আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

ক. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
খ. বিচার ব্যবস্থা
গ. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
ঘ. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তরঃ বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যাঃ

ছয় দফার দাবিগুলো ছিল:

১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: দেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো হবে ফেডারেল বা যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং সরকার পদ্ধতি হবে সংসদীয়। প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন সভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার।

২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা শুধুমাত্র দুটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে, যথা - প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক যোগাযোগ। অবশিষ্ট সকল বিষয়ে প্রাদেশিক সরকারগুলোর ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ।

৩. মুদ্রা বা অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা: পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। অথবা, এর বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি মুদ্রাই থাকবে, তবে এ ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের মুদ্রা যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে, তার জন্য সাংবিধানিক বিধান রাখতে হবে।

৪. রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা: সকল প্রকার রাজস্ব, কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারগুলোর হাতে। কেন্দ্রীয় সরকারের কোন রাজস্ব ধার্যের ক্ষমতা থাকবে না। প্রাদেশিক সরকারের আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে তার ব্যয় নির্বাহের জন্য দেওয়া হবে।

৫. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই অঞ্চলের জন্য পৃথক পৃথক হিসাব রাখতে হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পূর্ব পাকিস্তানের অধীনেই থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের উপর এর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য প্রাদেশিক সরকারগুলোকে আধাসামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা দিতে হবে।

ক. প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম
খ. নেকড়ে অরণ্য
গ. বন্দী শিবির থেকে
ঘ. নিষিদ্ধ লোবান
উত্তরঃ বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো বন্দী শিবির থেকে

এটি প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান কর্তৃক রচিত। এই কাব্যগ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আবেগ, অনুভূতি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যান্য বিকল্পগুলো:

  • কঃ প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম: এটিও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত, তবে এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী
  • খঃ নেকড়ে অরণ্য: এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন শওকত ওসমান। এর প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।
  • ঘঃ নিষিদ্ধ লোবান: এটি একটি উপন্যাস, লিখেছেন আনিসুল হক, যার প্রেক্ষাপটও মুক্তিযুদ্ধ।

সুতরাং, কাব্যগ্রন্থের মধ্যে বন্দী শিবির থেকে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।

ক. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
খ. মাওলানা ভাসানী
গ. তাজউদ্দিন আহমেদ
ঘ. শেখ হাসিনা
উত্তরঃ শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যাঃ

বাঙ্গালির আশা -আকাঙ্খার প্রতীক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর 'শেখ হাসিনা ,নির্বাচিত উক্তি ' গ্রন্থে 'রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ।

ক. কনসার্ট ১৯৭১
খ. কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
গ. কান্ট্রি কনসার্ট
ঘ. লিবারেশন কনসার্ট
উত্তরঃ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধকালে জর্জ হ্যারিসন আয়োজিত কনসার্টের নাম ছিল "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ"। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এই ঐতিহাসিক কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

ক. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
খ. চিরঞ্জীব মুজিব
গ. মুজিব একটি জাতির রূপকার
ঘ. ছিটমহল
উত্তরঃ মুজিব একটি জাতির রূপকার
ব্যাখ্যাঃ

৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে "মুজিব: একটি জাতির রূপকার " চলচ্চিত্রটির ট্রেলার উদ্বোধন করা হয়।

এটি একটি ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত।
এটি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে তুলে ধরে।

এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

ক. আগরতলা মামলা
খ. ভাষা আন্দোলন
গ. মুক্তিযুদ্ধ
ঘ. গণ অভ্যুত্থান
উত্তরঃ মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ

"স্টপ জেনোসাইড" প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা, নির্যাতন, এবং শরণার্থীদের দুর্দশা।

ক. ১৯৭১
খ. ১৯৫২
গ. ১৯৬৬
ঘ. ১৯৬৯
উত্তরঃ ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এর আগে ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালীন সময়ে তিনি কারাবন্দী ছিলেন। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে তার সম্মানে সভার আয়োজন করে।

ক. সংবাদ পরিক্রমা
খ. বজ্রসাহস
গ. চরমপাঠ
ঘ. চরমপত্র
উত্তরঃ চরমপত্র
ব্যাখ্যাঃ

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল 'চরমপত্র'। এম আর আখতার মুকুল রচিত ও উপস্থাপিত এই অনুষ্ঠানটি ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।

ক. Round Table conference
খ. Royel Technical Commitee
গ. Rawalpindi Technical committee
ঘ. Road and Transport Corporation
উত্তরঃ Round Table conference
ক. বৈদেশিক বাণিজ্য
খ. মুদ্রা বা অর্থ
গ. রাজস্ব
ঘ. কেন্দ্রীয় সরকার
উত্তরঃ কেন্দ্রীয় সরকার
ব্যাখ্যাঃ

বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার ২য় দফাটি কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সম্পর্কিত।

এই দফায় বলা হয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে শুধু মাত্র দুটি ক্ষমতা থাকবে। একটি হলো প্রতিরক্ষা এবং অপরটি হলো বৈদেশিক সম্পর্ক। বাকি সকল ক্ষমতা অঙ্গরাজ্যগুলোর হাতে ন্যস্ত থাকবে।

ক. ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯
খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
গ. ১৭ জানুয়ারি ১৯৬৮
ঘ. ৫ জানুয়ারি ১৯৬৯
উত্তরঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ব্যাখ্যাঃ

২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা) এক বিশাল গণসংবর্ধনায় এই উপাধি দেওয়া হয়। তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ (পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী) শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" (বাঙালির বন্ধু) উপাধি প্রদান করেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি দেওয়া হয়।

ক. শঙ্খ ঘোষ
খ. শেখ মুজিবুর রহমান
গ. শওকত আলী
ঘ. মমতাজউদ্দিন আহমেদ
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যাঃ

"আমার দেখা নয়াচীন" বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ। ১৯৫২ সালে পিস কনফারেন্সে যোগ দিতে গিয়ে তিনি চীন ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তা এই বইয়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

ক. ১৯৯৭
খ. ১৯৯৯
গ. ২০০০
ঘ. ২০০১
উত্তরঃ ১৯৯৯
ব্যাখ্যাঃ

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এই ঘোষণার মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিকভাবে মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত হয় এবং ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

