আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. পরিকল্পনা
খ. শিল্প
গ. বাণিজ্য
ঘ. অর্থ
উত্তরঃ বাণিজ্য
ব্যাখ্যাঃ

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত একটি সরকারি সংস্থা।

টিসিবি মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতি ও নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।

ক. যুক্তরাষ্ট্র
খ. যুক্তরাজ্য
গ. জার্মানী
ঘ. স্পেন
উত্তরঃ যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি বাবদ সবচেয়ে বেশি আয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র (USA) থেকে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (EPB) তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রায় ৮.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। তৈরি পোশাক এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার হিসেবে অবস্থান করছে।

ক. সংযুক্ত আরব আমিরাত
খ. সৌদিআরব
গ. কুয়েত
ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তরঃ সৌদিআরব
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে (এপ্রিল ২০২৫), বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে

দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশী কর্মীর গন্তব্য হয়ে উঠেছে। এর পরেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার এবং মালয়েশিয়ার অবস্থান।

ক. সৌদি আরব
খ. কুয়েত
গ. ওমান
ঘ. জর্দান
উত্তরঃ সৌদি আরব
ব্যাখ্যাঃ

The Daily Star Bangla এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব

নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও সৌদি আরব প্রধান গন্তব্যস্থল। তবে, পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী শ্রমিক জর্ডান, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কাজ করতে যান।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালয়েশিয়াও বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করছে।

ক. বিরামপুর, দিনাজপুর
খ. ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
গ. হাকিমপুর, দিনাজপুর
ঘ. পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
উত্তরঃ হাকিমপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যাঃ

হিলি স্থলবন্দরটি হাকিমপুর, দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।

হিলি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি পশ্চিমবঙ্গের হিলি শহরের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা দুই দেশের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের একটি মূল কেন্দ্র।

ক. ২০১১ সালে
খ. ২০১২ সালে
গ. ২০১৩ সালে
ঘ. ২০১৪ সালে
উত্তরঃ ২০১২ সালে
ব্যাখ্যাঃ

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি বাংলাদেশে ২০০২ সালে প্রবর্তন করা হয়।

তবে, এই আইনটি পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংশোধন করা হয় এবং বর্তমানে এই সংশোধিত আইনটিই কার্যকর রয়েছে। তাই যদি প্রশ্ন করা হয় "মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২" কত সালে প্রবর্তন করা হয়, তবে উত্তর হবে ২০১২ সাল। কিন্তু মূল আইনটি প্রবর্তিত হয়েছিল ২০০২ সালে।

ক. ৯ (নয়) টি
খ. ১০ (দশ) টি
গ. ১১ (এগার) টি
ঘ. ১২ (বার) টি
উত্তরঃ ১১ (এগার) টি
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে (মে ৫, ২০২৫) পর্যন্ত বাংলাদেশে ১১টি ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical Indication - GI) পণ্য নিবন্ধিত হয়েছে।

এই পণ্যগুলো হলো:

১. জামদানি (নিবন্ধিত: ২০১৩) ২. ইলিশ (নিবন্ধিত: ২০১৭) ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম (নিবন্ধিত: ২০১৯) ৪. দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল (নিবন্ধিত: ২০১৯) ৫. কালিজিরা ধান (নিবন্ধিত: ২০২১) ৬. শতরঞ্জি, রংপুর (নিবন্ধিত: ২০২১) ৭. নাটোরের কাঁচাগোল্লা (নিবন্ধিত: ২০২১) ৮. কুমিল্লার রসমালাই (নিবন্ধিত: ২০২১) ৯. বিজয়পুরের সাদা মাটি (নিবন্ধিত: ২০২৩) ১০. বাগেরহাটের চিংড়ি (নিবন্ধিত: ২০২৩) ১১. মোসলিন (নিবন্ধিত: ২০২৪)

এই তালিকা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।

ক. Bangladesh Salt Testing Institute
খ. Bangladesh Strategic Training Institute
গ. Bangladesh Standards and Testing Institution
ঘ. Bangladesh Society for Telecommunication and Information
উত্তরঃ Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যাঃ

BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি হল:

Bangladesh Standards and Testing Institution

বাংলায় এর অর্থ বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন। এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা মূলত সেবা ও পণ্যের গুণমান নিয়ন্ত্রণ করে।

ক. ভারত থেকে
খ. চীন থেকে
গ. জাপান থেকে
ঘ. সিঙ্গাপুর থেকে
উত্তরঃ চীন থেকে
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে (এবং গত বেশ কয়েক বছর ধরে), বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেশি, কারণ চীন থেকে বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য এবং ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়।

ক. ফিনল্যান্ডে
খ. ডেনমার্কে
গ. নরওয়েতে
ঘ. সুইডেনে
উত্তরঃ ডেনমার্কে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ ডেনমার্কে রপ্তানি হয়েছিল।

এটি ছিল বাংলাদেশের জাহাজ রপ্তানি খাতের একটি মাইলফলক। আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালের ১৫ই মে ডেনমার্কের স্টেলা শিপিং (Stella Shipping) কোম্পানির কাছে এই অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজটি হস্তান্তর করেছিল। এটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম রপ্তানিকৃত সমুদ্রগামী জাহাজ।

ক. পেট্রাপোল
খ. কৃষ্ণনগড়
গ. ডাউকি
ঘ. মোহাদিপুর
উত্তরঃ পেট্রাপোল
ব্যাখ্যাঃ

বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দরটি হলো: পেট্রাপোল

পেট্রাপোল স্থলবন্দরটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমায় অবস্থিত। এটি বেনাপোল স্থলবন্দরের ঠিক বিপরীতে ভারতীয় অংশে অবস্থিত এবং ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্থলপথে বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থল কাস্টমস স্টেশনগুলির মধ্যে অন্যতম।

