আমাদের স্কুল

সেটিং

বহুনির্বাচনি প্রশ্নের দেখানোর অপশনঃ
শুধুমাত্র উত্তর 2 অপশন
3 অপশন 4 অপশন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের অপশন প্রদর্শনঃ
রো আকারে কলাম আকারে
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরঃ
লুকান বোল্ড করুন
দেখান দেখান ও বোল্ড করুন
বহুনির্বাচনি প্রশ্নের ব্যাখ্যাঃ
দেখান লুকান নিচে লুকান
থিম নির্বাচন করুনঃ
ফন্ট সাইজঃ
15

 ৪টি
 ৫টি
 ৬টি
 ৭টি
ব্যাখ্যাঃ

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ১৯৯৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকার ৫টি সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়। তাছাড়াও বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে ঢাকার মিরপুরে। এর স্থপতি মোস্তাফা হারুন কুদ্দুস হিলি।

 ৯টি
 ১০টি
 ১১টি
 ১২টি
ব্যাখ্যাঃ

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৪ এপ্রিল সিলেটে মুক্তিফৌজ গঠিত হয় এবং ৯ এপ্রিল এর নামকরণ করা হয় মুক্তিবাহিনী। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

 সিপাহী
 ল্যান্স নায়েক
 হাবিলদার
 ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যাঃ
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের পদবি:
বীরশ্রেষ্ঠের নাম পদবি
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন
হামিদুর রহমান সিপাহী
মোস্তফা কামাল সিপাহী
রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার
মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট
মুন্সি আব্দুর রউফ ল্যান্সনায়েক
নূর মোহাম্মদ শেখ ল্যান্সনায়েক
 ২৬ মার্চ, ১৯৭১
 ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
 ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
 ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যাঃ

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় এবং শপথ গ্রহণ করে। ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

 হামিদুর রহমান
 তানভির কবির
 মাইনুল হোসেন
 মাযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যাঃ

হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের, তানভীর কবির মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের এবং মাযহারুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের স্থপতি।

 সিপাহী
 ল্যান্সনায়েক
 লেফটেন্যান্ট
 ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যাঃ
বীরশ্রেষ্ঠের নাম পদবি
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন
হামিদুর রহমান সিপাহী
মোস্তফা কামাল সিপাহী
রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার
মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট
মুন্সি আব্দুর রউফ ল্যান্সনায়েক
নূর মোহাম্মদ শেখ ল্যান্সনায়েক
 ২৬ মার্চ
 ১৬ ডিসেম্বর
 ২১ ফেব্রুয়ারি
 ১৪ ডিসেম্বরর
ব্যাখ্যাঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের বিজয় নিশ্চিত দেখে পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্বিচারে বহু বুদ্ধিজীবী হত্যা করে। তাই তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।