ক. রাঙ্গামাটি
খ. খাগড়াছড়ি
গ. চট্টগ্রাম
ঘ. ফরিদপুর
উত্তরঃ রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আবদুর রউফ ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের (ইপিআর) সদস্য হিসেবে যুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ৮ এপ্রিল রাঙামাটির বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হন। এই যুদ্ধে তিনি অসাধারণ সাহস ও বীরত্বের পরিচয় দেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ভারী অস্ত্রের মুখে নিজের জীবন তুচ্ছ করে সহযোদ্ধাদের রক্ষা করেন। তার বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধে হানাদার বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ক. মো: আলী জিন্নাহ
খ. ইয়াহিয়া
গ. ভুট্রো
ঘ. টিক্কা খান
উত্তরঃ টিক্কা খান
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যাকে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী নাম দিয়েছিলেন " অপারেশন সার্চলাইট' । এর মুল পরিকল্পনায় ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা ও মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।

ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. তাজউদ্দিন আহমদ
গ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ঘ. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তরঃ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সরকার যুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করে।

ক. ১৬৭
খ. ১৬২
গ. ২৯৮
ঘ. ৩০০
উত্তরঃ ১৬৭
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মোট আসন ৩১৩ টি, এর মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৩ টি। পূর্ব পাকিস্তানের আসন সংখ্যা মোট ১৬৯ টি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের আসন সংখ্যা মোট ১৪৪ টি। আওয়ামী লীগ ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টিতে জয়লাভ করে।

ক. ৫ জন
খ. ৭ জন
গ. ২ জন
ঘ. ৬ জন
উত্তরঃ ২ জন
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তারা হলেন:

1. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
2. তারামন বিবি

তারামন বিবি 11 নং সেক্টরে ও সিতারা বেগম 2 নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

ক. দ্বিজাতি তত্ত্ব
খ. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
গ. স্বজাত্যবোধ
ঘ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তরঃ বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়। এই আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার জনগণ তাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি বাঙালি জাতিকে তাদের আত্মপরিচয় সম্পর্কে সচেতন করে তোলে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে।

ক. নবাব আলীবর্দী খান
খ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি
গ. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ঘ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
উত্তরঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
ব্যাখ্যাঃ

বাংলার 'স্বাধীন সুলতানী' শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।

তিনি ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁওয়ে এই শাসনের সূচনা করেন। এর মাধ্যমে দিল্লি সালতানাতের নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলা অনেকটা স্বাধীন হয়ে যায়। এর পরবর্তীতে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ ১৩৪২ সালে লখনৌতির সুলতান আলাউদ্দীন আলী শাহকে পরাজিত করে সমগ্র বাংলাকে এক শাসনের অধীনে আনেন এবং ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। ইলিয়াস শাহী বংশ প্রায় দেড়শ বছর বাংলা শাসন করে।

ক. আলাউদ্দিন খলজি
খ. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
গ. সম্রাট আকবর
ঘ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
উত্তরঃ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যাঃ

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন।

তিনি ১২০৪ সালে রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদিয়া দখল করেন এবং এর মাধ্যমেই বাংলায় মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়। যদিও তিনি সমগ্র বাংলা জয় করতে পারেননি, তার এই বিজয় পরবর্তী মুসলিম শাসকদের জন্য বাংলায় নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক হয়েছিল।

ক. খিলজি শাসন আমলে
খ. সেন শাসন আমলে
গ. মোগল শাসন আমলে
ঘ. পাল তাম্র শাসন আমলে
উত্তরঃ পাল তাম্র শাসন আমলে
ব্যাখ্যাঃ

রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (আনুমানিক ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ) বাংলায় এক দীর্ঘ সময় ধরে অরাজকতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল। কোনো শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন না থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জন্য সংঘর্ষে লিপ্ত থাকত। এই সময়কালটিকে ৬৫০ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ধরা হয় এবং এটিই 'মৎস্যন্যায়' নামে পরিচিত।

ক. দ্বিজাতিতত্ত্ব
খ. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
গ. স্বজাত্যবোধ
ঘ. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তরঃ বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যাঃ

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছিল।
এই আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এটি পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা এবং আত্মপরিচয়ের বোধ জাগিয়ে তোলে।

ক. ১৯৯৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি
খ. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
গ. ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ২০০০ সালের ২৬ মার্চ
উত্তরঃ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
ব্যাখ্যাঃ

ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ তারিখে।

ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হয়েছিল এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশও এতে সমর্থন জানিয়েছিল।

ক. আলাওল
খ. শাহ মুহম্মদ সগীর
গ. ফেরদৌসী
ঘ. বাহরাম খা
উত্তরঃ ফেরদৌসী
ব্যাখ্যাঃ

ফার্সি কবি ফেরদৌসী আনুমানিক ৯৭৭ থেকে ১০১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে বিখ্যাত মহাকাব্য "শাহনামা" রচনা করেন।

"শাহনামা" (শাহ্-নামা) ফার্সি ভাষায় রচিত একটি দীর্ঘ কবিতা, যার অর্থ "রাজাদের বই"। এটি ইরানের জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এতে প্রায় ৬০,০০০ শ্লোক রয়েছে। এই মহাকাব্যে ইরানের সৃষ্টি থেকে শুরু করে সপ্তম শতাব্দীতে আরবদের পারস্য বিজয়ের পূর্ব পর্যন্তের ইতিহাস ও কিংবদন্তি বর্ণিত হয়েছে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় -

[ প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 | প্রা. বি. স. শি. নি. ২১-০৬-২০১৯ ]

ক. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ
খ. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
গ. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
ঘ. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল। এই সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।

এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমানে মুজিবনগর) এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

ক. ২২ জুন
খ. ২৩ জুন
গ. ২৪ জুন
ঘ. ২১ জুন
উত্তরঃ ২৩ জুন
ব্যাখ্যাঃ

পলাশীর যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত হয়েছিল। এই যুদ্ধ ছিল একদিকে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং অন্যদিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর মধ্যে।

কারণ

পলাশীর যুদ্ধের মূল কারণগুলো ছিল বহুবিধ:

