আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. রাঙ্গামাটি
খ. বরিশাল
গ. চট্টগ্রাম
ঘ. ময়মনসিংহ
উত্তরঃ রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ

আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা হলো রাঙ্গামাটি

এই জেলার আয়তন হলো ৬,১১২.১৩ বর্গ কিলোমিটার (২,৩৬০.৬৭ বর্গ মাইল)। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত।

ক. সিলেট
খ. টেকনাফ
গ. কক্সবাজার
ঘ. সন্দ্বীপ
উত্তরঃ সিলেট
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত সিলেটের লালখালে রেকর্ড করা হয়।

লালখাল (লালাখাল) মূলত সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত, যা ভারতের মেঘালয় সীমান্তের খুব কাছে। এই অঞ্চলের পাশেই পৃথিবীর অন্যতম বৃষ্টিবহুল স্থান চেরাপুঞ্জি অবস্থিত হওয়ায় এখানেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

ক. এক
খ. দুই
গ. তিন
ঘ. চার
উত্তরঃ চার
ব্যাখ্যাঃ

ভূ-উপগ্রহ হলো আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ মাধ্যম। ১৯৭৫ সালে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়াতে অবস্থিত ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি হলো দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। দেশের অন্যান্য ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রগুলো হলো- গাজীপুরের তালিবাবাদ (স্থাপিত ১৯৮২ সালে), মহাখালী ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (স্থাপিত ১৯৯৫ সালে) এবং সিলেট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (স্থাপিত ১৯৯৭ সালে)।

ক. পতিত
খ. অনুর্বর
গ. ঊষর
ঘ. বন্ধ্যা
উত্তরঃ ঊষর
ব্যাখ্যাঃ

পতিত – যা ফেলে রাখা হয়েছে। অনুর্বর- যে জমির উর্বরতা শক্তি নেই। ঊষর – যে জমিতে ফসল হয় না। বন্ধ্যা – যে নারীর সন্তান হয় না।

ক. সরাসটি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে
খ. ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ ও উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে
গ. পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
ঘ. মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে
উত্তরঃ পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
ব্যাখ্যাঃ

উদ্ভিদ বাতাসের নাইট্রোজেন সরাসরি গ্রহণ করতে পারে না। বাতাসের নাইট্রোজেন বজ্রবৃষ্টির সময় বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নাইট্রিক এসিড রূপে ভূ- পৃষ্ঠে পতিত হয়। পরবর্তীতে তা নাইট্রেট রূপে বিশ্লেষিত হয়ে উদ্ভিদের গ্রহণোপযোগী হয়। তবে শীম জাতীয় উদ্ভিদের মূলে Rahizobium নামক ব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেনকে নাইট্রেটে পরিণত করতে পারে।

ক. কুড়িগ্রাম
খ. নীলফামারী
গ. পঞ্চগড়
ঘ. লালমনিরহাট
উত্তরঃ লালমনিরহাট
ব্যাখ্যাঃ

প্রশাসিনক ও রাজনৈতিকভাবে দহগ্রামের অবস্থান লালমনিরহাট জেলায়। কিন্তু ভৌগোলিকভাবে ভারতের কোচবিহার জেলায় অবস্থিত। যাতায়াতের জন্য করিডোর ব্যবস্থা চালু থাকায় গত ১ আগস্ট, ২০১৫ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহলের বিনিময় হলেও দহগ্রামের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ক. ২৪.৭ কিলোমিটার
খ. ২১.০ কিলোমিটার
গ. ১৯.৩ কিলোমিটার
ঘ. ১৬.৫ কিলোমিটার
উত্তরঃ ১৬.৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ১৬.৫ কিমি. বা প্রায় ১০.২৫ মাইল দূরে গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত ফারাক্কা বাঁধ চালু হয় ১৯৭৪ সালে।

ক. ২৫০ নটিক্যাল মাইল
খ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
গ. ২২৫ নটিক্যাল মাইল
ঘ. ১০ নটিক্যাল মাইল
উত্তরঃ ২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি.। এর মধ্যে ভারত সংলগ্ন স্থল ও নৌ সীমান্ত এলাকার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত। অন্যদিকে মোট জলসীমার পরিমাণ ৭১১ কিলোমিটার। সেই সাথে বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশ হওয়ায় এ দেশের ভূখণ্ডগত (রাজনৈতিক) সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল (২২.২২ কি.মি.) এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪০ কি.মি.) পর্যন্ত বিস্তৃত।

ক. বিজয়পুরে
খ. রানীগঞ্জে
গ. টেকেরহাটে
ঘ. বিয়ানী বাজারে
উত্তরঃ বিজয়পুরে
ব্যাখ্যাঃ

পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (বর্তমান বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর) ১৯৫৭ সালে নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে। এ চীনামাটিকে বিজয়পুর চীনামাটি নামকরণ করা হয়।