প্রশ্নঃ উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যায় কিসের অভাবে?
[ বিসিএস ২৮তম ]
উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ বলা হয়। নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘ টে, ফলে উদ্ভিদের পাতা হলদে হয়ে যায়। ইউরিয়া সারের ভিতর নাইট্রোজেন বিদ্যমান। এজন্য নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করতে গাছের গোড়ায় ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়। অপরদিকে, ফসফরাসের (P) অভাব হলে পাতা বেগুনি রং ধারণ করে। আবার পটাসিয়ামের (K) অভাবে পাতার শীর্ষ ও কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
প্রশ্নঃ গাছের খাদ্য তালিকায় আছে?
[ বিসিএস ২৭তম ]
উদ্ভিদের সার্বিক বৃদ্ধির প্রয়োজনে দশটি খনিজ উপাদান বিশেষ দরকারি। এগুলো হচ্ছে -কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca), সালফার (S), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) এবং লোহা (Fe)। উপরোক্ত প্রশ্নের (ক) তালিকায় সবগুলোই এই দশ প্রকার খনিজের মধ্যে রয়েছে। সুতরাং সঠিক উত্তর (ক)।
প্রশ্নঃ সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়-
[ বিসিএস ২৬তম ]
বর্ণালীবিক্ষণ যন্ত্র (Spectroscope)-এর সাহায্যে জানা গেছে যে, দৃশ্যমান বর্ণচ্ছটার মধ্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় লাল আলোই সর্বাপেক্ষা কর্মক্ষম। নীল আলো তুলনামূলকভাবে কম কর্মক্ষম। বেগুনী আলোয় আরও কম সালোকসংশ্লেষণ হয়। সূর্যালোকে সবুজ আলো শোষিত না হওয়ায় সবুজ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ একেবারেই হয় না। সালোক সংশ্লেষণে বিভিন্ন আলোর কার্যকারিতা তাদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে।
প্রশ্নঃ ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে–
[ বিসিএস ১১তম ]
ধান বায়ুপরাগী উদ্ভীদ। দিনের প্রথম ভাগে ধানের স্পাইকলেট উন্মুক্ত হয়। এ অবস্থায় পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডের উপর ঝরে পড়ে এবং প্রকৃতিগতভাবেই পরাগায়ন ঘটে।