  • ক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বের দ্বন্দ্ব: নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার স্বাধীন শাসক, কিন্তু ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নিজেদের বাণিজ্যিক ক্ষমতাকে রাজনৈতিক ক্ষমতায় রূপান্তর করতে চাইছিল। তারা নবাবের অনুমতি ছাড়াই কলকাতায় দুর্গ নির্মাণ এবং নিজেদের বাণিজ্য শুল্ক ফাঁকি দেওয়া শুরু করে।
  • দস্তক-এর অপব্যবহার: ইংরেজ বণিকরা দস্তক (বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার অনুমতিপত্র) এর ব্যাপক অপব্যবহার করে দেশীয় ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করছিল, যা নবাবের রাজস্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
  • আশ্রয় প্রদান: নবাবের শত্রু কৃষ্ণদাসকে ইংরেজরা আশ্রয় দিয়েছিল, যা নবাবের ক্রোধের কারণ হয়।
  • নবাবের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ: সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণের পর ইংরেজরা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নতুন নবাবকে উপঢৌকন বা সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ পাঠায়নি।
  • অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র: নবাবের খালা ঘষেটি বেগম, সেনাপতি মীর জাফর, উমিচাঁদ, জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ প্রমুখ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নবাবের বিরুদ্ধে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।
ক. ১৬৭
খ. ১৬৯
গ. ১৬৩
ঘ. ১৬৫
উত্তরঃ ১৬৯
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জন্য জাতীয় পরিষদে ১৬২টি সাধারণ আসন বরাদ্দ ছিল। এর পাশাপাশি, মহিলাদের জন্য ৭টি সংরক্ষিত আসনও ছিল, যা জাতীয় পরিষদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হতো।

সুতরাং, মোট আসন ছিল ১৬২ + ৭ = ১৬৯টি

ক. ইন্ধিরা গান্ধীকে
খ. সুভাষ বসুকে
গ. শেখ মুজিবুর রহমান কে
ঘ. মহাত্মা গান্ধীকে
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান কে
ব্যাখ্যাঃ

আমেরিকান ম্যাগাজিন নিউজ উইকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'Poet of Politics' বা 'রাজনীতির কবি' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।

এই উপাধিটি তাকে দেওয়া হয়েছিল মূলত তার অসাধারণ বাগ্মীতা, ভাষণের মাধ্যমে জনগণকে উদ্দীপ্ত করার ক্ষমতা এবং রাজনীতির জটিল বিষয়গুলোকে কাব্যিক ভঙ্গিতে তুলে ধরার দক্ষতার জন্য। তার ৭ই মার্চের ভাষণ, যা একটি নিরস্ত্র জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল, তার এই 'রাজনীতির কবি' উপাধিকে সার্থক প্রমাণ করে।

ক. ২২ ফেব্রুয়ারি , ১৯৬৯
খ. ৫ ফেব্রুয়ারি , ১৯৬৬
গ. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
ঘ. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তরঃ ৫ ফেব্রুয়ারি , ১৯৬৬
ব্যাখ্যাঃ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক 'ছয় দফা' ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি

এটি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে পেশ করা হয়েছিল। এই ছয় দফা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

ক. যুক্তরাজ্য ও চীন
খ. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
গ. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ঘ. রাশিয়া ও ফ্রান্স
উত্তরঃ চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের বিরোধিতা করেছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে দুইটি স্থায়ী রাষ্ট্র, তারা হলো:

  1. যুক্তরাষ্ট্র (USA)
  2. চীন (China)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। অন্যদিকে, চীনও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল। এই দুটি দেশই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আনা প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের হুমকি দিয়েছিল।

তবে, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া) বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ সুগম করতে সাহায্য করেছিল।

ক. মতিউর রহমান
খ. সাইমন ড্রিং
গ. এম আর আখতার মুকুল
ঘ. অ্যালেন গিন্সবার্গ
উত্তরঃ সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যাঃ

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার খবর প্রথম বহির্বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রচার করেন যে সকল সাংবাদিক, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • সাইমন ড্রিং (Simon Dring): তিনি ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক, যিনি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১ সালের কালো রাতের গণহত্যার সময় ঢাকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে (বর্তমান রূপসী বাংলা) লুকিয়ে ছিলেন। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সকল বিদেশী সাংবাদিককে দেশ থেকে বের করে দিলেও, সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লুকিয়ে থেকেছিলেন। ২৭শে মার্চ তিনি ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে 'Tank Kills in East Pakistan' (পরে 'Tanks Crash Revolts in Pakistan' নামে পরিচিত) শিরোনামে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠান। এটিই ছিল গণহত্যার প্রথম বিস্তারিত ও প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেদন যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বকে পূর্ব পাকিস্তানের ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেয়।

  • অ্যান্টনি মাসকারেনহাস (Anthony Mascarenhas): তিনি ছিলেন একজন পাকিস্তানি সাংবাদিক, যিনি সামরিক জান্তার সাথে পূর্ব পাকিস্তান সফর করেন। তিনি যা দেখেছিলেন, তা তাকে এতটাই বিচলিত করে যে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং ১৩ই জুন, ১৯৭১ সালে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য সানডে টাইমস-এ 'Genocide' (গণহত্যা) শিরোনামে একটি সাহসী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এই প্রতিবেদনটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশের গণহত্যার বিষয়ে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এছাড়াও, অনেক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই সময়কার ভয়াবহতা তুলে ধরেছিলেন, যেমন নিজামুদ্দীন আহমদ (যিনি বিবিসি-সহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তথ্য সরবরাহ করতেন) এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিনিধি ম্যাক ব্রাউন। তবে, প্রথম বিস্তারিত প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সাইমন ড্রিং এবং গণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরার জন্য অ্যান্টনি মাসকারেনহাস বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ক. এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
গ. তাজউদ্দীন আহমদ
ঘ. এম. মনসুর আলী
উত্তরঃ এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যাঃ

মুজিবনগর সরকারের (Provisional Government of Bangladesh) অর্থমন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী

ক. ১৯০৫
খ. ১৯১১
গ. ১৯২০
ঘ. ১৯২১
উত্তরঃ ১৯২১
ব্যাখ্যাঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে এক অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে। এর প্রতিষ্ঠা ছিল বাঙালি মুসলিম সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতির এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে বেশ কিছু ঐতিহাসিক কারণ এবং দীর্ঘদিনের দাবি কাজ করেছিল:

