আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 ময়মনসিংহ
 বরিশাল
 ঢাকা
 সিলেট
ব্যাখ্যাঃ

তথ্য অনুসন্ধানের ভিত্তিতে, বর্তমানে (২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী) দেশের ঢাকা বিভাগে স্বাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি।

ঢাকা বিভাগের স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৭৮.০৯%

এরপরের অবস্থানে রয়েছে বরিশাল বিভাগ, যার স্বাক্ষরতার হার ৭৭.৫৭ শতাংশ।

 ১৬,৯৮,১৭৯২১
 ১৬,৯৮,২৫,৯২১
 ১৬,৯৮,২৮,৯১১
 ১৬,৯৬,১৮,৯২১
ব্যাখ্যাঃ

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন

তবে, পরবর্তীতে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর পোস্ট ইনুমারেশন চেক (পিইসি) প্রতিবেদনে এই সংখ্যা কিছুটা সংশোধিত হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বাদ দিয়ে মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখের বেশি

চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সঠিক সংখ্যাটি আরও নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। তবে এই মুহূর্তে, প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন এবং পোস্ট ইনুমারেশন চেকের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখের বেশি জনসংখ্যা রয়েছে।

 ২০০৮
 ২০২২
 ২০১৪
 ২০১৫
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে। এর আগে ২০১১ সালে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০০১ সালের পর ২০১১ সালে বাংলাদেশে পঞ্চম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এটি ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত চলেছিল। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দশ বছর পর পর আদমশুমারি পরিচালনা করে থাকে। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ৯৭ লক্ষ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন।

 ৮মার্চ
 ২ ফেব্রুয়ারি
 ২১ ফেব্রুয়ারি
 ১ মে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়। এই দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য হলো দেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবার পরিকল্পনা ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা।