত্তম বিলগুলোর মধ্যে অন্যতম।
 রাজশাহী
 ঢাকা
 চট্টগ্রাম
 সিলেট
ব্যাখ্যাঃ

সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।

এই নামকরণ মূলত হযরত শাহজালাল (র.) এবং তাঁর ৩৬০ জন সঙ্গী আউলিয়ার সিলেট আগমনের সাথে জড়িত, যারা এই অঞ্চলে ইসলাম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।

হযরত শাহজালাল (র.) এবং তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ জন আউলিয়ার ইসলাম প্রচারের কারণে সিলেট এই নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

 ২০০ নটিকেল মাইল
 ৩০০ নটিকেল মাইল
 ৩৫০ নটিকেল মাইল
 ৪৫০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যাঃ

১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত হতে পারে।

তবে, এর একটি প্রাথমিক সীমাও রয়েছে, যা ভিত্তি রেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল। যদি কোনো রাষ্ট্রের মহীসোপান ভূতাত্ত্বিকভাবে ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরেও বিস্তৃত হয়, তবে সেটি সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দাবি করা যেতে পারে, কিছু নির্দিষ্ট ভূতাত্ত্বিক সূত্র মেনে।

 বাংলাদেশ-মায়ানমার
 মায়ানমার-চীন
 বাংলাদেশ-ভারত
 ভারত-মায়ানমার
ব্যাখ্যাঃ

‘মংডু’ হলো বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার-এর সীমান্ত এলাকা।

এটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি শহর, যা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার বিপরীতে নাফ নদীর ওপারে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বাণিজ্য পথও বটে।

 আসাম
 মিজোরাম
 ত্রিপুরা
 নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যাঃ

ভারতের ৫টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:

১. পশ্চিমবঙ্গ ২. আসাম ৩. মেঘালয় ৪. ত্রিপুরা ৫. মিজোরাম

সুতরাং, এই ৫টি রাজ্য ব্যতীত ভারতের অন্য যেকোনো রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই। যেমন, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ ইত্যাদির সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই।

 নোয়াখালী
 ফেনী
 লালমনিরহাট
 সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যাঃ

বহুল আলোচিত মুহুরীর চর হলো বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড। এটি ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় মুহুরী নদীর পাশে অবস্থিত।

এই চরের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। মুহুরী নদীর ভাঙনের ফলে এই চরের সৃষ্টি হয়েছে এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে এর সীমানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। দেশ বিভাগের পর থেকেই এই চর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

যদিও উভয় দেশের মধ্যে একাধিকবার যৌথ জরিপ হয়েছে এবং কিছু অংশে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে, তবে এখনও কিছু অমীমাংসিত অংশ রয়ে গেছে। এই চর ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে উভয় দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

সংক্ষেপে, মুহুরীর চর হলো:

  • অবস্থান: ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্ত, মুহুরী নদী সংলগ্ন।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি মুহুরী নদীর ভাঙনের ফলে জেগে ওঠা একটি চর।
  • আলোচনার কারণ: এর মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ রয়েছে।
 গোমতী
 জিঞ্জিরাম
 নাফ
 কর্ণফুলী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের (পূর্বের বার্মা) সীমান্তবর্তী প্রধান নদী হলো নাফ নদী

নাফ নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা এবং মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এটি দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমানার একটি অংশ হিসেবে কাজ করে।

এছাড়াও, কিছু ছোট নদী বা ছড়া এই সীমান্ত বরাবর রয়েছে, তবে নাফ নদীই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সীমান্তবর্তী নদী।

 নিঝুম দ্বীপ
 সন্দ্বীপ
 দক্ষিণ তালপট্টি
 কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যাঃ

পূর্বাশা দ্বীপ হলো বঙ্গোপসাগরের একটি ছোট দ্বীপ। এটি দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নামেও পরিচিত। এর অবস্থান ছিল ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে, সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়।

তবে, বর্তমানে এই দ্বীপটির কোনো অস্তিত্ব নেই। ১৯৯৬ সালের ঘূর্ণিঝড়ে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এটি পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে গেছে।

 ভোলা
 নোয়াখালী
 চট্টগ্রাম
 কক্সবাজার
ব্যাখ্যাঃ

সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত।

এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর প্রধান আকর্ষণ হলো এখানকার স্বচ্ছ নীল জল, চারপাশের প্রবাল পাথরের সারি, এবং নারকেল গাছের বন।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের মোট আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। এই দ্বীপটি তিনটি অংশে বিভক্ত:

  • উত্তর অংশ: যাকে বলা হয় উত্তর পাড়া।
  • দক্ষিণ অংশ: যাকে বলা হয় দক্ষিণ পাড়া বা ছেঁড়াদ্বীপ।
  • মধ্যভাগ: যেখানে স্থানীয়রা বসবাস করে এবং পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।

এখানে জীববৈচিত্র্য অনেক সমৃদ্ধ। বিভিন্ন ধরনের মাছ, সামুদ্রিক শৈবাল, এবং কচ্ছপের দেখা মেলে। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্যের কারণে এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত এলাকা হিসেবে বিবেচিত।

 করিমগঞ্জ
 খোয়াই
 পেট্রাপোল
 ডাউকি
ব্যাখ্যাঃ

তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের ডাউকি শহরটি অবস্থিত। এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম জৈন্তিয়া পাহাড় জেলায় অবস্থিত।

 পঞ্চগড়
 সাতক্ষীরা
 হবিগঞ্জ
 কক্সবাজার
ব্যাখ্যাঃ

কক্সবাজার জেলাটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মধ্যে অবস্থিত নয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর সীমান্ত রয়েছে মিয়ানমারের সাথে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:

  • পঞ্চগড়: এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা।
  • সাতক্ষীরা: এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা।
  • হবিগঞ্জ: এটি ভারতের ত্রিপুরার সাথে সীমান্তবর্তী জেলা।
 টেকনাফ
 কক্সবাজার
 পটুয়াখালী
 খুলনা
ব্যাখ্যাঃ

কুয়াকাটা বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত, যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত গভীরভাবে অবলোকন করা যায়। সমুদ্র সৈকতটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলি ইউনিয়নের অন্তর্গত। কুয়াকাটা স্থানীয়ভাবে ‘সাগরকন্যা’ নামে পরিচিত।

 সেন্টমার্টিন
 সাতগ্রাম
 মুজিবনগর
 চৌদ্দগ্রাম
ব্যাখ্যাঃ

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। টেকনাফ থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।

 ৩টি
 ৫টি
 ৭টি
 ৯টি
ব্যাখ্যাঃ

আশির দশকের প্রথমদিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ৩টি স্বতন্ত্র জেলায় বিভক্ত করা হয়। জেলাগুলো হচ্ছে- ১. রাঙামাটি, ২. খাগড়াছড়ি, ৩. বান্দরবান।

 পদ্মা
 যমুনা
 নাফ
 কর্ণফুলী
ব্যাখ্যাঃ

নাফ নদীর তীরে অবস্থিত টেকনাফ কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে এ উপজেলাটির অবস্থান। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশকে (কক্সবাজার) পৃথক করেছে এ নদীটি। এ নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬ কিমি।

 নাফ
 তেতুলিয়া
 আড়িয়াল খাঁ
 হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যাঃ

দক্ষিণ তালপট্টি একটি দ্বীপ। এ দ্বীপটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। দ্বীপটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে এটি বিলুপ্ত।

 ৮
 ১০
 ১২
 ১৪
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটির স্থানীয় নাম ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’। এর অবস্থান-টেকনাফ, কক্সবাজার (নাফ নদীর মোহনায়)।

 রূপসা
 বালেশ্বর
 হাড়িয়াভাঙ্গা
 ভৈরব
ব্যাখ্যাঃ
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
  • অবস্থান: হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়।
  • বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
  • ভারত এ দ্বীপের নাম দিয়েছে- পূর্বাশা বা নিউমুর।
  • বর্তমানে এটি ভারতের নিয়ন্ত্রণাধীন।
 বান্দরবান
 চাঁপাইনবাবগঞ্জ
 পঞ্চগড়
 দিনাজপুর
ব্যাখ্যাঃ

বান্দরবানের সাথে ভারতের সংযোগ নেই। বান্দরবানের সংযোগ আছে মিয়ানমারের সাথে। বান্দরবান ছাড়া মিয়ানমারের সাথে আরো সংযোগ আছে কক্সবাজার জেলার। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশর সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি। উল্লেখ্য, রাঙ্গামাটিই একমাত্র জেলা, যার সাথে উভয় দেশের সীমান্ত সংযুক্ত রয়েছে।

 ২৮
 ৩০
 ৩১
 ৩৫
ব্যাখ্যাঃ

ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে এমন ৩০টি জেলার তালিকা নিচে দেওয়া হলো। এই জেলাগুলি বাংলাদেশের ৬টি বিভাগে বিভক্ত:

রংপুর বিভাগ:

১. পঞ্চগড় ২. ঠাকুরগাঁও ৩. দিনাজপুর ৪. নীলফামারী ৫. লালমনিরহাট ৬. কুড়িগ্রাম

রাজশাহী বিভাগ:

৭. জয়পুরহাট ৮. নওগাঁ ৯. চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১০. রাজশাহী ১১. নাটোর

খুলনা বিভাগ:

১২. মেহেরপুর ১৩. কুষ্টিয়া ১৪. চুয়াডাঙ্গা ১৫. ঝিনাইদহ ১৬. যশোর ১৭. সাতক্ষীরা

সিলেট বিভাগ:

১৮. সুনামগঞ্জ ১৯. সিলেট ২০. মৌলভীবাজার ২১. হবিগঞ্জ

ময়মনসিংহ বিভাগ:

২২. শেরপুর ২৩. ময়মনসিংহ ২৪. নেত্রকোনা

চট্টগ্রাম বিভাগ:

২৫. ফেনী ২৬. চট্টগ্রাম ২৭. রাঙ্গামাটি ২৮. বান্দরবান ২৯. খাগড়াছড়ি ৩০. কক্সবাজার

এই জেলাগুলি বাংলাদেশের উত্তর, পশ্চিম, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে ভারতের সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি জেলার সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, যাতায়াত এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে।

 কুতুবদিয়া
 সোনাদিয়া
 সন্দ্বীপ
 পূর্বাশা
ব্যাখ্যাঃ

সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত। ভারতের নিকট এটি পূর্বাশা বা নিউমুর নামে পরিচিত। দ্বীপটি ২০১০ সালে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার বর্তমানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।

 রাঙ্গামাটি
 খাগড়াছড়ি
 বান্দরবান
 সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ

হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি উপত্যকা। এছাড়া কাপ্তাই থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকাকে বলা হয় ভেঙ্গিভ্যালি। শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার এলাকায় বালিশিরা ভ্যালি অবস্থিত। এছাড়াও চট্টগ্রামে অবস্থিত সাঙ্গু ভ্যালি।

 দিনাজপুর
 ঠাকুরগাঁ
 লালমনিরহাট
 পঞ্চগড়
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় ও উপজেলা তেঁতুলিয়া । সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার ও উপজেলা টেকনাফ। সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান ও উপজেলা থানচি এবং সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও উপজেলা শিবগঞ্জ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা (পঞ্চগড়)।

 আড়িয়াল খাঁ
 সুরমা
 চন্দনা
 রূপসা
ব্যাখ্যাঃ

আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে মাদারীপুর, সুরমা নদীর তীরে সিলেট ও সুনামগঞ্জ, চন্দনা নদীর তীরে ফরিদপুর এবং রূপসা নদীর তীরে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা অবস্থিত।

