আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
খ. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
গ. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
ঘ. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
উত্তরঃ ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যাঃ

মাউন্ট এভারেস্ট ভারতীয় (Indian Plate) এবং ইউরেশীয় (Eurasian Plate) এই দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর অবস্থিত। এই দুটি প্লেটের সংঘর্ষের ফলেই হিমালয় পর্বতমালা এবং মাউন্ট এভারেস্টের সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় প্লেটটি ইউরেশীয় প্লেটের দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়ার কারণে আজও মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা সামান্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ক. আগ্নেয় শিলা
খ. রূপান্তরিত শিলা
গ. পাললিক শিলা
ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তরঃ পাললিক শিলা
ব্যাখ্যাঃ

জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি পাললিক শিলায় (Sedimentary rocks)।

এর প্রধান কারণগুলো হলো:

  • গঠন প্রক্রিয়া: পাললিক শিলা গঠিত হয় মূলত পানির নিচে পলি, বালি, কাদা, মৃত জীবজন্তুর দেহাবশেষ এবং উদ্ভিদের অংশ স্তরে স্তরে জমা হওয়ার মাধ্যমে। সময়ের সাথে সাথে এই স্তরগুলো চাপের ফলে জমাট বেঁধে শিলায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা উদ্ভিদের অংশ চাপা পড়ে জীবাশ্মে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগ পায়।

  • কম তাপ ও চাপ: আগ্নেয় শিলা (Igneous rocks) গঠিত হয় গলিত ম্যাগমা বা লাভা ঠান্ডা ও জমাট বাঁধার মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়ায় অত্যাধিক তাপমাত্রার কারণে কোনো জীবজন্তু বা উদ্ভিদের দেহাবশেষ টিকে থাকতে পারে না। অন্যদিকে, রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic rocks) উচ্চ তাপ ও চাপের প্রভাবে গঠিত হয়, যা জীবাশ্মকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে বা বিকৃত করে ফেলতে পারে।

তাই, জীবাশ্ম অনুসন্ধানের জন্য পাললিক শিলাস্তর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেলেপাথর (Sandstone), কাদাপাথর (Shale), চুনাপাথর (Limestone) ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ এবং এগুলোতে জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ক. রূপান্তরিত শিলা
খ. আগ্নেয় শিলা
গ. পাললিক শিলা
ঘ. মিশ্র শিলা
উত্তরঃ রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যাঃ

মার্বেল হলো এক প্রকার রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic rock)। এটি মূলত চুনাপাথর (Limestone) বা ডলোমাইট (Dolomite) নামক পাললিক শিলা (Sedimentary rock) তাপ ও চাপের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে মার্বেলে রূপান্তরিত হয়। এই পরিবর্তনের সময় চুনাপাথরের প্রধান খনিজ ক্যালসাইট (Calcite) পুনর্বিন্যাসিত হয়ে একটি স্ফটিকাকার গঠন তৈরি করে, যা মার্বেলকে তার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ চেহারা ও মসৃণতা দান করে।

রূপান্তরের সময় অন্যান্য খনিজ পদার্থও মার্বেলের সাথে মিশে বিভিন্ন রঙের ও নকশার সৃষ্টি করতে পারে। সাদা মার্বেলের পাশাপাশি গোলাপী, ধূসর, কালো এবং বিভিন্ন রঙের শিরাযুক্ত মার্বেলও দেখা যায়।

ক. মার্বেল
খ. কয়লা
গ. গ্রানাইট
ঘ. নিস
উত্তরঃ কয়লা
ব্যাখ্যাঃ

কয়লা পাললিক শিলার উদাহরণ। এটি মূলত উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জৈব পদার্থের স্তূপীকরণের মাধ্যমে গঠিত হয়।

অন্যান্য শিলাগুলোর শ্রেণীবিভাগ নিচে দেওয়া হলো:

  • মার্বেল: রূপান্তরিত শিলা (চুনাপাথর থেকে রূপান্তরিত)।
  • গ্রানাইট: আগ্নেয় শিলা (ভূগর্ভের ম্যাগমা জমাট বেঁধে তৈরি)।
  • নিস: রূপান্তরিত শিলা (বিভিন্ন ধরনের শিলা থেকে উচ্চ তাপ ও চাপে রূপান্তরিত)।
ক. পার্শ্ব গ্রাবরেখা
খ. শৈলশিরা
গ. ভি-আকৃতির উপত্যকা
ঘ. ইউ-আকৃতির উপত্যকা
উত্তরঃ ইউ-আকৃতির উপত্যকা
ব্যাখ্যাঃ

সঠিক উত্তরটি হলো: ঘঃ ইউ-আকৃতির উপত্যকা

  • ইউ-আকৃতির উপত্যকা (U-shaped Valley): হিমবাহ যখন পর্বত উপত্যকার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এটি পার্শ্ববর্তী অংশ এবং তলদেশ উভয়কেই ক্ষয় করে একটি চওড়া, অগভীর, এবং ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো আকৃতির উপত্যকা তৈরি করে। এটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:

  • পার্শ্ব গ্রাবরেখা (Lateral Moraine): এটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের মাধ্যমে বাহিত নুড়ি, বালি, কাদা ইত্যাদির স্তূপ যা হিমবাহের দুপাশে জমা হয়। এটি হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফল, ক্ষয় কার্যের নয়।
  • শৈলশিরা (Arete/Ridge): এটি দুটি পাশাপাশি হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে অবশিষ্ট থাকা সরু, খাড়া পর্বতশৃঙ্গ বা ধারালো রিজ। এটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের পর অবশিষ্ট ভূমিরূপ, কিন্তু সরাসরি ক্ষয় করে গঠিত নয়। এটি ক্ষয়প্রাপ্ত অঞ্চলের মাঝখানে থাকা অংশ।
  • ভি-আকৃতির উপত্যকা (V-shaped Valley): এটি মূলত নদীর ক্ষয় কার্যের দ্বারা গঠিত হয়। নদী যখন পার্বত্য অঞ্চলে তীব্র বেগে প্রবাহিত হয়, তখন এটি তলদেশে ক্ষয় করে একটি V-আকৃতির উপত্যকা তৈরি করে। হিমবাহের ক্ষয় কার্যের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।