আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 ঢাকা
 চট্টগ্রাম
 কুমিল্লা
 খুলনা
ব্যাখ্যাঃ

‘গণহত্যা যাদুঘর’ খুলনা শহরে অবস্থিত।

এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও নির্যাতনের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 কবি
 নাট্যকার
 কণ্ঠশিল্পী
 ভাস্কর
ব্যাখ্যাঃ

নভেরা আহমেদ ছিলেন একজন বিখ্যাত ভাস্কর (Sculptor)

তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের একজন অগ্রণী শিল্পী হিসেবে পরিচিত। তার কাজগুলোতে বিমূর্ততা এবং আধুনিকতার সুস্পষ্ট প্রভাব দেখা যায়। নভেরা আহমেদ বাংলাদেশের ভাস্কর্যকে নতুন পথে চালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

 তুলা
 তামাক
 পেয়ারা
 তরমুজ
ব্যাখ্যাঃ

‘ম্যানিলা’ তামাক ফসলের একটি উন্নত জাত। এটি মূলত ফিলিপাইনের ম্যানিলা অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত এবং উন্নত মানের তামাক উৎপাদনের জন্য পরিচিত।

 হামিদুজ্জামান খান
 রবিউল হোসাইন
 আব্দুর রাজ্জাক
 নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যাঃ

সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিস্তম্ভ। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার সবুজ চত্বরে অবস্থিত।

ভাস্কর্যের তাৎপর্য:

এই ভাস্কর্যটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতীক। এটিতে দু'জন মুক্তিযোদ্ধাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে:

  • একজন রাইফেল হাতে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছেন, যা যুদ্ধের গতি ও স্পৃহাকে বোঝায়।
  • অন্যজন রাইফেল ধরে উল্লাসে মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে তুলেছেন, যা বিজয়ের আনন্দ ও দৃঢ়তাকে প্রকাশ করে।

ভাস্কর্যটিতে গ্রামীণ ও শহুরে যুবকের সমন্বয় দেখানো হয়েছে, যা মুক্তিযুদ্ধে সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণের প্রতীক। এর পেছনের ৩৬ ফুট উঁচু স্তম্ভটি স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকার প্রতীক। ভাস্কর্যের বেদীতে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কবিতা "সাবাস বাংলাদেশ" এর চরণ উৎকীর্ণ রয়েছে:

"সাবাস বাংলাদেশ এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।"

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন এবং অনেকেই শহীদ হয়েছিলেন। তাদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতাকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সাবাস বাংলাদেশ শুধু একটি ভাস্কর্য নয়, এটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা ও অদম্য স্পৃহার প্রতীক, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথাকে বহন করে চলেছে।

 জয়নুল আবেদিন
 কামরুল হাসান
 এস এম সুলতান
 রফিকুন নবী
ব্যাখ্যাঃ

বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিন কন্যা' এর চিত্রকর হলেন কামরুল হাসান

এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় কাজ।

 টিএসসি মোড়ে
 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
 রেসকোর্স ময়দানে
 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যাঃ

‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অবস্থিত। এটি দেশের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে একটি।

এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন প্রখ্যাত ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু। এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের বিজয়কে স্মরণ করে নির্মিত হয়েছে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • ভাস্কর: নিতুন কুণ্ডু
  • অবস্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • উদ্বোধন: ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি।
  • বিষয়বস্তু: এটি দুইজন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিকৃতি, যারা যুদ্ধের সময় সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করছেন। তাদের একজন রাইফেল হাতে ও অন্যজন বিজয়ের পতাকা ধরে আছেন।

এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের এক শক্তিশালী প্রতীক।

 ঢাকায়
 ময়মনসিংহে
 চট্টগ্রামে
 নড়াইলে
ব্যাখ্যাঃ

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালাটি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত। এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা নামে পরিচিত।

এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত একটি দোতলা ভবনে স্থাপিত। এখানে জয়নুল আবেদিনের আঁকা বিভিন্ন চিত্রকর্ম, যেমন তাঁর বিখ্যাত দুর্ভিক্ষ সিরিজের ছবি, 'গুণটানা' এবং 'নদী পারাপারের অপেক্ষায় পিতা-পুত্র' - এর মতো উল্লেখযোগ্য কাজগুলো সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও তাঁর ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং কিছু স্থিরচিত্রও এখানে দেখা যায়।

এই সংগ্রহশালাটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হয়।

 ময়নামতি
 সোনারগাঁ
 ঢাকা
 পাহাড়পুর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ (নক্‌শী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন’ জাদুঘর করা হয়েছে।

 হামিদুর রহমান
 মৃণাল হক
 শামিম শিকদার
 নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যাঃ

'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। তার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম হচ্ছে মতিঝিল বিমান অফিসের সামনের 'বলাকা' এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের 'গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার'।

 বিজয়স্তম্ভ
 বিজয়কেতন
 স্বাধীনতা সোপান
 রক্ত সোপান
ব্যাখ্যাঃ

রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান। এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

