আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
খ. পরিকল্পনা বিভাগ
গ. অর্থ বিভাগ
ঘ. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
উত্তরঃ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগটি হলো অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (Economic Relations Division - ERD)

এই বিভাগটি বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ, অনুদান এবং অন্যান্য আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ, পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের চারটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম। অন্য তিনটি বিভাগ হলো: অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান কাজগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • বৈদেশিক সাহায্যের উৎস অনুসন্ধান ও আর্থিক বরাদ্দের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থা থেকে প্রেরিত প্রস্তাব পরীক্ষা ও বাছাই করা।
  • বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা (এডিপি) এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়নের জন্য বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ, চুক্তি সম্পাদন, ব্যবহার উপযোগিতা নিশ্চিতকরণ এবং বরাদ্দ প্রদান।
  • দ্বি-পক্ষীয় ও বহু-পক্ষীয় উৎস থেকে খাদ্য এবং পণ্য সাহায্য বিষয়ক বৈদেশিক সাহায্যের চুক্তি সম্পাদন এবং বরাদ্দ প্রদান ও ব্যবহার নিশ্চিতকরণ।
  • দ্বিপক্ষীয় দাতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে চুক্তির প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণসহ কারিগরি সহায়তা কর্মসূচিসমূহের অনুমোদন কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন এবং প্রক্রিয়াকরণ।
  • সাহায্যপ্রাপ্ত প্রকল্পসমূহে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শক পদে নিয়োগ সম্পর্কিত নীতি নির্ধারণ এবং সমন্বয় সাধন।
  • বৈদেশিক সাহায্যের তহবিল সংক্রান্ত টেন্ডারের জন্য গাইডলাইন এবং কার্যপ্রণালী বিধি তৈরি।
  • বৈদেশিক সাহায্যের সঠিক ব্যবহার, সমন্বয়, পর্যালোচনা এবং পরিবীক্ষণ।
  • ঋণ প্রোফাইল এবং বাজেট তৈরি, ঋণ সার্ভিসিং ও সংরক্ষণসহ সার্বিক বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা।
  • বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এবং ঋণ হিসাবসমূহের সভার আয়োজন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে ফলোআপ কার্যক্রম গ্রহণ।
  • বৈদেশিক বিনিময় বাজেট তৈরি (নগদ বৈদেশিক বিনিময় বাজেট ব্যতীত)।
  • বাংলাদেশে কর্মরত উন্নয়ন সহযোগী দেশ/সংস্থা প্রধানদের সাথে অনুষ্ঠিত সভার কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন।
  • বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের নিমিত্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা, যেমনঃ বিশ্বব্যাংক/আইডিএ এবং আইএফসি; এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি); ইউএনডিপি; জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাসমূহ ইত্যাদি।

অতএব, বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

ক. জনপ্রশাসন মন্ত্রী
খ. অর্থ মন্ত্রী
গ. প্রধানমন্ত্রী
ঘ. পরিকল্পনা মন্ত্রী
উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যাঃ

ECNEC হলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (Executive Committee of the National Economic Council)। এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহী কমিটি।

ECNEC-এর কার্যাবলী:

ECNEC মূলত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলির যাচাই, অনুমোদন ও বাস্তবায়ন তত্ত্বাবধান করে। এর প্রধান কাজগুলো হলো:

  • জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) প্রণীত দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় নীতি ও objectives এর সাথে সঙ্গতি রেখে উন্নয়ন কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা প্রদান।
  • পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP) খসড়া প্রণয়নে দিকনির্দেশনা দেওয়া।
  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ কর্তৃক প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্প মূল্যায়ন ও অনুমোদন করা (বিশেষত বৃহৎ বিনিয়োগ প্রকল্প)।
  • সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রস্তাবনা বিবেচনা ও অনুমোদন করা।
  • উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।
  • বৈদেশিক সাহায্য এবং ঋণের জন্য বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও অনুমোদন করা।
  • প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন এবং জাতীয় জীবনযাত্রার মানের উপর তার বিশ্লেষণ করা।
  • প্রয়োজনে NEC-কে তার কার্য সম্পাদনে সহায়তা করার জন্য উপ-কমিটি গঠন করা।

ECNEC-এর গঠন:

ECNEC-এর চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তার অনুপস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী বিকল্প চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:

  • মন্ত্রীগণ (যেমন: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়; শিক্ষা; খাদ্য; পানিসম্পদ; শিল্প; বাণিজ্য; ডাক ও টেলিযোগাযোগ; কৃষি; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ)।
  • পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ।
  • সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবগণ।

ECNEC-এর সভা সাধারণত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। পরিকল্পনা কমিশনের ECNEC উইং এই কমিটির সভা আহ্বান ও সমন্বয় করে এবং সভার কার্যবিবরণী তৈরি ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করে।

ক. স্পিকার
খ. জাতীয় সংসদ
গ. রাষ্ট্রপতি
ঘ. প্রধানমন্ত্রী
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।”

ক. মাননীয় স্পীকার
খ. মাননীয় চিপ হুইপ
গ. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
ঘ. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
উত্তরঃ মহামান্য রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি

ক. উপজেলা
খ. ইউনিয়ন
গ. থানা
ঘ. জেলা
উত্তরঃ ইউনিয়ন
ক. ৯ বার
খ. ৭ বার
গ. ৮ বার
ঘ. ৫ বার
উত্তরঃ ৭ বার
ক. রাষ্ট্রপতি
খ. প্রধানমন্ত্রী
গ. প্রধান বিচারপতি
ঘ. সেনাপ্রধান
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি
ক. ১৯৮৩
খ. ১৯৮৫
গ. ১৯৮৬
ঘ. ১৯৮৮
উত্তরঃ ১৯৮৫
ক. ২৭টি
খ. ২২টি
গ. ১৯টি
ঘ. ১৩টি
উত্তরঃ ২৭টি
ক. AEU
খ. UNICEF
গ. UNHCR
ঘ. UNESCO
উত্তরঃ UNESCO
ক. ১৯৮৬ সালে
খ. ১৯৮৩ সালে
গ. ১৯৮৪ সালে
ঘ. ১৯৮৫ সালে
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে

প্রশ্নঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

ক. ৭ বছর
খ. ৬ বছর
গ. ৫ বছর
ঘ. ৩ বছর
উত্তরঃ ৫ বছর
ক. যশোর
খ. কোনাবাড়ি
গ. গাজীপুর
ঘ. ময়মনসিংহ
উত্তরঃ কোনাবাড়ি
ক. রাষ্ট্রপতির কাছে
খ. জনগণের কাছে
গ. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
ঘ. জাতীয় সংসদের কাছে
উত্তরঃ জাতীয় সংসদের কাছে
ক. ১৯৮৬ সালে
খ. ১৯৯১ সালে
গ. ১৯৯৩ সালে
ঘ. ২০০১ সালে
উত্তরঃ ১৯৯১ সালে