  1. বাংলার বিভাজন (বঙ্গভঙ্গ) ও মুসলিম সমাজের দাবি: ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয় এবং ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়। এ সময় ঢাকার মুসলিম সমাজে শিক্ষার প্রসারের জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়। বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর (১৯১১ সাল) মুসলিম সমাজের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। এই অসন্তোষ প্রশমনের জন্য এবং মুসলিমদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ধারণাটি সামনে আসে।

  2. লর্ড হার্ডিঞ্জের প্রতিশ্রুতি: ১৯১১ সালের ৩১শে জানুয়ারি, তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকা সফরে এসে মুসলিম নেতৃবৃন্দের (যেমন নবাব সলিমুল্লাহ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক প্রমুখ) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন।

  3. নাথান কমিটি: এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের জন্য ১৯১২ সালের ২৭শে মে 'নাথান কমিটি' (Nathan Committee) গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আর. নাথান। এই কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক, যেমন - এর উদ্দেশ্য, পাঠ্যক্রম, আর্থিক সংস্থান, প্রশাসনিক কাঠামো ইত্যাদি বিষয়ে সুপারিশ প্রদান করে। নাথান কমিটির সুপারিশগুলো ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।

  4. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও অর্থ সংকট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া কিছুটা ধীরগতিতে চলে, কারণ ব্রিটিশ সরকার আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়। তবে, এই সময়েও মুসলিম নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন বুদ্ধিজীবী মহল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।

  5. ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি কমিশন (স্যাডলার কমিশন): ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশন (Sadler Commission) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তাকে সমর্থন করে এবং ১৯২০ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত তাদের রিপোর্টে দ্রুত এটি প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।

ক. প্রথম ১২ চরণ
খ. প্রথম ৪ চরণ
গ. প্রথম ১০ চরণ
ঘ. প্রথম ১৯ চরণ
উত্তরঃ প্রথম ১০ চরণ
ক. সাঁওতাল বিদ্রোহ
খ. নীল বিদ্রোহ
গ. সিপাহী বিদ্রোহ
ঘ. ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তরঃ ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ক. ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
খ. পাবলো পিকাসো
গ. কামরুল হাসান
ঘ. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তরঃ কামরুল হাসান
ক. নভেম্বর ৪, ১৯৭২
খ. জানুয়ারি ০১, ১৯৭২
গ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
ঘ. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
উত্তরঃ ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
ক. বাংলা ১২৭৬ সালে
খ. বাংলা ১০৭৬ সালে
গ. বাংলা ১১৭৬ সালে
ঘ. বাংলা ১৯৬৬ সালে
উত্তরঃ বাংলা ১১৭৬ সালে
ক. পাঁচ কোটি বছর আগে
খ. তিন কোটি বছর আগে
গ. দুইশত বছর আগে
ঘ. আড়াই হাজার বছর আগে
উত্তরঃ আড়াই হাজার বছর আগে
ক. নিরাপত্তা পরিষদে
খ. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে
গ. অছি পরিষদে
ঘ. সাধারণ পরিষদে
উত্তরঃ সাধারণ পরিষদে

প্রশ্নঃ `বার ভূঁইয়া` কাদের বলা হতো?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৩-০৬-২০১৯ ]

ক. মোগল আমলের ১২ জন সেনাপতিকে
খ. উপরে উল্লেখিত সকলকে
গ. বৃটিশ যুগের শক্তিশালী যোদ্ধাদের
ঘ. বড় বড় স্বাধীন জমিদার
উত্তরঃ বড় বড় স্বাধীন জমিদার
ক. আমার জীবনী
খ. সংগ্রাম
গ. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ঘ. আমার বাংলাদেশ
উত্তরঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ক. আকবর, হুমায়ুন ও জাহাঙ্গীর
খ. ইলিয়াস শাহ, তুঘলক ও জালালউদ্দিন
গ. ধর্মপাল ও গোপাল
ঘ. গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
উত্তরঃ গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
ক. ১৯৯২ সালের ১৭ মার্চ
খ. ১৯৯০ সালের ২৫ মার্চ
গ. ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ
ঘ. ১৯৯৫ সালের ৭ মার্চ
উত্তরঃ ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ
ক. ১৯৬৫ সালের ২৩ জুন
খ. ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি
গ. ১৯৫২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর
ঘ. ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি
ক. চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
খ. দিনাজপুর ও রংপুর
গ. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ঘ. রাজশাহী ও বগুড়া
উত্তরঃ কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ক. পাকিস্তান বিমানবাহিনী
খ. ভারত সেনাবাহিনী
গ. পাক-ভারত বাহিনী
ঘ. পাকিস্তান সেনাবাহিনী
উত্তরঃ পাকিস্তান সেনাবাহিনী
ক. ২৯৮ টি
খ. ২৮০ টি
গ. ২২৩ টি
ঘ. ১৭১ টি
উত্তরঃ ২২৩ টি
ক. এম এ আজিজ
খ. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
গ. এম আর আখতার মুকুল
ঘ. বেলাল মোহাম্মদ
উত্তরঃ এম আর আখতার মুকুল
ক. জেনারেল টিক্কা খান
খ. জেনারেল রাও ফরমান আলী
গ. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ঘ. জেনারেল জিয়াউল রহমান
উত্তরঃ জেনারেল রাও ফরমান আলী
ক. তারেক মাসুদ
খ. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
গ. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
ঘ. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
উত্তরঃ আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ক. ক্যাপ্টেন
খ. সিপাহী
গ. ল্যান্স নায়েক
ঘ. লেফটেন্যান্ট
উত্তরঃ সিপাহী
ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
খ. এম আর আখতার মুকুল
গ. আব্দুল হান্নান
ঘ. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
উত্তরঃ এম আর আখতার মুকুল
ক. তাজউদ্দীন আহমেদ
খ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ঘ. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
উত্তরঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ক. সিপাহী হামিদুর রহমান
খ. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
গ. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ঘ. সিপাহী মোস্তাফা কামাল
উত্তরঃ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ক. ১৬ ডিসেম্বর
খ. ২৫ মার্চ
গ. ২৬ মার্চ
ঘ. ১০ এপ্রিল
উত্তরঃ ১০ এপ্রিল
ক. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
খ. হাশেম খান
গ. রফিকুন্নবী
ঘ. কামরুল হাসান
উত্তরঃ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ক. বীর উত্তম
খ. বীর প্রতীক
গ. বীর বিক্রম
ঘ. বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তরঃ বীর উত্তম
ক. বীর উত্তম
খ. বীর প্রতীক
গ. বীরশ্রেষ্ঠ
ঘ. বীর বিক্রম
উত্তরঃ বীরশ্রেষ্ঠ
ক. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
খ. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
গ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ঘ. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
উত্তরঃ ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ক. ১১ টি
খ. ৮টি
গ. ৭ টি
ঘ. ১০ টি
উত্তরঃ ১১ টি
ক. সেতারা বেগম
খ. জাহানারা বেগম
গ. নীলিমা ইব্রাহিম
ঘ. বেগম সুফিয়া কামাল
উত্তরঃ সেতারা বেগম
ক. মৌর্য
খ. পুরু
গ. গৌড়
ঘ. রাঢ়
উত্তরঃ মৌর্য
ক. রাজা শশাঙ্ক
খ. গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
গ. ফকরুদ্দীন মোবারক
ঘ. লক্ষণ সেন
উত্তরঃ রাজা শশাঙ্ক
ক. ১১ নং সেক্টর
খ. ৪১ নং সেক্টর
গ. ১০ সেক্টর
ঘ. ০৯ সেক্টর
উত্তরঃ ১০ সেক্টর

