১. জাতিসংঘের সংস্থা IPCC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
[ প্রা.বি.স.শি. 29-03-2024 ]
জাতিসংঘের সংস্থা IPCC-এর পূর্ণরূপ হলো Intergovernmental Panel on Climate Change (জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল)।
IPCC হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এটি জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত সরকার এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (WMO) যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
IPCC-এর প্রধান কাজ:
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও আর্থ-সামাজিক তথ্যের মূল্যায়ন করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ, প্রভাব, ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
- সরকারগুলোকে জলবায়ু নীতি নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক তথ্য সরবরাহ করা।
- জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণায় নিয়োজিত বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
IPCC কোনো নিজস্ব গবেষণা পরিচালনা করে না। বরং, বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত জলবায়ু বিজ্ঞান সম্পর্কিত গবেষণা প্রবন্ধ পর্যালোচনা করে এবং সেগুলোর ভিত্তিতে সমন্বিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করে। এই প্রতিবেদনগুলো নীতি নির্ধারক, বিজ্ঞানী এবং সাধারণ মানুষের কাছে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ করে।
IPCC-এর মূল্যায়নের ভিত্তিতেই জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (UNFCCC) এবং প্যারিস চুক্তির মতো আন্তর্জাতিক চুক্তি ও নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।
২. OIC'র প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
[ প্রা.বি.স.শি. 02-02-2024 ]
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Cooperation - OIC) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটির লক্ষ্য হলো মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষা করা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা।
OIC-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সদস্য সংখ্যা: ৫৭টি (সিরিয়ার সদস্যপদ বর্তমানে স্থগিত)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (Organization of the Islamic Conference)।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- দাপ্তরিক ভাষা: আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।
- প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট: ১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মুসলিম বিশ্বের নেতারা একত্রিত হয়ে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাদেশ: ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ ৩২তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- মহাসচিব: বর্তমান মহাসচিব হিসেইন ব্রাহীম তাহা, যিনি চাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- উদ্দেশ্য: মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করা, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতি বৃদ্ধি করা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং মুসলিমদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করা।
- মুসলিম প্রধান না হয়েও কিছু দেশ OIC-এর সদস্য, যেমন: উগান্ডা, ক্যামেরুন, বেনিন, মোজাম্বিক, গায়ানা ও সুরিনাম।
- রাশিয়া, থাইল্যান্ড এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মতো দেশ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা ভোগ করে।
OIC জাতিসংঘের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা। এটি মুসলিম বিশ্বের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. BIMSTEC এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
[ প্রা.বি.স.শি. 22-04-2022 ]
BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation) এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
BIMSTEC হল বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সাতটি দেশকে নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক সংস্থা। এই দেশগুলো হলো:
1. বাংলাদেশ
2. ভারত
3. মায়ানমার
4. শ্রীলঙ্কা
5. থাইল্যান্ড
6. নেপাল
7. ভুটান
৪. জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে কত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে?
[ প্রা.বি.স.শি. 26-06-2019 | প্রা.বি.স.শি. 21-06-2019 ]
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Sustainable Development Goals - SDGs) অর্জনের জন্য ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য ১৫ বছর সময়কাল ধরা হয়েছে।
৫. আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?
[ প্রা.বি.স.শি. 26-06-2019 ]
আন্তর্জাতিক আদালত নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
আন্তর্জাতিক আদালতের পুরো নাম আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (International Court of Justice - ICJ)। এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ এবং এর সদর দপ্তর হেগের পিস প্যালেসে (Peace Palace) অবস্থিত।