আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 জলবায়ু কার্যক্রম
 মানসম্মত শিক্ষা
 দারিদ্র বিমোচন
 শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যাঃ

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা হলো গুণগত শিক্ষা (Quality Education)

এই লক্ষ্যমাত্রার মূল উদ্দেশ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং সকলের জন্য জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।

 নওয়াব আব্দুল লতিফ
 স্যার সৈয়দ আহমেদ
 নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
 খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যাদের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, তারা হলেন:

  • স্যার ফিলিপ হার্টগ: লর্ড কার্জনের গঠিত নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • নবাব স্যার সলিমুল্লাহ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান এবং আর্থিক সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
  • শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক: বঙ্গীয় আইন পরিষদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জোরালো বক্তব্য রাখেন এবং সমর্থন জানান।
  • পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো সমর্থন দেন।
  • জাস্টিস স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় আইনি ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
  • অন্যান্য: এছাড়াও আরো অনেক শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী এবং সমাজসেবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।
 অর্থনৈতিক
 মানবাধিকার
 ধর্মীয়
 খেলাধুলা
ব্যাখ্যাঃ

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি বেসরকারি মানবাধিকার ও আইন সহায়তাকারী সংস্থা। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যা মানবাধিকার রক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে।

আসক বিশেষভাবে নারী ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করে এবং দেশের প্রথম সারির মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

 ১৩ হাজার ১২৫ টি
 ১৩ হাজার ১৩০ টি
 ১৩ হাজার ১৩৬ টি
 ১৩ হাজার ‌১৪৬ টি
ব্যাখ্যাঃ

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক ১৯৯৮ সালে প্রথম চালু করা হয়। তবে, বিভিন্ন কারণে এটি ২০০০ সালের পর মুখ থুবড়ে পড়ে। পরবর্তীতে, ২০০৯ সাল থেকে কমিউনিটি ক্লিনিক পুনরায় চালু ও জোরদার করা হয় এবং এটি বর্তমানে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ।

২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ১৩৬টি। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা ১৪,২০০টি। প্রতিটি ক্লিনিকে রয়েছেন তিনজন সেবাকর্মী। মূল দায়িত্বে আছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (CHCP)।

 ঢাকা বিভাগ
 রাজশাহী বিভাগ
 বরিশাল বিভাগ
 খুলনা বিভাগ
ব্যাখ্যাঃ

বর্তমানে ঢাকা বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ (প্রায় ৭৮.০৯%)। এর পরেই রয়েছে বরিশাল বিভাগ (৭৭.৫৭%)।

৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

[ বিসিএস ৩১তম | প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৮-০৮-২০১৫ ]

 ১৯২১
 ১৯২৫
 ১৯২৯
 ১৯৩৩
ব্যাখ্যাঃ

১৯২০ সালে ভারতীয় বিধান পরিষদে গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম চ্যান্সেলর লর্ড ডানডাস (জেসিআই) এবং প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর পি জে (ফিলিপ জোসেফ) হার্টজ।