প্রশ্নঃ নিম্নোক্তগনের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ নন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০৪-২০১৮ ]

ক. হামিদুর রহমান
খ. মোস্তাফা কামাল
গ. মুন্সী আবদুর রহিম
ঘ. নূর মোহাম্মদ শেখ
উত্তরঃ মুন্সী আবদুর রহিম
ক. স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা
খ. পুনরায় নির্বাচন দাবি
গ. সামরিক আইন জারি করা
ঘ. অনশন ধর্মঘট আহবান
উত্তরঃ স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২৯-১০-২০১৬ ]

ক. এএইচ এম কামারুজ্জামান
খ. তাজউদ্দীন আহমদ
গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ক. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
খ. শিশুপার্ক
গ. লালদিঘী ময়দান
ঘ. রমনা পার্ক
উত্তরঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ক. রাওয়ালপিন্ডিতে
খ. করাচিতে
গ. ঢাকায়
ঘ. লাহোরে
উত্তরঃ লাহোরে
ক. মেজর এম আবদুল জলিল
খ. উইং কমান্ডার এম কে বাশার
গ. মেজর কাজী নুরুজ্জামান
ঘ. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
উত্তরঃ উইং কমান্ডার এম কে বাশার

প্রশ্নঃ প্রাচীন পুন্ড্রনগর কোথায়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ২১-০৪-২০১৪ ]

ক. ময়নামতি
খ. বিক্রমপুর
গ. মহাস্থানগড়
ঘ. পাহাড়পুর
উত্তরঃ মহাস্থানগড়
ক. ১০৭৬
খ. ১১৭৬
গ. ১২৭৬
ঘ. ১৩৭৬
উত্তরঃ ১১৭৬
ক. একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন
খ. ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ
গ. ব্রিটিম বিরোধী আন্দোলন
ঘ. এর কোনোটিই নয়
উত্তরঃ একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন

প্রশ্নঃ সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-১১-২০১৩ ]

ক. ১৮২৯
খ. ১৮১৯
গ. ১৮৩৯
ঘ. ১৮৪৯
উত্তরঃ ১৮২৯
ক. বাবর
খ. হুমায়ূন
গ. আকবর
ঘ. জাহাঙ্গীর
উত্তরঃ হুমায়ূন
ক. ৬০ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ৭২ জন
ঘ. ৭৮ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. ১নং
খ. ২নং
গ. ৩নং
ঘ. ৪নং
উত্তরঃ ২নং

প্রশ্নঃ লালবাগ কেল্লার আদি নাম-

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-১১-২০১৩ ]

ক. আওরঙ্গবাদ দুর্গ
খ. আজম দুর্গ
গ. শায়েস্তাখান দুর্গ
ঘ. পরীবিবির দুর্গ
উত্তরঃ আওরঙ্গবাদ দুর্গ
ক. জাহাঙ্গীর
খ. শাহজাহান
গ. হুমায়ূন
ঘ. আওরঙ্গজেব
উত্তরঃ হুমায়ূন

প্রশ্নঃ সতীদাহ প্রথা রহিত হয় কোন সালে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-১১-২০১৩ ]

ক. ১৮২৯ সালে
খ. ১৮৩০ সালে
গ. ১৮৩১ সালে
ঘ. ১৮৩৯ সালে
উত্তরঃ ১৮২৯ সালে
ক. ২১ ফেব্রুয়ারি
খ. ২৩ ফেব্রুয়ারি
গ. ২৪ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তরঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি

প্রশ্নঃ “অপারেজেয় বাংলা” কী?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-১১-২০১৩ ]

ক. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম
খ. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
গ. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ম্যুরালচিত্র
ঘ. একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা
উত্তরঃ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
ক. ৮টি
খ. ৯টি
গ. ১১টি
ঘ. ১২টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. ইব্রাহীম খাঁন
খ. ইসলাম খাঁন
গ. শায়েস্তা খাঁন
ঘ. মীর জুমলা
উত্তরঃ ইসলাম খাঁন
ক. ১০ মার্চ
খ. ২ মার্চ
গ. ২৫ মার্চ
ঘ. ২৩ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ

প্রশ্নঃ 'বীরশ্রেষ্ঠ' পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১৪-০৪-২০১৩ ]

ক. সাত
খ. আট
গ. পাঁচ
ঘ. ছয়
উত্তরঃ সাত
ক. চার নম্বর সেক্টর
খ. তিন নম্বর সেক্টর
গ. দুই নম্বর সেক্টর
ঘ. এক নম্বর সেক্টর
উত্তরঃ দুই নম্বর সেক্টর
ক. এগার
খ. দশ
গ. আট
ঘ. পনের
উত্তরঃ এগার
ক. ইসলাম খান
খ. রাজা মানসিংহ
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. মীর জুমলা
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১২-০৪-২০১৩ ]