 নীলফামারী
 কুড়িগ্রাম
 লালমনিরহাট
 দিনাজপুর
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭২ সালে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি অনুযায়ী দহগ্রাম আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার একটি ছিটমহলে পরিণত হয়। এটি ২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময়ের আওতা বহির্ভূত।

 ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন
 ট্রপিক অব ক্যানসার
 ইকুয়েটর
 আর্কটিক সার্কেল
ব্যাখ্যাঃ

ট্রপিক অব ক্যানসার বাংলা প্রতিশব্দ হলো কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন হলো মকরক্রান্তি রেখা। কর্কটক্রান্তি রেখা উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫০ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে চলে গেছে।

 পলল গঠিত সমভূমি
 বরেন্দ্রভূমি
 চলনবিল
 পাহাড়পুর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরের লালমাটি সমৃদ্ধ অঞ্চলকে বরেন্দ্রভূমি বলা হয়। বৃহত্তর বগুড়া ও বৃহত্তর রাজশাহী জেলা এবং দিনাজপুরের দক্ষিণাংশ ও গাইবান্ধার পশ্চিম-দক্ষিণাংশ এর আওতায় পড়েছে।

 প্লাইস্টোসিন যুগের
 টারশিয়ারী যুগের
 মায়োসিন যুগের
 ডেবোনিয়াস যুগের
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রায় দুই তৃতীয়াংশই গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র -মেঘনা নদীদ্বারা বাহিত পলিমাটির সাহায্যে গঠিত সমতলভূমি দিয়ে আবৃত। কেবল পূর্বদিকে সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, এলাকার পূর্বাংশ বরাবর পাহাড় শ্রেণি উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত। বাংলাদেশে বৃহত্তর বেঙ্গল বেসিন ( Bengal Basin)-এ অবস্থিত। বেঙ্গল বেসিন পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ থেকে পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং উত্তরে শিলং মালভূমির পাদদেশ থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর বরাবর বিস্তৃত। এ বেসিন মূলত টারশিয়ারি যুগের শিলাস্তর দিয়ে পরিপূর্ণ । তবে উত্তরবঙ্গে ভূগর্ভে অতি প্রাচীন পারসিয়ান যুগের শিলাস্তর বিদ্যমান।

 তেঁতুলিয়া
 পঞ্চগড়
 বাংলাবান্ধা
 নকশালবাড়ি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত বাংলাবান্ধা পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের সর্বউত্তরের স্থানের নাম জায়গীরজোত। বর্তমানে এটি একটি স্থলবন্দর।

 একটি খেলার মাঠ
 একটি প্লাবন ভূমির নাম
 বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
 ঢাকা সেনানিবাসের পোলো গ্রাউন্ডের নাম
ব্যাখ্যাঃ

‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ বঙ্গোপসাগরের সর্বনিম্ন খাদের নাম। এর সর্বোচ্চ গভীরতা ১,২০০ মিটার প্রায় । সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০-৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে এই খাদের অবস্থান। এখানে প্রচুর মাছ ও ডলফিন পাওয়া যায় । সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের অন্য নাম গঙ্গাখাত।

 রাজ কাঁকড়া
 গন্ডার
 পিপীলিকাভুক্ত ম্যানিস
 স্নো লোরিস
ব্যাখ্যাঃ

জীবন্ত ফসিল হলো এমন কতগুলো জীব, দূর অতীতে জন্ম হলেও যাদের বংশধরেরা আজও পৃথিবীতে বেঁচে আছে। অথচ এদের সমসাময়িক ও সমগোত্রীয় সকল প্রাণীই বহু পূর্বে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে। বিবর্তনের ইতিহাসে এদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কোনো পরিবর্তন হয়নি। যেমন– ‘প্লাটিপাস’, মাছের মধ্যে ‘সিলাকান্হ’, সরীসৃপেদের মধ্যে ‘স্কেনোডন’, উদ্ভিদ শ্রেণির মধ্যে ডিঙ্গো বাইলোবা ইত্যাদি। বাংলাদেশের জীবন্ত ফসিলের উদাহরণ হচ্ছে ‘রাজ কাঁকড়া’।