 হামিদুজ্জামান
 নিতুন কুণ্ডু
 মৃণাল হক
 শামিম শিকদার
ব্যাখ্যাঃ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার সবুজ চত্বরে মুক্তাঙ্গনের উত্তর পার্শ্বে ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি অবস্থিত। এর স্থপতি নিতুন কুণ্ডু। নিতুন কুণ্ডুর অন্যান্য ভাস্কর্যের মধ্যে রয়েছে -সার্ক ফোয়ারা (কারওয়ান বাজার), কদমফুল ফোয়ারা (জাতীয় ঈদগাহ ময়দান), সাম্পান (চট্টগ্রাম বিমানবন্দর) ইত্যাদি।

 জয়পুরহাট
 কুমিল্লা
 রাঙ্গামাটি
 দিনাজপুর
ব্যাখ্যাঃ

দিনাজপুর শহরের ১২ মাইল উত্তরে কান্তানগরে কান্তজীর মন্দির অবস্থিত। উল্লেখ্য, কুমিল্লা জেলার ঐতিহাসিক নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে ময়নামতি, আনন্দ বিহার, শালবন বিহার ইত্যাদি।

১৩. ‘মনপুরা-৭০’ কি?

[ বিসিএস ২৬তম | ১৫তম শি. নিবন্ধন (স্কুল সমপর্যায়) ]

 একটি উপজেলা
 একটি নদীবন্দর
 একটি উপন্যাস
 একটি চিত্রশিল্প
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭০ সালের ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের প্রেক্ষাপট নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম হলো ‘মনপুরা-৭০’।

১৪. প্রাচীন ‘পুণ্ড্রনগর’ কোথায় অবস্থিত?

[ বিসিএস ২৫তম | রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১২-১২-২০১১ ]

 ময়নামতি
 বিক্রমপুর
 মহাস্থানগড়
 পাহাড়পুর
ব্যাখ্যাঃ

বগুড়ার মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন বৃহৎ নগর পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এ নগর সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেন। এখানে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে উৎকীর্ণ শিলালিপি থেকে এ সভ্যতার উৎপত্তির সত্যতা প্রমাণিত হয়। অন্যদিকে, কুমিল্লা জেলার অদূরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান ময়নামতি। আর ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিশালায়তনের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হলো পাহাড়পুর (সোমপুর বিহার)। নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এই বৌদ্ধ বিহার রাজা ধর্মপাল এর সময়ে নির্মিত হয়।

 জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
 জাতীয় জাদুঘর
 বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
 ঢাকা নগর জাদুঘর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর। এটি এপ্রিল ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় জাদুঘর ৭ আগস্ট ১৯১৩ সালে ঢাকার শাহবাগে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন এর নাম ছিল ঢাকা জাদুঘর যা ১৯৮৩ সালে জাতীয় জাদুঘর নামকরণ করা হয়।

 ময়নামতি
 সোনারগাঁও
 ঢাকা
 পাহাড়পুর
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের অধীনে ‘লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ এবং ‘শিল্পচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ নামে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দুটি জাদুঘর রয়েছে।

 বর্ধমান হাউজ
 বাংলা ভবন
 আহসান মঞ্জিল
 চামেলী হাউজ
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা একাডেমি ভবনের পূর্বনাম বর্ধমান হাউস। বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম মহাপরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম মহাপরিচালক ড. মযহারুল ইসলাম।

 রাজশাহী
 নওগাঁ
 বগুড়া
 নাটোর
ব্যাখ্যাঃ

নাটোর জেলা শহর থেকে ২.৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি আঠারো শতকে নির্মিত হয়। নাটোরের রানী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘উত্তরা গণভবন’।

 আশি
 একাশি
 ষাট
 চৌষট্টি
ব্যাখ্যাঃ

বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত। খান জাহান আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়। বাংলাদেশের প্রাচীন আমলের মসজিদগুলোর মধ্যে এটি বৃহত্তম। ‘ষাটগম্বুজ’ নাম হলেও এ মসজিদের গম্বুজসংখ্যা ৮১টি। ওপরে ৭৭টি এবং চারকোণে ৪টি।

 ময়মনসিংহে
 বগুড়ায়
 সোনারগাঁওয়ে
 রাঙামাটিতে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ- নক্‌শী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন’ জাদুঘর করা হয়েছে।

 চকবাজার
 সদরঘাট
 লালবাগ
 ইসলামপুর
ব্যাখ্যাঃ

১৬৬৪ সালে বাংলার সুবাদার শাহ মুহাম্মদ সুজা বড় কাটরা নামে ঐতিহাসিক অট্টালিকা নির্মাণ করেন ঢাকার চকবাজারে। সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৩-৬৪ সালে নিজের বসবাস ও সুবাদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাকার চকবাজারে ছোট কাটরা নির্মাণ করেন।

২২. লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?