ক. ধর্মপাল
খ. রামপাল
গ. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ঘ. আমিশর
উত্তরঃ ধর্মপাল
ক. ৬০ জন
খ. ৬২ জন
গ. ৬৪ জন
ঘ. ৬৮ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. মহাস্থানগড়
খ. ময়নামতী
গ. বিক্রমপুর
ঘ. পাহাড়পুর
উত্তরঃ মহাস্থানগড়
ক. মীর জুমলা
খ. ইলিয়াস শাহ
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. ইসলাম খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ লালবাগ শাহী মসজিদটি কে নির্মাণ করেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ ]

ক. ইলিয়াস শাহ
খ. শায়েস্তা খান
গ. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
ঘ. ইসলাম খান
উত্তরঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা হয়েছিল কবে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১১-০৪-২০১৩ | প্রা. বি. স. শি. নি. ৩১-১০-২০০৮ ]

ক. ২৬ মার্চ ১৯৭১
খ. ১১ এপ্রিল ১৯৭১
গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ঘ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১

প্রশ্নঃ ষাটগম্বুজ মসজিদটির নির্মাতা কে?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ১০-০৪-২০১৩ ]

ক. খান জাহান আলী
খ. ইঁসা খা
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
উত্তরঃ খান জাহান আলী

প্রশ্নঃ সুন্দরবনের পূর্বে কোন নদী অবস্থিত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

ক. রায়মঙ্গল
খ. বলেশ্বর
গ. মাতামুহুরী
ঘ. রূপসা
উত্তরঃ বলেশ্বর

প্রশ্নঃ `আনন্দবিহার` কোথায় অবস্থিত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৯-০৪-২০১৩ ]

ক. ঢাকার মালিবাগে
খ. কুমিল্লার ময়নামতীতে
গ. দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
ঘ. চট্টগ্রামের রাউজানে
উত্তরঃ কুমিল্লার ময়নামতীতে
ক. শায়েস্তা খান
খ. মুর্শিদকুলি খান
গ. সুবাদার ইসলাম খান
ঘ. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
উত্তরঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
ক. বাদশা আকবর
খ. বিজয় সেন
গ. লক্ষ্মণ সেন
ঘ. ইলিয়াস শাহ
উত্তরঃ বাদশা আকবর
ক. ১৯৯৮ সালে
খ. ২০০০ সালে
গ. ২০০১ সালে
ঘ. ২০০২ সালে
উত্তরঃ ২০০১ সালে

প্রশ্নঃ মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-০৪-২০১৩ ]

ক. জামালপুরে
খ. ঢাকার মালিবাগে
গ. চট্টগ্রামের রাউজানে
ঘ. দিনাজপুর ফুলবাড়িতে
উত্তরঃ চট্টগ্রামের রাউজানে

প্রশ্নঃ বিবি পরি কে ছিলেন?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-০৪-২০১৩ ]

ক. আওরঙ্গজেবের কন্যা
খ. শায়েস্তা খানের কন্যা
গ. আজিমুসশানের কন্যা
ঘ. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
উত্তরঃ শায়েস্তা খানের কন্যা
ক. কাসিম খান
খ. শায়েস্তা খান
গ. ইসলাম খান
ঘ. মুর্শিদকুলী খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কবে উদ্বোধন করা হয়?

[ প্রাক-প্রা. স. শি. নি. ০৮-০৪-২০১৩ ]

ক. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
খ. ১৯৮৩ সালের ২৬ মার্চ
গ. ১৯৮১ সালের ২৬ মার্চ
ঘ. ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তরঃ ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ক. চতুর্দশ
খ. সপ্তদশ
গ. অষ্টাদশ
ঘ. ত্রয়োদশ
উত্তরঃ চতুর্দশ
ক. ১৯৪৮ সালে
খ. ১৯৫২ সালে
গ. ১৯৬৯ সালে
ঘ. ১৯৭১ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালে
ক. ১৯৫২ সালে
খ. ১৯৫৪ সালে
গ. ১৯৫৬ সালে
ঘ. ১৯৫৭ সালে
উত্তরঃ ১৯৫৪ সালে
ক. হুসেন শাহ
খ. সম্রাট জাহাঙ্গীর
গ. রাজা টোডরমল
ঘ. ইংরেজরা
উত্তরঃ রাজা টোডরমল

প্রশ্নঃ আসাদ কবে শহীদ হন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৮-০২-২০১২ ]

ক. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
খ. ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
গ. ১৯৬৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ঘ. ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তরঃ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
ক. ১০ দফা
খ. ১৬ দফা
গ. ২১ দফা
ঘ. ২৬ দফা
উত্তরঃ ২১ দফা
ক. ১৯৫৫ সালে
খ. ১৯৫৬ সালে
গ. ১৯৫৩ সালে
ঘ. ১৯৫৪ সালে
উত্তরঃ ১৯৫৩ সালে
ক. ২৫০ টি
খ. ২৭৫টি
গ. ৩০০টি
ঘ. ৩০৯টি
উত্তরঃ ৩০৯টি
ক. পুণ্ড্র নগর
খ. রামাবতী
গ. কর্ণ সুবর্ণ
ঘ. মহাস্থান
উত্তরঃ পুণ্ড্র নগর
ক. শ্রী বিহার
খ. সোমপুর বিহার
গ. ধর্মপাল বিহার
ঘ. জগদ্দল বিহার
উত্তরঃ সোমপুর বিহার
ক. ফকির মজনু শাহ
খ. তিতুমীর
গ. দুদু মিয়া
ঘ. মীর কাশিম
উত্তরঃ তিতুমীর
ক. বগুড়া
খ. কুমিল্লা
গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ঘ. রাজশাহী
উত্তরঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ক. অশোক
খ. শের শাহ
গ. আকবর
ঘ. মুহম্মদ বিন তুঘলক
উত্তরঃ শের শাহ
ক. এ কে ফজলুল হক
খ. ইস্কান্দার মীর্জা
গ. খাজা নাজীমউদ্দীন
ঘ. মুহাম্মদ আলী
উত্তরঃ এ কে ফজলুল হক
ক. দুইবার
খ. একবার
গ. তিনবার
ঘ. চারবার
উত্তরঃ চারবার
ক. কামরুল হাসান
খ. মৃণাল হক
গ. সৈয়দ মঈনুল হোসেন
ঘ. রফিকুন নবী
উত্তরঃ সৈয়দ মঈনুল হোসেন