 নোয়াখালী ছাগলনাইয়া
 চট্রগ্রামের বাঁশখালি
 খুলনার মংলা
 পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
ব্যাখ্যাঃ

১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। এ সমুদ্র সৈকতের পাশ দিয়েই ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিশ্বের বৃহত্তম মেরিন ড্রাইভ তৈরি করা হয়েছে। সাগরকন্যা হিসেবে খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালি জেলায় অবস্থিত। ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখা যায়।

 মারিস্যা ভ্যালি
 খাগড়া ভ্যালি
 জাবরী ভ্যালি
 ভেঙ্গী ভ্যালি
ব্যাখ্যাঃ
ভ্যালি বা উপত্যকা অবস্থান
হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়ি
বালিশিরা ভ্যালি মৌলভীবাজার
নাপিতখালি ভ্যালি কক্সবাজার
সাঙ্গু ভ্যালি চট্টগ্রাম
মাইনমুখী ভ্যালি রাঙামাটি
সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি
ভেঙ্গী ভ্যালি কাপ্তাই লেক
 নেপাল ও ভুটান
 পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
 পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
 পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের লাগা উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম অবস্থিত। এছাড়াও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

 দিনাজপুর
 পঞ্চগড়
 জয়পুরহাট
 লালমনিরহাট
ব্যাখ্যাঃ

পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া বাংলাদেশের সর্বউত্তরের উপজেলা। বাংলাদেশের সর্বউত্তরের ইউনিয়ন বাংলাবান্ধা ও স্থান জায়গীরজোত।

 চট্টগ্রাম
 খুলনা
 কক্সবাজার
 রাজশাহী
ব্যাখ্যাঃ

কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত হিমছড়ি হচ্ছে বাংলাদেশের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অন্যতম লীলাভূমি। হিমছড়ি পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত।

 পঞ্চগড়
 ঠাকুরগাঁও
 দিনাজপুর
 লালমনিরহাট
ব্যাখ্যাঃ
জেলা উপজেলা স্থান
সর্ব উত্তরের পঞ্চগড় তেতুঁলিয়া বাংলাবান্ধা
সর্ব দক্ষিণের কক্সবাজার টেকনাফ ছেঁড়াদ্বীপ
সর্ব পূর্বের বান্দরবান থানচি আখাইনঠং
সর্ব পশ্চিমের চাপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জ মনাকশা
 লুসাই
 গারো
 কেওক্রাডং
 জয়ন্তিকা
ব্যাখ্যাঃ

সমুদ্র সমতল থেকে সাধারণত ৬০০-১০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তুপকে পাহাড় এবং ১০০০ মিটারের অধিক উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় চূড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত গারো পাহাড় এবং এটি টারশিয়ারি যুগে সৃষ্টি। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয় এর উচ্চতা ১২৩১ মিটার। কেওক্রাডং বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা ১২৩০ মিটার। দুটিই বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।

 রাজশাহী জেলায়
 রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায়
 পাবনা ও নাটোর জেলায়
 নাটোর ও নওগাঁ জেলায়
ব্যাখ্যাঃ

চলন বিল পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল। চলন বিলের মধ্য দিয়ে আত্রাই নদী প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের মিঠাপানির মাছের প্রধান উৎস চলনবিল। বর্তমানে এ বিলের মধ্য দিয়ে নাটোর-সিরাজগঞ্জ সংযোগ সড়ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 কুড়িগ্রাম
 নীলফামারী
 ঠাকুরগাঁও
 লালমনিরহাট
ব্যাখ্যাঃ

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে দহগ্রামের অবস্থান লালমনিরহাট জেলায়। কিন্তু ভৌগোলিকভাবে ভারতের কোচবিহার জেলায় অবস্থিত। যাতায়াতের জন্য করিডোর ব্যবস্থা চালু থাকায় ১ আগস্ট, ২০১৫ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহলের বিনিময় হলেও দহগ্রামের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

 সিলেটের বনভূমি
 পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
 ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
 খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
ব্যাখ্যাঃ

ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। এ বনে প্রচুর শালগাছ রয়েছে। উল্লেখ্য, অঞ্চল হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি চট্টগ্রাম-রাঙামাটি বনভূমি এবং একক হিসেবে বৃহত্তম সুন্দরবন।

 মালদ্বীপ
 সন্দ্বীপ
 বরিশাল
 হাতিয়া
ব্যাখ্যাঃ

রামপাল তাম্রশাসনে ত্রৈলোক্য চন্দ্রের শাসনাধীন ভূখণ্ড রূপে চন্দ্রদ্বীপের উল্লেখ রয়েছে। মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ ছিল বর্তমান বরিশাল জেলার অংশবিশেষের মাঝে সীমাবদ্ধ একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। প্রাচীনকালে বরিশাল চন্দ্রদ্বীপ ও বাকলা ছাড়াও ইসমাইলপুর এবং পোর্টগ্রান্ডে নামেও পরিচিত ছিল।

 নিঝুম দ্বীপ
 সেন্টমার্টিন দ্বীপ
 দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
 দিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যাঃ

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণে সীমান্ত নদী হাড়িয়াভাঙ্গা ও রায়মঙ্গল নদীর মোহনায় অবস্থিত। এ দ্বীপটি বাংলাদেশের সীমানায় অবস্থিত হলেও ভারত এ দ্বীপের মালিকানা দাবি করে। ভারত এ দ্বীপের নাম দিয়েছে পূর্বাশা বা নিউমুর। বর্তমানে এ দ্বীপটির অস্তিত্ব নেই।

 পাথরচাওলি
 হাইল
 চলনবিল
 হাকালুকি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাওড় হাকালুকি। সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ, বিয়ানিবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা, কুলাউড়া প্রভৃতি উপজেলা নিয়ে এ হাওড়ের বিস্তৃতি।

৬৬. বুড়িগঙ্গা নদীর বাম তীরে অবস্থিত?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 সদরঘাট
 জিঞ্জিরা
 চাঁদপুর
 শরীয়তপুর

৬৭. বাংলাদেশের যে দ্বীপে পাহাড় আছে?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 সেন্টমার্টিন
 হাতিয়া
 মহেশখালী
 ভোলা

৬৮. কোনটি আন্তর্জাতিক নদী?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 সুরমা
 কপোতাক্ষ
 ব্রহ্মপুত্র
 মেঘনা

৬৯. বরেন্দ্র ভূমি হলো?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৭-০১-২০১১ ]

 সাম্প্রতিককালে প্লাবন সমভূমি
 টারশিয়ারী যুগের পাহাড়
 প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
 পাদদেশীয় পলল সমভূমি

৭০. পদ্মা নদীর শাখা নদী কোনটি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]

 মাথাভাঙ্গা
 ধলেশ্বরী
 গোমতী
 সুরমা

৭১. শ্রোতজ বনভূমির বৃক্ষ কোনটি?

[ সর. মা. বি. সহ. শি. নি. ০৯-১০-২০০৯ ]

 হিজল
 ময়না
 চাপালিকা
 পশুর
 ২,,৮৫৭ কিমি
 ২,৭৩৩ কিমি
 ২,৭০৮ কিমি
 ২,৫০৬ কিমি
 মারিস্যা ভ্যালী
 খাগড়া ভ্যালী
 জাবরী ভ্যালী
 ভেঙ্গী ভ্যালী

৭৪. ধলেশ্বরী নদীর শাখানদী কোনটি?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

 শীতলক্ষ্যা
 বুড়িগঙ্গা
 ধরলা
 বংশী

৭৫. বরেন্দ্রভূমি বলা হয় -

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১৩-০১-২০১০ ]

 ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে
 শালবন বিহারকে
 মধুপুর ও ভালয়ালের গড়কে
 রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
 কুশিয়ারা
 বরাক
 মেঘনা
 নবগঙ্গা
 সুইজারল্যান্ড
 নেদারল্যান্ড
 আয়ারল্যান্ড
 ফিনল্যান্ড