আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 মেঘনা
 যমুনা
 পদ্মা
 কর্ণফুলী
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী হলো পদ্মা

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ২০২৩ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে পদ্মা নদীর দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

 ১১.২ কি.মি
 ১২.২ কি.মি
 ১১.৮ কি.মি
 ১২.৮ কি.মি
ব্যাখ্যাঃ

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের মোট দৈর্ঘ্য ১১.৮ কিলোমিটার (র‍্যাম্পসহ)।

এটি যাত্রা শুরু করেছে পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল থেকে এবং শেষ হয়েছে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত।

৩. বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?

[ বিসিএস ৩২তম | ১১তম শি. নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ]

 চট্টগ্রাম
 পাকশি
 সৈয়দপুর
 আখাউড়া
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা হলো সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা

এটি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলায় অবস্থিত। ১৮৭০ সালে ব্রিটিশ আমলে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর আয়তন প্রায় ১১০ একর। এই কারখানায় রেলওয়ে বগি, ওয়াগন ও ইঞ্জিন মেরামতসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়।

 ৭০০ কিমি
 ৫৭০ কিমি
 ৩০০ কিমি
 ১৭০ কিমি
ব্যাখ্যাঃ

২৭ মার্চ ২০০৪ দুবাইয়ে বাংলাদেশ সরকার সাবমেরিন ক্যাবলের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ১৪টি দেশের ১৬টি টেলিকম প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য পশ্চিম ইউরোপ -৪ (SEA-ME-WE-4) এর সাথে এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করে তথ্যপ্রযুক্তির সুপার হাইওয়েতে । ফ্রান্সের মার্সাই থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত ২২ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এ সংযোগ লাইনে বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ২৪০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ কক্সবাজারে এ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ রয়েছে। তাই চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের জন্য ১৭০ কিমি দূরত্বের ব্যয় সরকারকে বহন করতে হয়। ২১ মে ২০০৬ সাবমেরিন ক্যাবল উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির এ মহাসরকে যুক্ত হয়।

 ১৭টি
 ১৮টি
 ১৯টি
 ২১টি
ব্যাখ্যাঃ

নির্মাণ সমাপ্তির দিক থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার দেশের প্রথম ফ্লাইওভার। মহাখালী ফ্লাইওভার উদ্বোধন করা হয় ৪ নভেম্বর ২০০৪। দৈর্ঘ্য ১০১২ মিটার, প্রস্থ ১৭.৯ মিটার, মোট পাইল ১৮টি, মোট স্প্যান ১৯টি। এর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না ফার্স্ট মেটালার্জিকাল কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন।

 অর্থ
 ডাক ও টেলিযোগাযোগ
 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
 পররাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

২০০১ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড সাবমেরিন ক্যাবলের ওপর একটি খসড়া রিপোর্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করে। সে আলোকে ২০০২ সালে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক অর্থায়নে সম্মত হয়। ২০০৫ সালে প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় এবং ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সাথে ইউরোপভুক্ত ১৪টি দেশ এবং ১৬টি সংস্থা SEA-ME-WE-4 নামের ২২ হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। ১ জুলাই, ২০০৮ গঠিত হয় বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লি. (BSCCL)। আর বাংলাদেশ SEA-ME-WE5 প্রকল্পের মাধ্যমে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয় ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ SEA-ME-WE6 প্রকল্পে যুক্ত হবে।

 ময়মনসিংহ
 টাঙ্গাইল
 বরিশাল
 সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যাঃ

যমুনা সেতুর উপর দিয়ে রেলসংযোগ চালুর মাধ্যমে ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের সরাসরি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য টাঙ্গাইলে রেল সংযোগ স্থাপিত হয়। বাংলাদেশে প্রথম রেললাইন (ব্রডগেজ) স্থাপিত হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৪। প্রথম রেললাইন বসানো হয় দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত। উপমহাদেশে প্রথম রেলগাড়ি চালু হয় ১৮৫৩ সালে। উপমহাদেশে প্রথম রেলগাড়ি চালু করেন লর্ড ডালহৌসী।

 ৭৫টি
 ৫৯টি
 ৫০টি
 ৪৫টি
ব্যাখ্যাঃ

৪.৮ কি.মি. দৈর্ঘ্য ও ১৮.৫ মি.প্রস্থ বিশিষ্ট এই সেতুতে স্প্যান সংখ্যা ৪৯টি এবং পিলার সংখ্যা ৫০টি। এটি দৈর্ঘ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। পদ্মাসেতুর পিলার ৪১টি ও স্প্যান ৪২টি।

 ৪.৫ কি.মি.
 ৪.৮ কি.মি.
 ৫.২ কি.মি.
 ৬.২ কি.মি.
ব্যাখ্যাঃ

যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু। এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি. ও প্রস্থ ১৮.৫ মি.। এ সেতুর স্প্যানের সংখ্যা ৪৯টি এবং পিলার ৫০টি। পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কি.মি. নির্মাণাধীন।

 ৪.৮ কি.মি.
 ৭.২ কি.মি.
 ৬ কি.মি.
 ৬.২ কি.মি.
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। সেতুটি যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত। সেতুটি ১৯৯৮ সালে উদ্বোধন করা হয়। বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 ভৈরব সেতু
 হার্ডিঞ্জ সেতু
 ব্রহ্মপুত্র সেতু
 তিস্তা সেতু
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধনের পর থেকে এটি বাংলাদেশের সড়ক সহ দীর্ঘতম রেল সেতুর মর্যাদা লাভ করে। এ সেতুতে মিটার গেজ ও ব্রড গেজ উভয় ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে। এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি.। তবে একক দীর্ঘতম রেলসেতু হলো হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। পাবনা জেলায় অবস্থিত হার্ডিঞ্জ সেতুর দৈর্ঘ্য ৫৮৯৪ ফুট (১৭৯৮.৩২ মিটার)। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ শুরু হয় ১৯১২ সালে এবং নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯১৫ সালে।

 এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস
 পারাবত এক্সেপ্রেস
 উপকূল এক্সপ্রেস
 সৈকত এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যাঃ

এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস ঢাকা-কিশোরগঞ্জ, পারাবত এক্সপ্রেস ঢাকা-সিলেট, উপকূল এক্সপ্রেস ঢাকা-নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনের নাম।