প্রশ্নঃ সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন -

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ২৪-০২-২০১২ ]

ক. জাহাঙ্গীরনগর
খ. জান্নাতাবাদ
গ. ইসলামাবাদ
ঘ. নাসিরাবাদ
উত্তরঃ জাহাঙ্গীরনগর
ক. ৫ জন
খ. ১০ জন
গ. ৮ জন
ঘ. ৭ জন
উত্তরঃ ৭ জন
ক. ১৮৫৭ সালে
খ. ১৮০৩ সালে
গ. ১৭৫৭ সালে
ঘ. ১৭৫৫ সালে
উত্তরঃ ১৭৫৭ সালে
ক. হুমায়ুন
খ. জাহাঙ্গীর
গ. শাহজাহান
ঘ. আওরঙ্গজেব
উত্তরঃ হুমায়ুন
ক. সম্রাট বাবর
খ. হুমায়ুন
গ. মোহাম্মদ ঘোরী
ঘ. আলেকজান্ডার
উত্তরঃ সম্রাট বাবর
ক. ক্যাপ্টেন
খ. লেফটেন্যান্ট
গ. ল্যান্স নায়েক
ঘ. সিপাহী
উত্তরঃ ল্যান্স নায়েক

প্রশ্নঃ মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১০-০৮-২০১০ ]

ক. মেহেরপুর
খ. চুয়াডাঙ্গা
গ. সিরাজগঞ্জ
ঘ. নবাবগঞ্জ
উত্তরঃ মেহেরপুর
ক. কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
খ. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
গ. মুজিবনগর, মেহেরপুর
ঘ. নাটোর, রাজশাহী
উত্তরঃ কালুরঘাট, চট্টগ্রাম

প্রশ্নঃ সাত গম্বুজ মসজিদটির নির্মাতা -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. সুবেদার ইসলাম খান
খ. মীরজুমলা
গ. মুরশীদ কুলী খান
ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তরঃ শায়েস্তা খান

প্রশ্নঃ নোয়াখালীর পূর্ব নাম -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. নাসিরাবাদ
খ. পূর্বাশা
গ. সুধারাম
ঘ. সুবর্ণগ্রাম
উত্তরঃ সুধারাম

প্রশ্নঃ ঢাকার ছোট কাটরা নির্মাণ করেন -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১১-১২-২০১১ ]

ক. ইসলাম খান
খ. মীর জুমলা
গ. শায়েস্তা খান
ঘ. শাহজাদা আযম
উত্তরঃ শায়েস্তা খান
ক. কুমিল্লার ময়নামতি
খ. রাজশাহীর পাহাড়পুর
গ. বগুড়ার মহাস্থানগড়
ঘ. নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও
উত্তরঃ বগুড়ার মহাস্থানগড়
ক. ১
খ. ২
গ. ৭
ঘ. ৪
উত্তরঃ ২
ক. নবাব সলিমুল্লাহ
খ. মির্জা আহমেদ খান
গ. মির্জা গোলাম পীর
ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তরঃ মির্জা গোলাম পীর
ক. ১৭৮১ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
খ. ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
গ. ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত
ঘ. ১৭১৯ থেকে ১৮৬২ পর্যন্ত
উত্তরঃ ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
ক. ১৯৬৬ সালে
খ. ১৯৬৭ সালে
গ. ১৯৬৮ সালে
ঘ. ১৯৭৯ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৮ সালে

প্রশ্নঃ বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

ক. পাঁচ
খ. সাত
গ. আট
ঘ. দশ
উত্তরঃ সাত

প্রশ্নঃ ঐতিহাসিক ছয় দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ১০-১২-২০১১ ]

ক. ১৯৭০ সালে
খ. ১৯৬৭ সালে
গ. ১৯৬৬ সালে
ঘ. ১৯৬৫ সালে
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে
ক. হাজী শরীয়তউল্লাহ
খ. তিতুমীর
গ. দুদু মিয়া
ঘ. নবাব সলিমুল্লাহ
উত্তরঃ দুদু মিয়া
ক. ১১টি
খ. ১২টি
গ. ৯টি
ঘ. ১৩টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
খ. শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
গ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ঘ. এদের কেউই নন
উত্তরঃ শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
ক. ৫ জন
খ. ৪ জন
গ. ৩ জন
ঘ. ২ জন
উত্তরঃ ২ জন
ক. ১৯১১ সালে
খ. ১৯১৫ সালে
গ. ১৯২১ সালে
ঘ. ১৯৩০ সালে
উত্তরঃ ১৯৩০ সালে
ক. কোরাইশী আন্দোলন
খ. হাসেমী আন্দোলন
গ. সৈয়দ আন্দোলন
ঘ. ফরায়েজী আন্দোলন
উত্তরঃ ফরায়েজী আন্দোলন

প্রশ্নঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]

ক. কামরুল হাসান
খ. সৈয়দ মঈনুল হোসেন
গ. শিল্পী জয়নুল আবেদীন
ঘ. আলতাফ মাহমুদ
উত্তরঃ সৈয়দ মঈনুল হোসেন
ক. সুলতান মাহমুদ
খ. লক্ষণ সেন
গ. শেরশাহ
ঘ. আকবর
উত্তরঃ আকবর
ক. ১৬ ডিসেম্বর
খ. ২৬ মার্চ
গ. ৭ মার্চ
ঘ. ২ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ
ক. ছোট কাটরা
খ. বড় কাটরা
গ. পরী বিবির মাজার
ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তরঃ পরী বিবির মাজার

প্রশ্নঃ ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে কবে?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৮-১২-২০১১ ]

ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
খ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
গ. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তরঃ ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ক. চুরুলিয়া
খ. দবিরামপুর
গ. শান্তিডাঙ্গা
ঘ. কালীগঞ্জ
উত্তরঃ দবিরামপুর

প্রশ্নঃ আনন্দবিহার কোথায়?