[ বিসিএস ১৬তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ২৬-০২-২০১২ | প্রা. বি. স. শি. নি. ০২-০৯-২০০৭ ]

 শায়েস্তা খান
 শাহ সুজা
 টিপু সুলতান
 ইসলাম খান
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থানগুলোর অন্যতম হলো লালবাগ দুর্গ। এর পূর্বনাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ। সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র সুবাদার শাহাজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৮২ সালে তা সম্পন্ন করেন।

 চট্টগ্রাম
 সিলেট
 ঢাকা
 রাজশাহী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। শাহজালাল ও তার সফরসঙ্গী ৩৬০ জন আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তাদের কারণেই সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। চট্টগ্রামকে বলা হয় ১২ আউলিয়ার দেশ। চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের প্রবেশদ্বারও বলা হয়। ঢাকাকে বলা হয় মসজিদের শহর এবং রিকশার নগরী।

 ঢাকা
 ময়নামতি
 রাজশাহী
 সোনারগাঁও
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ- নক্শী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন’ জাদুঘর করা হয়েছে।

২৫. প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?

[ বিসিএস ১৩তম | প্রা. প্র. শি. নি.১১-১০-২০১২ ]

 ময়নামতি
 বিক্রমপুর
 মহাস্থানগড়
 পাহাড়পুর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন শহর হলো পুণ্ড্রবর্ধন। আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এটি ছিল অত্র অঞ্চলের বিখ্যাত শহর ও বাণিজ্য কেন্দ্র। ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার ক্যানিংহাম এ নগর সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেন। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। বর্তমান বগুড়া শহর থেকে ১০ কিমি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে এর অবস্থান।

 শীতলক্ষ্যা
 বুড়িগঙ্গা
 মেঘনা
 তুরাগ
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা শহরকে রক্ষা করার জন্য সদরঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে যে বাঁধ নির্মাণ করা হয় তাই ‘বাকল্যান্ড বাঁধ’ নামে পরিচিত।

 শায়েস্তা খান
 নবাব সলিমুল্লাহ
 মির্জা আহমেদ জান
 মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যাঃ

পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় তারা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটি নির্মাণ করেন মির্জা আহমেদ জান বা মির্জা গোলাম পীর। পরবর্তী ১৯২৬ সালে আলীজান বেপারী নামক একজন ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। আলীজান বেপারী বহু অর্থ ব্যয়ে মসজিদটিকে অলঙ্কৃত করেন, বিশেষ করে সমস্ত মসজিদটি তারকাখঁচিত করেন। এ কারণে এর বর্তমান নাম তারা মসজিদ।

 ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা
 বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা
 ঢাকা-আরিচা রোড যানবাহন চলাচলের চাপ কমানো
 দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
ব্যাখ্যাঃ

এটি বুড়িগঙ্গা নদীর উপর ঢাকার পোস্তগোলা নামক স্থানে নির্মিত হয়েছে। এটিই প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতু। সেতুর দৈর্ঘ্য ৭৮০ মিটার। তবে দ্বিতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু নির্মিত হয় ঢাকার বাবুবাজারে এবং এ সেতুর মাধ্যমে কেরানীগঞ্জের সাথে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৭২৫ মিটার।

২৯. মিশুকের স্থপতি কে?

[ বিসিএস ১১তম ]

 মুস্তফা মনোয়ার
 হামিদুর রহমান
 শামীম শিকদার
 হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যাঃ

এটি ঢাকার শাহবাগে শিশু পার্কের সামনে অবস্থিত। সাফ গেমসের মাসকট হিসেবে শিল্পী মুস্তফা মনোয়ার মিশুক তৈরি করেন। এটি মূলত হরিণ শাবকের ভাস্কর্য।

৩০. মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

[ বিসিএস ১১তম | প্রা. বি. স. শি. নি. ০৯-০১-২০১০ ]

 করতোয়া
 গঙ্গা
 ব্রহ্মপুত্র
 মহানন্দা
ব্যাখ্যাঃ

বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়, যা একসময় মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজাদের রাজধানী ছিল। তখন এর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।

 চট্টগ্রামে
 বগুড়ায়
 সোনারগাঁওয়ে
 রামপালে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ (নক্‌শী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন’ জাদুঘর করা হয়েছে।

 শায়েস্তা খান
 নওয়াব সলিমুল্লাহ
 মির্জা আহমেদ জান
 খান সাহেব আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যাঃ

পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় তারা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটি নির্মাণ করেন মির্জা আহমেদ জান বা মির্জা গোলাম পীর। পরবর্তী ১৯২৬ সালে আলীজান বেপারী নামক একজন ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। আলীজান বেপারী বহু অর্থ ব্যয়ে মসজিদটিকে অলঙ্কৃত করেন, বিশেষ করে সমস্ত মসজিদটি তারকাখঁচিত করেন। এ কারণে এর বর্তমান নাম তারা মসজিদ।

 শামীম সিকদার
 সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
 হামিদুজ্জামান খান
 আবদুস সুলতান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকের পার্কে হামিদুজ্জামান খানের ‘স্টেপস্’ ভাস্কর্যটি স্থান পেয়েছিল। হামিদুজ্জামান খানের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য হলো ‘সংশপ্তক’ (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), ‘স্বাধীনতা’ (কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা) এবং ‘ক্যাম্পাস’ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।