১. ‘বিপরীত বৈষম্য’ এর নীতিটি প্রয়োগ করা হয়-
[ বিসিএস ৪০তম ]
- মানুষের মধ্যে নানা বৈশিষ্ট্যগত বিচারে বৈষম্য নির্ণয় করা হয়।
- এ বৈষম্যের কয়েকটি মৌলিক দিক রয়েছে।
- যেমন- নরগোষ্ঠীগত, লিঙ্গগত, আর্থ সামাজিক, ধর্মীয়।
- এখানে মূলত বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে নিম্নবর্ণের মানুষ, নারী জাতি, আর্থ-সামাজিকভাবে দুর্বল জাতিগোষ্ঠী এবং অপ্রধান ধর্ম পালনকারীরা।
- কিন্তু বিপরীত বৈষম্য মূলত বৈষম্যের উল্টা ধারণা, যেখানে সংখ্যাগুরুরা, সংখ্যালঘুদের দ্বারা বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে।
- এর প্রশাখায় পুরুষরা নারীদের দ্বারা, শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা, উচ্চবর্ণ নিম্নবর্ণের দ্বারা এবং সাধারণ মানুষ কোটাধারীদের দ্বারা বিপরীত বৈষম্যের শিকার হয়।
২. শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে নিচের কোনটি জরুরি?
[ বিসিএস ৩৬তম ]
শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে উল্লেখিত সবকটিই জরুরি।
আসুন প্রতিটি বিষয় কেন জরুরি তা সংক্ষেপে দেখি:
-
স্বীকৃতি: শিশুরা যখন তাদের কাজ বা প্রচেষ্টার জন্য প্রশংসা ও স্বীকৃতি পায়, তখন তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং তারা অনুভব করে যে তাদের মূল্য আছে। এটি তাদের আত্মমর্যাদা বিকাশে সহায়তা করে।
-
স্নেহ: ভালোবাসা, মমতা এবং নিরাপদ পরিবেশ শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। স্নেহ শিশুদের মানসিক স্থিতিশীলতা দেয় এবং তাদের মধ্যে বিশ্বাস ও নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে।
-
সাফল্য: শিশুরা যখন কোনো কাজে সফল হয়, তখন তাদের মধ্যে সক্ষমতার অনুভূতি জন্মায়। এটি তাদের শেখার আগ্রহ বাড়ায় এবং নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উৎসাহিত করে।
এই তিনটি উপাদানই একে অপরের পরিপূরক এবং একটি শিশুর সামগ্রিক মানসিক সুস্থতা ও সুস্থ বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।