ক. ৬টি
খ. ৮টি
গ. ১০টি
ঘ. ১২টি
উত্তরঃ ৮টি
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি EPZ (Export Processing Zone) এর সংখ্যা ৮টি

এগুলো হলো: ১. চট্টগ্রাম ইপিজেড (চট্টগ্রাম) - দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড (১৯৮৩) ২. ঢাকা ইপিজেড (সাভার, ঢাকা) ৩. মংলা ইপিজেড (মংলা, বাগেরহাট) ৪. কুমিল্লা ইপিজেড (কুমিল্লা) ৫. ঈশ্বরদী ইপিজেড (পাবনা) ৬. উত্তরা ইপিজেড (সৈয়দপুর, নীলফামারী) - একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড ৭. আদমজী ইপিজেড (নারায়ণগঞ্জ) ৮. কর্ণফুলী ইপিজেড (চট্টগ্রাম)

এছাড়াও, বেসরকারি পর্যায়ে আরও ২টি ইপিজেড রয়েছে। নতুন কিছু ইপিজেড প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যেমন গাইবান্ধা, যশোর ও পটুয়াখালীতে।

ক. চীন
খ. ভারত
গ. যুক্তরাজ্য
ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তরঃ চীন
ব্যাখ্যাঃ

২০২১-২২ অর্থবছরে চীন বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ১৬১৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারত রপ্তানি করে ১০০২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ক. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
খ. অর্থ মন্ত্রণালয়
গ. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ঘ. শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তরঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যাঃ

ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা।

বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন (Bangladesh Trade and Tariff Commission - BTTC) একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। এর প্রধান কাজ হলো দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমদানি শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া, এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সহায়তা করা।

ক. প্রবাসী শ্রমিক
খ. পাট
গ. রেডিমেড গার্মেন্টস
ঘ. চামড়া
উত্তরঃ রেডিমেড গার্মেন্টস
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলো তৈরি পোশাক শিল্প। এই খাতটি রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ জোগান দেয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে পোশাক শিল্প থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৪৬,৯৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।


অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো প্রবাসী আয় (Remittance)। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে কাজ করে যে অর্থ দেশে পাঠান, তা দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে। এই আয়ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে।

ক. গজারিয়া
খ. গাজীপুর
গ. সাভার
ঘ. ভালুকা
উত্তরঃ গজারিয়া
ব্যাখ্যাঃ

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউসিয়া এলাকায় ২০০ একর জমিতে ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপিত হচ্ছে।

ক. দিনাজপুর
খ. রংপুর
গ. ঈশ্বরদী
ঘ. যশোর
উত্তরঃ ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যাঃ

ঈশ্বরদীতে অবস্থিত বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ইক্ষুর ওপর নানা গবেষণা ও ইক্ষু চাষের ওপর নানা প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানটি ৩০টি উন্নত জাতের উচ্চ ফলনশীল আখ উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর বর্তমান নাম বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ক. অ্যামোনিয়া
খ. টিএসপি
গ. ইউরিয়া
ঘ. সুপার ফসফেট
উত্তরঃ ইউরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

জিয়া সার কারখানার বর্তমান নাম ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লি.’। কারখানাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। এ সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। এছাড়া অন্য যেসব কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদিত হয়, তা হলো- চট্টগ্রাম ইউরিয়া, ঘোড়াশাল, পলাশ, যমুনা, কর্ণফুলী ও শাহজালাল সার কারখানা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যমুনা সার কারখানা জামালপুরের তারাকান্দিতে অবস্থিত।

ক. সাভারে
খ. চট্টগ্রামে
গ. মংলায়
ঘ. ঈশ্বরদীতে
উত্তরঃ চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ‘চট্টগ্রাম ইপিজেড’ ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ‘ঢাকা ইপিজেড’ ঢাকার সাভারে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ক. অ্যামোনিয়া
খ. সুপার ফসফেট
গ. টিএসপি
ঘ. ইউরিয়া
উত্তরঃ ইউরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

জিয়া সার কারখানা (বর্তমান নাম আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লি.) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। তিতাস গ্যাস ব্যবহার করে পরিচালিত এ কারখানাতে ইউরিয়াসহ প্যাকিং -এর লাইনিং এবং পলিথিন পেপার উৎপাদন করা হয়।

ক. টিএসপি
খ. ইউরিয়া
গ. পটাশ
ঘ. এমোনিয়াম সালফেট
উত্তরঃ ইউরিয়া
ব্যাখ্যাঃ

ঘোড়াশাল সার কারখানা নরসিংদীতে অবস্থিত। এ সার কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপন্ন করা হয়।

ক. নারায়ণগঞ্জ
খ. কক্সবাজার
গ. চট্টগ্রাম
ঘ. খুলনা
উত্তরঃ খুলনা
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশে জাহাজ নিমার্ণ ও মেরামত কারখানা ৩টি। এগুলো হলো খুলনা শিপইয়ার্ড, চট্টগ্রাম ডকইয়ার্ড এবং নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড।

ক. আখের ছোবড়া
খ. বাঁশ
গ. জারুল গাছ
ঘ. নল-খাগড়া
উত্তরঃ বাঁশ
ব্যাখ্যাঃ

রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের নাম কর্ণফুলী পেপার মিলস। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কাগজ কলটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম কাগজ কল। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।