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৭-১২-২০১১ ]

ক. রাজশাহীতে
খ. মহাস্থানগড়
গ. ময়নামতি
ঘ. পাহাড়পুর
উত্তরঃ ময়নামতি

প্রশ্নঃ ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন -

[ রে. বে. প্রা. স. শি. নি. ০৭-১২-২০১১ ]

ক. হযরত শাহজালাল
খ. পীর খান জাহান আলী
গ. হযরত আমানত শাহ
ঘ. বায়েজিদ বোস্তামী
উত্তরঃ পীর খান জাহান আলী
ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. তাজউদ্দিন আহমেদ
গ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ঘ. শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তরঃ তাজউদ্দিন আহমেদ
ক. নূরুল আমীন
খ. খাজা নাজিমউদ্দীন
গ. মোহাম্মদ আলী
ঘ. লিয়াকত আলী খান
উত্তরঃ খাজা নাজিমউদ্দীন
ক. ইংরেজরা
খ. ফরাসিরা
গ. পর্তুগিজরা
ঘ. ওলন্দাজরা
উত্তরঃ পর্তুগিজরা

প্রশ্নঃ বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা কে?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১৩-০১-২০১০ ]

ক. শিরান খলজী
খ. বখতিয়ার খলজী
গ. ইলিয়াস শাহ
ঘ. হুসেন শাহ
উত্তরঃ বখতিয়ার খলজী

প্রশ্নঃ ফকির আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১২-০১-২০১০ ]

ক. সিরাজ শাহ
খ. মোহসীন আলী
গ. মজনু শাহ
ঘ. জহির শাহ
উত্তরঃ মজনু শাহ
ক. সুলতান সিকান্দার শাহ
খ. নবাব আলীবর্দী খাঁ
গ. সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ঘ. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
উত্তরঃ সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
খ. মুহম্মদ উল্লাহ
গ. আবু সাঈদ চৌধুরী
ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তরঃ শেখ মুজিবুর রহমান
ক. ৩টি
খ. ৪টি
গ. ৬টি
ঘ. ৭টি
উত্তরঃ ৭টি

প্রশ্নঃ মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ১১-০১-২০১০ ]

ক. দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
খ. চট্টগ্রামের রাউজানে
গ. জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে
ঘ. সিলেটের হবিগঞ্জে
উত্তরঃ চট্টগ্রামের রাউজানে
ক. চট্টগ্রামে
খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
গ. কুষ্টিয়ার মুজিবনগরে
ঘ. কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে
উত্তরঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
ক. মেহেরপুরে
খ. চট্টগ্রামের কালুরঘাটে
গ. ঢাকায়
ঘ. কলকাতায়
উত্তরঃ মেহেরপুরে
ক. ৬০ জন
খ. ৬৮ জন
গ. ৭০ জন
ঘ. ৭৫ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. সিপাহী
খ. ল্যান্স নায়েক
গ. ক্যাপ্টেন
ঘ. মেজর
উত্তরঃ সিপাহী
ক. নাটোর
খ. নওগাঁ
গ. জয়পুরহাট
ঘ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তরঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ক. ২৭ মার্চ রাতে
খ. ২৮ মার্চ রাতে
গ. ২৫ মার্চ রাতে
ঘ. ২৬ মার্চ রাতে
উত্তরঃ ২৫ মার্চ রাতে
ক. আবু সাঈদ চৌধুরী
খ. শেখ মুজিবুর রহমান
গ. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ঘ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ক. ১৮৫৭ সালে
খ. ১৭৫৭ সালে
গ. ১৯৪৭ সালে
ঘ. ১৮৪৭ সালে
উত্তরঃ ১৮৫৭ সালে
ক. ২৬ মার্চ
খ. ১৬ ডিসেম্বর
গ. ১৪ ডিসেম্বর
ঘ. ২৪ এপ্রিল
উত্তরঃ ১৪ ডিসেম্বর
ক. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
খ. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
গ. লালবাগের কেল্লা
ঘ. ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তরঃ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
ক. আট
খ. এগারো
গ. পনের
ঘ. বিশ
উত্তরঃ এগারো
ক. ২ মার্চ
খ. ২৩ মার্চ
গ. ১৬ ডিসেম্বর
ঘ. ২৬ মার্চ
উত্তরঃ ২ মার্চ

প্রশ্নঃ কে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৭-০৯-২০০৭ ]

ক. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
খ. এ কে ফজলুল হক
গ. খাজা নাজিমউদ্দীন
ঘ. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তরঃ এ কে ফজলুল হক
ক. ৬৮ জন
খ. ৭০ জন
গ. ৬৭ জন
ঘ. ৭৫ জন
উত্তরঃ ৬৮ জন
ক. ১০
খ. ১১
গ. ১২
ঘ. ১৩
উত্তরঃ ১১

প্রশ্নঃ ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কোথায়?

[ প্রা. বি. স. শি. নি. ০৩-০৯-২০০৭ ]

ক. ঢাকায়
খ. করাচীতে
গ. লাহোরে
ঘ. কলকাতায়
উত্তরঃ লাহোরে
ক. নদীয়ায়
খ. চাঁদপুরে
গ. বারাসতে
ঘ. নারিকেল বাড়িয়ায়
উত্তরঃ নারিকেল বাড়িয়ায়
ক. ৯৭৫
খ. ১২০৪
গ. ১৫০৮
ঘ. ১৩৩৮
উত্তরঃ ১২০৪
ক. ১২০৬ খ্রি.
খ. ১৩১০ খ্রি.
গ. ১৫২৬ খ্রি.
ঘ. ১৬১০ খ্রি
উত্তরঃ ১৬১০ খ্রি
ক. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
খ. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
গ. এ কে ফজলুল হক
ঘ. মাওলানা ভাসানী
উত্তরঃ এ কে ফজলুল হক
ক. ১১টি
খ. ৯টি
গ. ১২টি
ঘ. ১৪টি
উত্তরঃ ১১টি
ক. ২ মার্চ, ১৯৭১
খ. ৭ মার্চ, ১৯৭১
গ. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
ঘ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
উত্তরঃ ২ মার্চ, ১৯৭১
ক. সিপাহী হামিদুর রহমান
খ. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
গ. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ঘ. সিপাহী মোস্তফা কামাল
উত্তরঃ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
ক. ২৬ মার্চ
খ. ১৭ এপ্রিল
গ. ১৬ ডিসেম্বর
ঘ. ২৫ মার্চ
উত্তরঃ ১৭ এপ্রিল